somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার সোনালী-রূপালী-তামাটে দিনগুলো.......।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাধ্যমিকের আগে বন্ধুদের সাথে খুব একটা বেশি আড্ডা দেয়া হতোনা। কোচিং-এর আগে-পরে স্যারদের বাসার সামনে কিছুক্ষণ গল্পগুজব চলতো। ঘরেই কাটতো বেশি সময়। খুব একটা বন্ধুও ছিলনা।

মাধ্যমিক শেষ। শুরু হলো আমার রঙিন সময়। বাড়তে লাগলো বন্ধুর সংখ্যা, বাড়তে লাগলো আড্ডা। কি যে মধুর এই আড্ডা! সকাল-বিকাল নিয়মিত। পারমানেন্ট প্লেস। প্রতিদিন দুইবেলা। সকাল ১১টা থেকে ১টা-২টা, আবার ৫টা থেকে ৮টা-৯টা। মাত্র সিগারেট খাওয়া শিখেছি। চায়ের দোকানের চিপায় গিয়ে লুকিয়ে সিগারেট খেতাম। একজন একটা ধরালে সাথে সাথে দুই-তিনজন বুকিং দিয়ে দিত। একবার এক সিনিয়ার ভাইদের হাতে পানিসমেন্ট খেলাম সিগেরেট খাবার জন্য।

কলেজে ভর্তি হলাম। নতুন আরো বন্ধু হলো। কো-এডুকেশন। কি মজা! মেয়েদের সাথে একসাথে ক্লাশ! প্রথম দিনই সব বুকড। ২য় দিন সব জোড়ায় -জোড়ায় ঘুড়ে বেড়ায়। বান্ধবী ভাগ্য আর হলোনা। কোচিং-এ ভর্তি হলাম। একটা মেয়েকে পছন্দ হলো। কিন্তু সাহস করে এগুতে পারলাম না।

ইন্টার শেষ। আড্ডার কোন শেষ নেই। গলির মোরের সেই আড্ডা এখনো চোখে ভাসে। কতো বিষয়ে যে তর্ক চলতো তার হিসেব নেই।

বিবিএ এডমিশন নিলাম। আমার লাইফের গোল্ডেন পার্ট। এই সময় একটু মেচুইরিটি এসেছে। একটা বান্ধবি জুটে গেল। অঞ্জন দত্তের গান ভাল লাগতে শুরু করল...।

"তুমি না থাকলে সকালটা এতো মিষ্টি হতোনা
তুমি না থাকলে মেঘ করে যেত বৃষ্টি হতোনা...।"

রঙীন সময়টা হু..হু.. করে ছুটতে লাগলো। সকাল সকাল লাইব্রেরী গিয়ে বসে থাকতাম। কিসের লাইব্রেরী ওয়ার্ক! গল্প করেই সময় কেটে যেত। যা হবার, বন্ধুদের সাথে আড্ডাটা অনিয়মিত হয়ে গেল...।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা যদি পুড়ি, তবে তোমরাও আমাদের সঙ্গে পুড়বে !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৫:০১


২২ বছর ধরে একচ্ছত্র ক্ষমতা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল, বিরোধীদের দমন—এরদোয়ানের শাসনযন্ত্র এতদিন অপ্রতিরোধ্য মনে হতো। কিন্তু এবার রাজপথের তরুণরা সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। তুরস্ক এখন বিদ্রোহের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। ইস্তাম্বুলের জনপ্রিয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেংগিস খান: ব্লগের এক আত্মম্ভরী, অহংকারী জঞ্জাল

লিখেছেন আমিই সাইফুল, ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৯:৪৪

ব্লগ জগতে অনেক ধরনের মানুষের দেখা মেলে—কেউ লেখে আনন্দের জন্য, কেউ লেখে ভাবনা শেয়ার করতে, আর কেউ লেখে শুধু নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে। কিন্তু তারপর আছে চেংগিস খানের মতো একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাকিস্তান প্রেমে হাবুডুবু খাওয়া নষ্ট প্রজন্ম

লিখেছেন Sujon Mahmud, ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১১:৩৬

৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর ধর্ষিতা বাঙালি নারীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত অস্ট্রেলীয় ডাক্তার জেফ্রি ডেভিস গণধর্ষণের ভয়াবহ মাত্রা দেখে হতবাক হয়ে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে আটক পাক অফিসারকে জেরা করেছিলেন যে, তারা কীভাবে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন মিলনকে ধর্ষণ বলা হবে, না প্রতারণা বলা হবে?

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১:৪১

আমাদের দেশে এবং ভারতের আইনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন মিলনকে ধর্ষণ হিসাবে গণ্য করা হয়। পৃথিবীর অন্য কোন দেশে এই ধরণের বিধান আছে বলে আমার মনে হয় না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ, চীন ও ভারত: বিনিয়োগ, কূটনীতি ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ ভোর ৫:১০


প্রতিকী ছবি

বাংলাদেশের বর্তমান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সমীকরণ নতুন মাত্রা পেয়েছে। চীন সফরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরছেন, যা দেশের অর্থনীতির জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×