মাইকেল জ্যাকসনই একমাত্র ব্যাক্তি যে নিজের চামড়া পাল্টে কালো থেকে সাদা মানুষ হয়েছে। কালো তারকা থেকে সাদা হলে তার জনপ্রিয়তা বাড়বে। যাই হোক চামড়া পাল্টানোর পরে তার ক্যারিয়ার আরো পড়ে যায়।
মাথার চুল পড়ে যায়। নাকও লেপ্ট যেতে থাকে। শরিরের অবস্থা একদম ব্যাড়াছ্যাড়া।
তার আর্টিফিশিয়াল চামড়ার পেছনে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করতে হত। তার সাথে যুক্ত হয় শিশু বলাতকারের মামলা।
অনেকের মতে প্রভাবশালী ইহুদী নিয়ন্ত্রীত ডিজনী পার্কের তার বিশাল বিনিয়গ ছিল। সেটা ইহুদীরা মেরে দেওয়ার জন্যই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। তার নিজের সন্তানের পিতাও নাকি সে নয়???
মান আর টাকা খুয়াতে খুয়াতে মরা ছাড়া মাইকেলের বাচার কোন পথ ছিল না। একমাত্র মৃত্যুই তাকে পারে বাচাতে। দেনা আর সম্মান দুয়োটি উদ্ধার করতে। মরা মানুষ কে নিয়ে কেউ ঘাটবে না। তার গানের জনপ্রিয়তাও বাড়বে।
তার শেষকৃত অনুণ্ঠান খুবই রেসটিকটেট ভাবে করা হয়। অনেকে ধারণা কফিনে তার লাশ ছিল না। ওপা একটা আনুষ্ঠানিকতা।
আবার আরেকটা কথা শুনা যায়। সে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হয়ে গেছেন। তার নাম পাল্টে মাইকেল থেকে মিখাইল করা হয়। তবে তার বোন জেনেট জ্যাকশন মুসলমান হয়েছেন। সে কাতারের এক শেখকে বিয়ে করে কাতারে আছেন। ওখানে নাকি মাইকেল জ্যাকশন থাকেন তার বোনের সাথে।
আর কতারের রেসটিকটেট পর্দানীতির কারণে ওখানে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছেন। যেমন আমাদের পাশের দেশ ভারতের সুচিত্রা সেন বুড়ো হওয়ার পরে আর ক্যামেরার সামনে দাড়ান নি। সবাই যেন সেক্সি সুচিত্রাকে মনে রাখে।
যেমন তরুণ মাইকেল জ্যাকশন এখনো বেচে আছে নিজেকে আড়াল করে!
তথ্যসূত্র:
http://www.conspiracyclub.co/2015/08/22/michael-jackson-not-dead/