আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী (সাঃ) ইরশাদ করেন: আল্লাহ তাআলা লানত করেন এমন চোরকে যার হাত খানা কাটা গেলো একটি লোহার টুপি অথবা এক খানা রশি চুরির জন্য। (বুখারী ৬৭৮৩; মুসলিম ১৬৮৭)
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন: ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে ঈমানদার থাকে না। চোর যখন চুরি করে তখন সে ঈমানদার থাকে না। মদ পানকারী যখন মদ পান করে তখন সে ঈমানদার থাকে না। লুটেরা যখন মানব জনসম্মুখে লুট করে তখনও সে ইমানদার থাকে না। তবে এরপরও তাদেরকে তাওবা করার সুযোগ দেয়া হয়। (বুখারী ২৪৭৫, ৫৫৭৮, ৬৭৭২, মুসলিম ৫৭, আবু দাউদ ৪৬৮৯)
এর চাইতেও আরো নিকৃষ্ট চুরি হচ্ছে হজ্জ কিংবা উমরাহ পালনকারীদের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র বা পথখরচা চুরি করা। তাতে পবিত্র ভূমির সম্মানও ক্ষুণ্ন হয় এবং আল্লাহ তাআলার মেহমানদেরকে কষ্ট দেয়া হয়।
রাসূল (সাঃ) সূর্য গ্রহণ কালীন নামায পড়ার সময় তাঁর সম্মুখে জাহান্নাম উপস্থাপিত করা হলে তিনি তাতে এ জাতীয় একজন চোর দেখতে পান। তিনি বলেন: এমনকি আমি জাহান্নামে সে মাথা বাঁকানো লাঠি ওয়ালাকে দেখতে পেলাম যে নিজ নাড়িভুঁড়ি টেনে বেড়াচ্ছে। সে নিজ লাঠিটি দিয়ে হাজীদের আসবাবপত্র চুরি করতো। ধরা পড়ে গেলে সে বলতো: এটা তো আমার আংটায় এমনিতেই লেগে গেলো। আর কেউ টের না পেলে সে জিনিসটি নিয়ে চলে যেতো। (মুসলিম-৯০৪)