(কবিতাটি ম্যাগাজিন থেকে নেয়া - ওমর বিশ্বাসের)
আমি নদী নামে এক নদী চিনতাম
লোকমুখে তার কথা শুনে শুনে
তার কাছে নিজে চলে গেছি ভাবতাম।
বেশকিছু সুখ দুখ কথা জেনে তার
জানা আর বোঝা এক করে মালা গাঁথি
ছোট নয় কিবা বড় খুব বেশি
তাকে নিয়ে যাই ভাবতাম।
নদী চলে নদী জোয়ারের রূপ ধরে
ফুলে ওঠে তার দারুন অহঙ্কার।
নদী তার নাকে পরে নেয় নাকফুল
শাড়ি ঢাকে দেহ
সবুজের সাথে লাল সাদা ছোপছাপ -
যেতে যেতে নদী পথে ছাড়ে কোমলতা
দেহ থেকে ফসলের বিষ
আজকাল খুব মনে পড়ে তাকে
ভেবে ভেবে তারে ছুঁয়ে দেখি মন বলে
ফুল করে তুলে রাখতাম।
দেখা নেই তার, হৃদয়ের নীড়ে আছে
স্রোতে জাগে স্মৃতি কী দারুণ অবয়বে
গড়ে ওঠে ওই বাগানের ডালিগুলো
বলে যায় তারে ভালোবাসি এখনও
হবে দেখা তার জানতাম।
তাকে যেই দেখি, নাই দেখা হয় যেন
আধো আধো নয় একেবারে ীণ দেখা
জ্বলে ওঠে সেই না দেখা তৃঞ্চা আরো
ছুঁয়ে দিতে চাই, পেয়ে নিতে চাই সব
নদীর কী রূপ নদীর কি ছলাকলা
আজ শুধু তাই জানতাম।
আজকাল হেলাফেলা, গুণ নয়
রূপই আসল সাথি ভাবা মায়াবীনি -
ভেবে ভেবে তার রূপ বুঝে নেই
কথা শুনে তার গুণ বুঝে নেই
বুঝে নেই তার সঙ্গোপনের ছবি,
ওই ীণ দেখা বলে দেয় চাঁদ
পাগল হয়েও কিছু দেখে নাই - কবি
নদী বলে যাকে চিনতাম।
১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৬ রাত ১০:০৭ ০