somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই ডিজিটাল বলদটার কাছে আমরা আর কত দিন জিম্মি থাকবো ??

১৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার লেখার হাত খুবি খারাপ তাই তেমন একটা পোষ্ট লেখা হয়না। এই জন্য গত কাল থেকে অপেক্ষা করে বসে আছি এই ব্যাপারটা নিয়ে কেউ হয়তো একটা সুন্দর পোষ্ট দিবেন..... কিন্তু কেউ দিলো না তাই আমিই খারাপ হাতে লেখাটা লেখার চেস্টা করলাম। ইদানিং শরন শক্তি ও কমে গেছে বলে মনে হয় অনেক কিছু ঠিক ঠাক মত মনে রাখতে পারি না। গুরুত্বপূর্ন কোন বিষয় নিয়ে লেখার জন্য যেটা সব থেকে বেশি জরুরী বলে আমি মনে করি। যাইহোক মূল কথায় যাওয়া যাক।

গত কালকে কমপিউটার জগৎ আইডি থেকে একটা পোষ্ট আসে বৈশাখী টেলিভিশনে ১৭ মে, রাত ৯.৪৫ মিনিটে ‘প্রযুক্তি পন্যের কপিরাইট বিতর্ক’ নিয়ে একটা লাইভ অনুষ্ঠান হবে। ফোন করার ব্যাবস্থা আছে লাইভ অনুষ্ঠান, যদিও আগে থেকেই সন্দেহ হচ্ছিলো এই অনুষ্ঠানে আমার কথা বলা হবেনা। এই জন্য কমপিউটার জগৎ এর পোষ্টে মন্তব্য করেছিলাম। এইখানে জাব্বার কাগুর গান শুনানো হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রণেতারা গপ সপ করবো। এই সব অনুষ্ঠান আমাদের জন্য না। তয় কাগুর গানে সুর দেয়ার জন্য আমি সারমুনিয়াম নিয়ে বসমু । উনি একি পোষ্ট তিন বার পোষ্ট করেছেন। একি পোষ্ট যদি আমি পর পর তিনবার করতাম তাহলে আমি এতক্ষনে জেনারেল নিঃসঙ্গ থাকতাম। কর্তিপক্ষের আর মডুদের সাথে ওনার খুব ভালো একটা সম্পর্ক আছে এটা আমরা সবাই জানি তাই এই বিষয়ে কথা না বলি। যেই টাইমে অনুষ্ঠানটা দেখাবে ঐটাইমটা আমার আরাম করে ঘুমানোর টাইম তার পরেও ঘুমের খেতা পুড়ে বসে ছিলাম অনুষ্ঠানে কাকের গু = কাগু র কথা শুনার জন্য আর চান্সে ছিলাম কিছু বলার জন্য। অনুষ্ঠানে দুইজন অতিথী ছিলেন একজন কাগু ওনার নাম আর কি নিবো আর একজন ডেটাসফটের প্রধান নির্বাহী পরিচালক মাহবুব জামান। দুইজনকে দেখে মনে হইলো এরা আইটি সেক্টরে না থেকে চট্টগ্রামে শুটকির দোকান দিলে ভালো করতেন। দুজনকেই খাঁটি ব্যাবসাই বলেই মনে হইলো। আচ্ছা অনুষ্ঠান শুরু হইলো কিছু বকবকানি শুনলাম এমন সময় একটা ফোন আসলো। আমি কিন্তু অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার সাথে সাথে ফোনে ট্টাই করতেছি। ফোন বিজি পাচ্ছিলাম। দুই মোবাইল দিয়ে সমানে ট্রাই করতেছি। ৪ বার লাইন পাইছি কিন্তু কেউ ধরে নাই। যিনি ফোন করছে উনার নাম ভুইলা গেছি খালি এই টুকু মনে আছে উনি ব্লগার। যেই ব্লগার ভাই লাইন পাইছে আপনি আমার পোস্টে একটু আওয়াজ দিয়েন আপনার কপালের লগে আমার কপালটা একটা ডলা দিমু। প্রথম ভুলটা আমার ব্লগার ভাই করছে যেটা বলে সেটা হচ্ছে অভ্রকে ওপেন সোর্স বলে। অভ্রযে অপেন সোর্স না সেটা উনি ব্লগের লেখা গুলো পড়লেই বুঝতে পারতেন। যাই হোক এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন কাগু বুঝলাম উনি এই বেপারটা নিয়ে কিছু লেখা পরে একটু সিখে আসছেন। কাগু বসে ছিলেন পায়ের উপরে পা দিয়ে। হাতে ছিলো কপিটাইট আইনের বইটা।
ওপেন সোর্স নিয়ে কাগু বলেছে কেউ যদি মাইক্রোসফটের অফিস কিনে ব্যাবহার করতে না চায় তবেসে ওপেন অফিস ব্যাবহার করতে পারবে। কাগু অনুষ্ঠানের মাঝে দিয়ে বলেছেন বিজয় ওনার ট্রেড মার্ক কেউ সেটাকে ইউনিবিজয় নামে ছারবেন কয়েকটা কি বলদিয়ে সেটা কেমন করে হয়। ইউনিজয় বা ইউনিবিজয় না দিয়ে ওপেনবিজয় বা ফ্রীবিজয় নাম দিলে মনে হয় কাগু আপত্তি করতেন না। X( মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ফাইল বানিয়ে সেই ফাইল ওপেন অফিসে পড়া যায় এডিট করা যায় কই মাইক্রোসফটতো সানের বিরুদ্ধে মামলা করে নাই।
কাগু বলেছে বিজয়ে ইউনিকোডে করা হয়েছে ২০০৪-২০০৫এর দিকে। বিজয় ২০০৪ থেকে ইউনিকোড সাপোর্ট করে। আর অভ্র তার জন্ম থেকে ইউনিকোড সাপোর্ট করে সেই ২০০৩ থেকে। বিজয়ে আসকি আর ইউনিকোড দুইটারই সাপোর্ট আছে। কাগু অভ্রকি আপনারে বলছে আপনি বিজয়ে কেনো ইউনিকোডের সাপোর্ট আনছেন ?? আপনিতো এখানে অভ্রর মেধা সত্ব মাইরা দিলেন। আপনার বিজয় আসকিতেই থাকতো অভ্রর মত ইউনিকোড সাপোর্ট বিজয়ে ঢুকানো হইলো কেনো ??
শেষ প্রশ্নটা দারুন ছিলো। স্যার আমি যদি একটা কিবোর্ড বানাই তাতে ৯৯% আমার বাননো ১% যদি আপনার কিবোর্ডের সাথে মিলে যায় তাহলে আপনি কি করবেন। এই প্রশ্নের উত্তরে কাগু আমতা আমতা করছে আমার পাইছে চরম হাসি উত্তর কি কইছে ঠিক মত শুনি নাই। =p~ =p~
কাগু আরো বলছে আমরা এখোন অপারেটিং সিসটেম বানানোর মত গুণী প্রোগ্রামার নাই। সুধু অনুবাদ করার মত হইছি। :((

৫০ মিনিটের অনুষ্ঠান ফোন কল নিছে মাত্র ৩টা X((

আরেক হাসির খোরাক দিছে গত কালকে আমাদের ডা. আব্দুন নূর তুষারের ভাই ওনারে নিয়ে গত কালকে সচলে আর সামুতে পোষ্ট আসতে তাই এই তু-ষাড়কে নিয়ে আমি আর কিছু নাইবা বল্লাম।

আরো অনেক কথা মনে পরতেছেনা তবে ফোনে লাইটা পাইলে একটা কথাই সুধু জিজ্ঞেস করতাম। কাগু আমাদের মায়ের ভাষা নিয়ে আর কত দিন ব্যাবসা করবেন। সুধু এই একটা কথা জিজ্ঞেস করার জন্য একটা ঘন্টা আজাইরা পেন পেন শুনছি কিন্তু আমার কপালে লাইন মিল্লোনা এই কথাটা জিজ্ঞেস করার জন্য।
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা যদি পুড়ি, তবে তোমরাও আমাদের সঙ্গে পুড়বে !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৫:০১


২২ বছর ধরে একচ্ছত্র ক্ষমতা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল, বিরোধীদের দমন—এরদোয়ানের শাসনযন্ত্র এতদিন অপ্রতিরোধ্য মনে হতো। কিন্তু এবার রাজপথের তরুণরা সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। তুরস্ক এখন বিদ্রোহের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। ইস্তাম্বুলের জনপ্রিয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেংগিস খান: ব্লগের এক আত্মম্ভরী, অহংকারী জঞ্জাল

লিখেছেন আমিই সাইফুল, ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৯:৪৪

ব্লগ জগতে অনেক ধরনের মানুষের দেখা মেলে—কেউ লেখে আনন্দের জন্য, কেউ লেখে ভাবনা শেয়ার করতে, আর কেউ লেখে শুধু নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে। কিন্তু তারপর আছে চেংগিস খানের মতো একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাকিস্তান প্রেমে হাবুডুবু খাওয়া নষ্ট প্রজন্ম

লিখেছেন Sujon Mahmud, ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১১:৩৬

৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর ধর্ষিতা বাঙালি নারীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত অস্ট্রেলীয় ডাক্তার জেফ্রি ডেভিস গণধর্ষণের ভয়াবহ মাত্রা দেখে হতবাক হয়ে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে আটক পাক অফিসারকে জেরা করেছিলেন যে, তারা কীভাবে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন মিলনকে ধর্ষণ বলা হবে, না প্রতারণা বলা হবে?

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১:৪১

আমাদের দেশে এবং ভারতের আইনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন মিলনকে ধর্ষণ হিসাবে গণ্য করা হয়। পৃথিবীর অন্য কোন দেশে এই ধরণের বিধান আছে বলে আমার মনে হয় না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ, চীন ও ভারত: বিনিয়োগ, কূটনীতি ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ ভোর ৫:১০


প্রতিকী ছবি

বাংলাদেশের বর্তমান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সমীকরণ নতুন মাত্রা পেয়েছে। চীন সফরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরছেন, যা দেশের অর্থনীতির জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×