#মেটাল গান প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ বলিয়াছেন...

"উত্তেজনার অবস্থায় আমাদের গলার স্বরে সুরের আমেজ আসে। সচরাচর সামান্য বিষয়ক কথোপকথনে তেমন সুর থাকে না। বেগবান মনোভাবে সুর আসিয়া পড়ে। রোষের একটা সুর আছে, খেদের একটা সুর আছে, উল্লাসের একটা সুর আছে।"
[ সংগীত ও ভাব/ সংগীত চিন্তা ]
এখন কথা হলো রবীন্দ্রনাথের গানেরও অনেক রকম ও ধরনের ভাব আছে। প্রেমের গান আছে, দ্রোহের গান ও আছে। বিভিন্ন ভাবের গান ভিন্ন ভিন্ন আমেজে ও মেজাজে গাওয়াই সমীচীন। কিন্তু বঙ্গদেশে ছায়ানটী ও অন্যানরা কিভাবে দিনের পর দিন একই মেদুর টোনের মেঘ মেঘ গলায় রবীন্দ্রনাথের সমস্ত গান গায়া আসতেছে, এইটা আমার বুঝে আসে না।। ইহারা প্রেমের গান যেই টোনে করে, দ্রোহের গান ও একই টোনে করে।। করে নাকি?
রবীন্দ্রনাথ যতখানি আধুনিক ছিলেন। এইসমস্ত মশাল বহনকারীরা তার মুতের সমান-ও আধুনিকমনস্ক হলে জাতি আরো কিছু স্বাদ, আস্বাদন করতে পারতো রবীন্দ্রনাথের গান থেকে।। রবীন্দ্রনাথকে ভাঙ্গার সময় এসে গেছে।। আমার খুব কাছের ছোটভাই একটা অসাধারন কাজ করেছে।। রবিন্দ্রনাথের একটা গানের কথা ফেলে দিয়ে নতুন কথা বসিয়েছে।। ছায়ানটিরা কী ছ্যা ছ্যা করবেন? জানেন নাকি রবি বাবু শতাধিক গান নির্মাণকালে এই 'কাম' করেছেন।। গগনের গানের কথা ফেলে দিয়ে(পুরোপুরি পারে নাই, 'মরি হায় হায়' থেকেই গ্যাছে) সুরটা হজম করে ফেলেছেন।। আর অজস্র ও অসংখ্য বিদেশী গানের সুর নিয়ে কাজের কথা আপনারা জানেন।।
বাংলা গানের জয় হোক।।