আমি চোখ রাখি মেঘমালার দিকে, আমার চোখ; তার শুভ্রতার স্তরে স্তরে, তার চূড়ায় তার উপত্যকায়। গরমে মরে যাই আমি, তার চিঠি আসেনা। আমি তাকে স্পর্শ করতে চাই, কিংবা চাই তার স্পর্শ। সে জানেনা। আমি দেখি তার ছায়া-প্রচ্ছায়া-উপচ্ছায়া। আবার কখোনো খাঁ খাঁ শূণ্যতা। কংক্রিটের জঞ্জালে গরমের ভয়াবহতা বাড়ে প্রতিমুহূর্ত। বৃষ্টির তিয়াস আমার রোমে রোমে প্রার্থনার ধ্বনী তোলে। মেঘ কিংবা মেঘমালার সময় হয়না। সে উড়ে চলে যায় তেপান্তর পেরিয়ে, যেখানে সোনায় মোড়া কাঞ্চনজংঘা, যেখানে দেবশ্রেষ্ঠ এভারেস্ট!
সে তো জানে- তার জন্য আমি কত শতবার যে মরে মরে যাই, লীন হয়ে যাই তার বর্ণাঢ্য ভালোবাসার জলখেলায়। তার চিঠির পাতায় বুনে দেওয়া আদ্রতা প্রথমেই বুলাই আমার চোখে। লবণজলে সিক্ত সে ছোঁয়া কী মোহে এসে যেন লুটোপুটি খায় ঠোঁটে। তারপর আশ্চর্য অতর্কিতে সে হামলা চালায় আমার বুকে। হুটহাট গজানো পাখার দাপাদাপিতে আমি তাকে টের পাই নিঃসীম নৈকট্যে!
মেঘ কি জানে তা!
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৬