ঢাকা শহরের প্রতিটি রাস্তা পিচ ঢালাইয়ের পর বালু ছিটিয়ে দেওয়া হয়। এই বালু আর কখনো অপসরণ করা হয় না। যে কোন ধরনের যানবহন চলাচলে রাস্তার মাঝে জমে থাকা ধুলা বালু উড়ে পথযাত্রীর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার জোগাড় হয়। এভাবে রাস্তার ধুলা বালু রাস্তার দুই পাশেই ঘুর পাক খায়। বহির বিশ্বে রাস্তা পরিষ্কার করার জন্য আধুনিক যানবহন ব্যবহার করতে দেখা যায়। উক্ত যানবহন রাস্তার ধুলা বালু সংক্রিয় ভাবে পরিষ্কার হয়ে যায়। আমাদের যদি এমন আধুনিক যানবহন আমদানী করতে অসুবিধা হয় তাহলে বিকল্প ব্যবস্থায় আপনি রাস্তার সকল ধুল এবং বালু পরিষ্কার করার জন্য দ্রুত উদ্যোগ নিন। তাহলে নগরীর মানুষ রাস্তাঘাটে বের হয়ে সব থেকে বেশী কমফোর্ট ফিল করবে। তাছাড়া শ্বাস কষ্ট থেকে শুরু করে ধুলা ময়লা বাহিত সকল প্রকার রোগ ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকবে।
এছাড়াও কাগজের টুকরা থেকে শুরু করে আবর্জনা রাস্তার কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রশ্ন হল আমরা কি তাদের সেই কৌশলকে কাজে লাগাতে পারি না? হ্যা পারি; যদি রাস্তার পাশে অবস্থিত প্রতিটি দোকান বা অফিস তাদের নিজ নিজ দায়িত্বে বা সরকারী খরচে একটা করে পকেট ডাষ্টবিন রাখে যার ভিতর থাকবে একটা করে গার্ভেজ ব্যাগ তাহলে কেউ ফুটপাতে আর ছেড়া কাগজ ফেলবে না কেননা দশ হাত পর পর যেখানে পকেট ডাষ্টবিন রয়েছে। এমতাবস্থায় কেউ প্রকাশ্যে কাগজ বা ময়লা আবর্জনা, প্লাষ্টিকের বোতল ইত্যাদি রাস্তার উপর ছুড়ে ফেললে তাদের জরিমানার ব্যবস্থা থাকলে বাঙ্গালী সভ্য হতে বেশী দিন লাগবে বলে মনে হয় না।
আপনাদের অবশ্যই স্বাগত জানাই অবৈধ ফুটপাত দখল মুক্ত করার জন্য সেই সংগে এও জানাই যে, দখল মুক্ত হবার সংগে সংগে আবার দখলদারগণ উক্ত ফুটপাত পুনরায় দখল করে ফেলেছেন। পায়ে হাটা ফুটপাতকে সৌন্ধর্য মন্ডিত করা খুব সহজ। দুই পাশে তার কাঁটার বেড়া দিয়ে সারি সারি ফুল গাছ লাগিয়ে দিলে একদিকে যেমন যত্রতত্র মানুষ রাস্তা পার হতে পারবে না অন্যদিকে রাস্তার সৌন্ধর্যও বৃদ্ধি পাবে। রাস্তার উপর মাকড়সার জালের মত ঝুলে থাকা ইলেকট্রিক লাইনকে মাটির নীচ দিয়ে নেবার প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই।
আশা রাখি আমার এই ছোট্ট ম্যাসেজ আপনার কাছে পৌঁছে যাবে।
ধন্যবাদন্তে
একজন ব্যবসায়ী