আজকে একটা পোষ্ট দেওয়ার ইচ্ছা হইল । কিন্তু লেখতে বইসা দেখি কোন আইডিয়া মাথায়
আসতেছে না । কিন্তু আমি তো আজকে পোষ্ট দিবই দিব । অনেক চিন্তা কইরা যখন কিছু পাইলাম না, তখন ভাবলাম, থাক কয়েকটা জোকস লেইখা দেই । টাইটেলে "১৮+" কিংবা "মডু ঘুমায়" টাইপের ট্যাগ লাগাইলাম না । পরে আবার দুষ্ট লোকের দল
আমারে "হিটসিকার" ট্যাগ লাগাইয়া দিব । তবে "১৮-" রা এখনই পোষ্ট থেকে ভাগো । আর
মডুদের জন্য এইটুকের বেশী পড়া কঠিনভাবে নিষিদ্ধ

**
এক লোক অনেক দূরের গন্তব্যে রওনা দিছে । কিন্তু সেখানে যাওয়ার আগেই রাত হয়ে গেছে । অপরিচিত এলাকায় থাকার জায়গা না পাইয়া সে এক ঘরে নক
করল-
মালিকঃ কে ?
লোকঃ ভাই আমি খুব বিপদে পরছি, আজকে রাতটা কি আপনার এখানে কাটাইতে পারমু ?
মালিকঃ না ভাই, মাফ করেন । ঘরে যুবতী মাইয়া আছে ।
এমন করে কোন ঘরে জায়গা না পাইয়া শেষ একটা ঘরে নক করল-
মালিকঃ কি চাই ?
লোকঃ ভাই আপনার ঘরে কি কোন যুবতী মাইয়া আছে ?
মালিকঃ (বিস্মিত হয়ে) কেন ?
লোকঃ না মানে আজকের রাতটা কাটাইতাম

**
এক মেয়ে পাখি কিনতে পাখির দোকানে গেছে । দোকানদার একটা টিয়া পাখি দেখাইয়া বলল-
দোকানদারঃ এইটা নেন আপা, দাম দশ হাজার ।
মেয়েঃ এত দাম কেন ?
দোকানদারঃ এই পাখিটা মানুষের ভূত-ভবিষ্যত্ বলে দিতে পারে ।
মেয়েঃ (অবাক হয়ে পাখিকে)
আচ্ছা আমাকে দেখে তোমার কি মনে হয় ?
পাখিঃ সুবিধার না, বাজে মেয়ে ।
মেয়ে তো অবাক, দোকানদার
রেগে পাখিটাকে একটা বালতিতে চুবিয়ে জিজ্ঞেস করল-
দোকানদারঃ আর বাজে কথা বলবি ?
পাখিঃ খোদার কসম, আর বলমু না ।
এইবার মেয়ে সামনে আইসা জিজ্ঞেস করল-
মেয়েঃ আমি যদি আমার ঘরে একজন লোক নিয়ে ঢুকি তুমি কি মনে করবে ?
পাখিঃ লোকটা তোমার স্বামী ।
মেয়েঃ যদি দুইজন নেই ?
পাখিঃ তোমার স্বামী আর দেবর ।
মেয়েঃ তিনজন নিলে ?
পাখিঃ তোমার স্বামী আর দুই দেবর ।
মেয়েঃ আর চারজন নিলে ?
পাখিঃ ঐ দোকানদার, বালতি নিয়া আয় । আগেই কইছিলাম এই মাইয়া সুবিধার না, বাজে মাইয়া ।

**
দুই মাতাল বারে বইসা ঝগড়া করতেছে । বারটেন্ডার
সেটা দেখে এগিয়ে গেল-
বারটেন্ডারঃ আপনারা কি নিয়া ঝগড়া করতেছেন ?
১ম মাতালঃ আমরা ঠিক করছি এখন আরও দুই পেগ হুইস্কি খাব । তারপর বাইরে গিয়া এক হাজার মানুষ আর একটা ভেড়া মারব ।
বারটেন্ডারঃ কেন ? একটা ভেড়া কেন ?
১ম মাতালঃ (২য় মাতালকে) দেখছ, আমি বলছিলাম না কেউ এক হাজার মানুষ নিয়া চিন্তা করব না ।

**
এক মাতাল বারটেন্ডারের কাছে মদ চাইল-
বারটেন্ডারঃ আপনি অতিরিক্ত পান করেছেন স্যার,
আমি আপনাকে আর মদ দিব না ।
মাতালঃ আমি এখনো ১০ পেগ খাইতে পারব, কথা না বাড়াইয়া যা চাইছি তা দাও ।
বারটেন্ডারঃ ঠিক আছে আপনি যদি ৩০ টা বুকডন দিতে পারেন তবে আমি আপনাকে মদ দিব ।
তো মাতাল তখন বুকডন দেওয়া শুরু করছে । তখন আরেকজন মাতাল বারে ঢুইকা তারে দেখল । তারপর তার পাছায় একটা লাথি দিয়া বলল,
"ঐ ব্যাটা, উইঠা দাড়া । তোর গার্লফ্রেন্ড মনে হয় বাড়িতে গ্যাছেগা"

**
একজন ব্রিটিশ, একজন স্কটিশ আর একজন আইরিশ গেছে বারে । তারা তিনজনই একগ্লাস করে বিয়ার অর্ডার করছে । হঠাত্ তাদের বিয়ারের গ্লাসে একটা করে মাছি পড়ছে । এইটা দেইখা ব্রিটিশ
লোকটা বিয়ারের গ্লাস দূরে সরাইয়া রাখল । স্কটিশ লোকটা আঙ্গুল দিয়া মাছিটা ফালাইয়া বাকি বিয়ার শেষ করল । আর আইরিশ লোকটা মাছিটা ধইরা চিল্লায়া বলল,
"বাইর কর ! যা খাইছস তাড়াতাড়ি বাইর কর ।"

**
লাইফ ইজ এ রেস । এখানে টিকে থাকতে হইলে ছেলেদের লাগে ১০০% যোগ্যতা । আর মেয়েদের লাগে মাত্র ৪% । বাকীটা ?
.
.
.
.
.
.
বাকীটা হইল ৩৬-২৪-৩৬

**
বনের সবচেয়ে সেক্সী হাতিটা রাস্তা দিয়া যাওয়ার সময় সবচেয়ে লুল হাতিটা কি বলে ?
.
.
.
.
.
.
.
সবচেয়ে লুল হাতিটা বলে,
"ওয়াও ! ৩৬০০-২৪০০-৩৬০০"

**
একটা পিপড়া বনের রাস্তার পাশে দাড়াইয়া ছিল । হঠাত্ রাস্তা দিয়া একটা হাতি আসলো । পিপড়া তখন হাতিকে বলল, "হাতি ভাই, তুমি এই পাউরুটির উপরে একটু দাড়াও ।" তারপর আরেকটা পাউরুটি দিয়া বলে, "এই পাউরুটিটা তোমার মাথায় রাখ ।" যখন হাতি মাথায় পাউরুটি রাখছে, পিপড়া তখন একটু দূরে দাড়াইয়া বলল,
"বাহ ! দারুণ একটা স্যান্ডউইচ হইছে । আজকের ডিনারটা জটিল
হইব ।"

**
এক পাঠান লোকের পাইলস হইছে । তো ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর, ডাক্তার তারে প্যান্ট খুলতে বলল । পাঠান প্যান্ট খুলে দাড়াইছে, তখনই আয়নার মধ্যে নিজের পাছা তার চোখে পড়ল । আর এইটা দেখার পরেই তার *** দাড়াইয়া গেল । পাঠান তখন মনেমনে বলল,
"আরে দাড়াইস না, দাড়াইস না,
এইটা নিজেরই পাছা ।" (এইটার জন্য মাফ চাই

আর লেখমু না, মোবাইল দিয়া পোষ্ট দেই, কষ্ট হয়
