somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু তানহা'র সাহায্যে এগিয়ে আসুন

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাড়ে চার বছরের ফুটফুটে শিশু তানহা। বাবা-মা’র একমাত্র সন্তান। বর্তমানে দুরারোগ্য ব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দীর্ঘ আট মাস ধরে ব্যয়বহুল চিকিৎসা করাতে গিয়ে ইতিমধ্যেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তানহার পরিবার। এনজিওতে কর্মরত তার পিতা জাবেদ হারিয়েছেন চাকরি। নিজেই এখন হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় ধুঁকছেন। তানহা’র মা নাহিদ জানান, ২০০৯ সালের জুন মাসে প্রথম টনসিলসহ তীব্র জ্বর হয় মেয়ের। স্থানীয় একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে রাজধানীর খিলগাঁও খিদমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার রক্তে ব্লাড ক্যান্সারের সিনড্রোম ধরা পড়ে। ওই অবস্থায় তাকে স্থানান্তর করা হয় বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালে। এরপর থেকে তানহা বঙ্গবন্ধু হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আশিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ডি ব্লকের তেতলায় চাইল্ড ক্যান্সার ইউনিটের ৬ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসার পাশাপাশি তাকে প্রতিদিন কয়েক ব্যাগ এ-পজিটিভ রক্ত দিতে হয়। এদিকে বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চতুর্থবারের মতো ইনফেকশন হয়েছে তানহার। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ঝুঁকির পাশাপাশি বেড়ে যায় চিকিৎসা ব্যয়ও। বর্তমানে ইনফেকশনের কারণে ঝরে পড়ছে তার চুল। কমছে না জ্বরের তীব্রতা। তার ওপর গত কয়েকদিন ধরে পায়ুপথে নিয়মিত রক্তরণ হচ্ছে। তানহা’র মা আরও জানান, বর্তমানে তানহার চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন গড়ে ১২ হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। নিয়মিত রক্ত যোগাড়েও পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তানহাকে সুস্থ করতে হলে আগামী তিন বছর টানা চিকিৎসা নিতে হবে। তবে এজন্য প্রয়োজন প্রচুর অর্থ। এতদিন তানহার ফুফু আতিয়া বিলকিস মিতু আর্থিকভাবে সহযোগিতা করলেও এখন তিনি নিজেই প্রায় নিঃস্ব। তার ওপর তাকে দেখাশোনা করতে হয় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ভাইয়ের তিন শিশু সন্তানকে। আতিয়া বিলকিস জানান, গত এক বছর ধরে একের পর এক বিপর্যয়ে বিপর্যস্ত তাদের পরিবার। এক বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত তানহার বড় চাচা ও চাচি। তবে অলৌকিকভাবে বেঁচে যান তাদের তিনটি ছোট্ট শিশু। ফলে বর্তমানে তাদেরও দেখাশোনার ভার তার ওপর। সর্বশেষ হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তানহা’র পিতা জাবেদ। ফলে তানহা’র ব্যয়বহুল চিকিৎসার ব্যাপারে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তার পুরো পরিবার। এ অবস্থায় শিশু তানহাকে বাঁচাতে দেশের বিত্তবান মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন তার বাবা-মা ও ফুফু। তানহাকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
সৈয়দা আতিয়া বিলকিস, এসবি/ একাউন্ট নম্বর- ২৬৭৯৪- ইউসিবিএল, কাওরান বাজার শাখা, ঢাকা। বিদেশ থেকে পাঠালে- এভি সুইফট ইউসিবিএলবিডিএইচকেবি ২, সৈয়দা আতিয়া বিলকিস, এসবি/ একাউন্ট নম্বর- ০০৪৪১২১০০০২৬৭৮৪।
বিস্তারিত যোগাযোগ- চাইল্ড ক্যান্সার ইউনিট, ডি ব্লক, তৃতীয় তলা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতিমধ্যে তানহার বিষয়টি নিয়ে দৈনিক মানবজমিন, ডেইলি নিউএজ ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরও কোন সহযোগীতা আসেনি। প্লিজ সবাই একটু যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করুন।
(কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, পোস্টটি স্টিকি করা হোক)
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৩
৪৬টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মোদির সাথে ডঃ ইউনূসের সাক্ষাৎ এবং.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৭:৫০

মোদির সাথে ডঃ ইউনূসের সাক্ষাৎ এবং.....

'সাইড লাইনে সাক্ষাৎ" দেখে যারা উল্লাসে উচ্ছ্বসিত, আনন্দে উদ্ববেলিত....কেউ কেউ আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে গলাবাজি করছেন- ভারত ভুল বুঝতে পেরেছে, ডক্টর ইউনুস স্যারের কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইউনূস বিদেশে দেশকে করছেন অপমান-অপদস্থ

লিখেছেন sabbir2cool, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১০:৪৬


দুর্নীতির কারণে তার যাওয়ার কথা ছিল জেলে, গেছেন তিনি বঙ্গভবনে প্রধান উপদেষ্টার শপথ নিতে। এটা খোদ মুহাম্মদ ইউনূসের স্বীকারোক্তি ছিল। তার দেশশাসনের আট মাসে বিদেশে যখন গেছেন তিনি, তখন স্বীকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=এখানে আর নিরাপত্তা কই!=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৩:১৩


কোন সে উন্নয়নের পথে হাঁটছি বলো
এই গিঞ্জি শহর কি বাসের অযোগ্য নয়?
শূন্যে ভাসমান রাস্তা-নিচে রাজপথ
তবু কি থেমে আছে যানজট কিংবা দুর্ঘটনা?

দৌঁড়ের জীবন-
টেক্কা দিতে গিয়ে ওরা কেড়ে নেয় রোজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই শহর আমার নয়

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৫ বিকাল ৫:০২




এই শহর আমার নয়
ধুলিমলিন, পোড়া ধোঁয়ায় ঘেরা
ধূসর এক স্বপ্নহীন চেহারা।
এই শহর, আমার নয়।

ঘোলাটে চোখে জমে হাহাকার,
চেনা মুখেও অচেনার ছাপ।
পথে পথে স্বপ্নরা পোড়ে,
আলোর ছায়ায় খেলে আঁধার।

এই শহর... ...বাকিটুকু পড়ুন

টিউবওয়েলটির গল্প

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৯:০৪



এটা একটি টিউবওয়েল।

২০০৯ সালে, যখন আমি নানী বাড়ি থেকে লেখাপড়া করতাম, তখন প্রতিদিন এই টিউবওয়েল দিয়েই গোসল করতাম। স্কুল শেষে ক্লান্ত, ঘামাক্ত শরীর নিয়ে যখন ঠান্ডা পানির ঝাপটায় নিজেকে স্নান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×