০৬। কুল (Ber)

পুষ্টিগুণ: ভিটামিন সি আছে।
ঔষধিগুণ: কুল ও কুলের পাতা বাটা বাতের জন্য উপকারী। ফল রক্ত পরিষ্কার এবং হজম সহায়ক। পেটে বায়ু ও অরুচি রোধে ফুল থেকে তৈরি ঔষধ ব্যবহার করা হয়। শুকনো কুলের গুঁড়া ও আখের গুড় মিশিয়ে চেটে খেলে মেয়েদের সাদাস্রাবের কিছুটা উপকার হয়।
ব্যবহার: কুল থেকে আচার ও চাটনি তৈরি করা হয়।
০৭। কলা (Banana)

পুষ্টিগুণ: ক্যালোরি, শর্করা, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ভিটামিন সি আছে।
ঔষধিগুণ: পাকা কলা কোষ্ঠকাঠিণ্যতা দূরীকরণে ব্যবহার করা হয়। কলার থোড় বা মোচা এবং শিকড় ডায়াবেটিস, আমাশয়, আলসার, পেটের পীড়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। আনাজী কলা পেটের পীড়ায় আক্রান্ত রোগীর পথ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। পাকা বীচিকলার বীজ কৃমিনাশক।
ব্যবহার: আনাজী কলা তরকারী হিসাবে খাওয়া হয়।
০৮। আমড়া (Golden Apple/Hog Plum)

পুষ্টিগুণ: ভিটামিন সি, ক্যারোটিন ও শর্করা আছে।
ঔষধিগুণ: আমড়া পিত্ত ও কফ নিবারণ করে, আমনাশক ও কন্ঠস্বর পরিষ্কার করে। অরুচিতে ও পিত্তবমনে ব্যবহার করা হয়।
ব্যবহার: আমড়া দিয়ে সুস্বাদু আচার ও চাটনি তৈরি করা যায়।
০৯। পেঁপে (Papaya)

পুষ্টিগুণ: ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ।
ঔষধিগুণ: অজীর্ণ, কৃমি সংক্রমণ, আলসার, ত্বকে ঘা, একজিমা, কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা, ডিপথেরিয়া, আন্ত্রিক ও পাকস্থলীর ক্যান্সার প্রভৃতি রোগ নিরাময়ে কাঁচা পেঁপের পেপেইন ব্যবহার করা হয়। পেঁপের আঠা ও বীজ ক্রিমিনাশক ও প্লীহা, যকৃতের জন্য উপকারী।
ব্যবহার: কাঁচা পেঁপে সবজি ও সালাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১০। আনারস (Pineapple)

পুষ্টিগুণ: ক্যারোটিন, ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম আছে।
ঔষধিগুণ: পাকা ফল বল বৃদ্ধি করে, কফ, পিত্তবর্ধক, পাচক ও ঘর্মকারক। কাঁচা ফল গর্ভপাতকারী। পাকা ফলের সদ্য রসে ব্রোমিলিন নামক এক জাতীয় জারক রস থাকে বলে এটি পরিপাক ক্রিয়ার সহায়ক হয় এবং রস জন্ডিস রোগে হিতকর। কচি ফলের শাঁস ও পাতার রস মধুর সাথে মিশিয়ে সেবন করলে ক্রিমির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
ব্যবহার: জ্যাম-জেলি তৈরি করা যায়।
পূর্ববতী পর্ব:
১ম পর্ব: আম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, জাম
উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস, কৃষি মন্ত্রণালয়।