somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মৃত্যুময় চারপাশ

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ রাত ১০:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এ বছর বেশ কয়েকজন নিকটাত্মীয় মৃত্যুবরণ করেছেন। সর্বশেষ গত গত সপ্তাহে মারা গেলেন দাদি। দাদা মারা যাওয়ার এক যুগ পর মৃত্যু হলো তার। এছাড়াও অসুস্থ আছেন কয়েকজন। যেকোনো সময় মৃত্যুসংবাদ শুনতে হতে পারে।

জীবনে এত এত জটিলতা যে, চলার পথ এত কণ্টকাকীর্ণ যে, কোনো মৃত্যু এখন আর হৃদয় স্পর্শ করে না। মনে হয় মৃত্যু অপেক্ষা বেঁচে থাকাটাই বেশি কষ্টকর। এত এত দায়িত্ব, এত এত দুর্ভাবনা যে, বেঁচে থাকার আগ্রহ আর অবশিষ্ট থাকে না।

দাদি বেশ কয়েক বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন। জীবিত একমাত্র মেয়ের বাড়ি গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে কোমর ভেঙে যায় তার। তারপর থেকে দুর্ভোগ পোহাতে হলো অনেকদিন। বিছানা থেকে উঠতেই পারতেন না। ছেলের বউয়েরা তার সেবাযত্ন করতেন। এরপর সেদিন তিনি লোকান্তরিত হয়েছেন।

সবশেষ জীবদ্দশায় যখন দাদির সাথে দেখা হয়, অনেকক্ষণ কথা বলেছিলেন আমার সাথে। অথচ এর আগে কয়েক বছর আমিসহ কাউকে চিনতেই পারতেন না।

মাত্র চল্লিশ দিন আগে এক আঙ্কেলের মৃত্যু হলো। সেদিন মাঝরাতে শুনি হঠাৎ উন‍ার শ্বাসকষ্ট বেড়েছে। একটু পর খবর আসে উনি আর ধরাধামে নেই। অথচ একদিন আগেই ঢাকা থেকে ডাক্তার দেখিয়ে গিয়েছিলেন। ওষুধও খাওয়া শেষ হয়নি। খুব অনাদরে মৃত্যু হয়েছে তার। মরার সময় বলার মতো কেউ পাশে ছিল না। 

ছয়-সাত মাস আগে এক কাকা মারা গেলেন। কিডনির সমস্যা ছিল। সর্বোচ্চ চেষ্ট‍া করা হয়েছে বাঁচানোর। কাকাত ভাই বিদেশ থেকে টাকা-পয়সা পাঠিয়েছে। কিন্তু কিছু করার ছিল না। দুঃখ এখানে একটাই, কাকার তেমন বয়স হয়নি। আমার সাত বাবা-কাকার মধ্যে চতুর্থতম ছিলেন তিনি। 

আজ মাকে ফোন দিলাম। জানালেন, আরেক আঙ্কেল মারা গেছেন। উনারও কিডনির সমস্যা ছিল।

ছবি: সংগৃহীত
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ রাত ১১:৪১
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওয়াক্ফ সম্পত্তি আইন ২০২৫: ভারতের মুসলিম নিধন নীতির আইনগত চাবিকাঠি !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১০:০৪


ভারত আজ আর গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র নয়—আজকের ভারত এক হিন্দুত্ববাদী নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক প্রকল্প, যেখানে সংবিধানকে অস্ত্র বানিয়ে একের পর এক সংখ্যালঘু নিধন চালানো হচ্ছে। 'ওয়াক্ফ সম্পত্তি আইন ২০২৫' তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ওরিয়ানা ফাল্লাচির সাক্ষাৎকার - Sheikh Mujibur Rahman's interview with Oriana Fallaci

লিখেছেন জনাব রায়হান, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১১:৫৫

(Interview with History বই থেকে, পৃষ্ঠা ১২২-১৩৫, বাংলায় ভাবানুবাদ)

"১৯৭২ সালে ইতালীয় সাংবাদিক ওরিয়ানা ফাল্লাচি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে একটি তীব্র ও বিতর্কিত সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। তার বই Interview... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোদির সাথে ডঃ ইউনূসের সাক্ষাৎ এবং.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৭:৫০

মোদির সাথে ডঃ ইউনূসের সাক্ষাৎ এবং.....

'সাইড লাইনে সাক্ষাৎ" দেখে যারা উল্লাসে উচ্ছ্বসিত, আনন্দে উদ্ববেলিত....কেউ কেউ আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে গলাবাজি করছেন- ভারত ভুল বুঝতে পেরেছে, ডক্টর ইউনুস স্যারের কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইউনূস বিদেশে দেশকে করছেন অপমান-অপদস্থ

লিখেছেন sabbir2cool, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১০:৪৬


দুর্নীতির কারণে তার যাওয়ার কথা ছিল জেলে, গেছেন তিনি বঙ্গভবনে প্রধান উপদেষ্টার শপথ নিতে। এটা খোদ মুহাম্মদ ইউনূসের স্বীকারোক্তি ছিল। তার দেশশাসনের আট মাসে বিদেশে যখন গেছেন তিনি, তখন স্বীকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=এখানে আর নিরাপত্তা কই!=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৩:১৩


কোন সে উন্নয়নের পথে হাঁটছি বলো
এই গিঞ্জি শহর কি বাসের অযোগ্য নয়?
শূন্যে ভাসমান রাস্তা-নিচে রাজপথ
তবু কি থেমে আছে যানজট কিংবা দুর্ঘটনা?

দৌঁড়ের জীবন-
টেক্কা দিতে গিয়ে ওরা কেড়ে নেয় রোজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×