এখন খোলা রোদে দাঁড়ালে পুড়ে যেতে হবে
বিষাক্ত ওজোন ছিঁড়েছে আকাশের ছাতা
তিন কোটি প্রজাতি - বিদায় নিতে নিতে যাদুঘর ভরে ফেলছে।
অন্যত্র কোথাও যেতে পারে না বলে পশু,পতঙ্গ এবং
নিষ্পাপ মাছেদের পড়ে থাকতে হয় আমাদের দখল করা গ্রহে
জল মরে যায় মোটরের তেলে
নীল দিগন্ত ধুসর হয়,বাতাস ভারী হতে থাকে সালফারে
বৃষ্টিরা টক হয়ে পোড়াতে থাকে জমিন
জঙ্গলের তৃণশাখায় চিত্রল মথ অদৃশ্য
জলে মুরুঙ্গী মাছ ও পাহাড়ে স্বর্ণ ঈগলেরা আর ঘরে ফেরে না
পতঙ্গ, সরিসৃপ, উড়গ - শত লক্ষ বছর টিকে থেকে
আমাদের আমলে তাদের মৃত্যু অনিবার্য।
সেই অন্তরীক্ষ, জমিন, পতঙ্গ, সুর্য কোনটিই আমাদের বানানো নয় আর এই ধ্বংশের বিনিময়ে প্রাপ্তি কতটুকু?
কি বানাতে এত কারখানা ধোঁয়া তোলে?
কি উৎপাদনে প্রকৃতির বৈচিত্র মুছে যায়?
কতটা খাবার লাগে বেঁচে থাকতে?
কতগুলো খেলনা পেলে লোভী শিশুরা খুশী হয়?
- কম্পিউটার, ব্লু রে, পাওয়ার রেঞ্জার
-টেবিল গিজ গিজ করা গুরুপাক খাদ্য, চিনি চকলেট,
-এমপিথ্রি শোনার যন্ত্র,
-গুলিময় ইলেকট্রনিক গেম, সুইমিং পুল, এসকেলারেটর,
-পাথর তোলা অঙ্গুরী,
-প্রতিদিন বদলানো ফ্যাশন শো,গতিশীল দুই আসনের গাড়ি
-ব্যক্তিগত বিমান, আগ্নেয়াস্ত্র, ভায়াগ্রা, কনসার্ট, বসতি, দালান
সবই তারা
-কেনে আর ছুঁড়ে ফেলে
-কেনে আর ছুঁড়ে ফেলে
-কেনে আর ছুঁড়ে ফেলে
উপচে পড়ে পেয়ালা, তার পরও সেই চাহিদা কমে না, কাউকে দিতে ইচ্ছে হয় না, অন্যের কথা ভাবে না। দিনে দিনে অনেক লজ্জার পুঁজ জমেছে - ক্ষতটা ছড়াচ্ছে কর্কটরোগের মত।
যা আমাদের বানানো নয়, আমরা তা ধ্বংশ হতে দিতে পারিনা।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ২:২৪