[উৎসর্গঃ আমার প্রিয় বন্ধু আফিফা রায়হানা-কে।যাকে সবসময় আমার একজন প্রথমসারির বন্ধু বলে মনে করেছি,যার বাস্তব জীবনের সত্যঘটনাগুলো আমার এই লেখাটিকে দারূনভাবে প্রভাবিত করেছে তথাপি আমি যার কাছে চিরকালই একজন দ্বিতীয় সারির বন্ধু বলে পরিগণিত হয়েছি।তবু কোনকালে আক্ষেপ করিনি,হয়তো কিছুটা অভিমান করেছি... ওকিছুনা...]
ধোঁয়াটে কুয়াশার মাঝে-
ছদ্মবেশী অশরিরী যেন,
যেন আবছা অবয়ব এক!
ভেসে চলে কোন অজানা গহীনে,
পরাহত আবেগে,অচেনা কোন পথে।
অস্তিত্বে তার ভাঙ্গনের গান,স্লোগান তুমুল,
প্রাচীর ধরে বেড়ে ওঠা,যেন কোন বুনোফুল।
ঝাপসা চাহনিতে নেই আগের সে ধার;
নিষ্প্রাণ দেহে হেঁটে যায়,
তার অব্যক্ত আকার।
যার স্মৃতির ক্যানভাস জুড়ে ছিল তোমার প্রতিচ্ছবি
ফিরিয়ে নিয়েছো মুখখানি,দেখেও দেখনি।
নক্ষত্র শিশুর মত যে ছুঁয়েছিলো অস্প্রিষ্য তোমায়,
দিতে চেয়েছিলো সহস্র রাত,তুমি ছিলে কোথায়??
গোধুলির লালিমায় খুঁজেছিলো সে তোমায়,
বেসুরো হাতে এঁকেছিলো তোমার জলছবি-
তুমি বোঝনি সে চাপা নিঃশ্বাসের মানে,
তুমি সেজেছিলে ভাষাহীন কবি!
আজ সে তো বহুদূরে,তুমিকি সুখি?
তোমার চারিপাশে শুধু মিথ্যের আহাজারি।
পেয়েছিলে তুমি যা,আজ হারায়েছো সবি।
ঘৃণ্য নেশায় ওঠো মেতে,
হেঁটে যাও ধ্বংসের পথ ধরে,মাতাল দুপায়;
তুমি একা,বড় একা...
আজ কেউ নেই তোমায় ফেরায়।
তোমার দুপাশে শুধু গাঢ় অন্ধকার,
শেষ হবেনা,বাড়বে শুধু এই শেওলা ধরা আঁধার
তোমার নষ্ট শরীর জুড়ে কেবলি লোভের সহবাস-
তোমার অস্তিত্বের অনুকাব্য
হয়ে রবে শুধু বিঃস্মৃত ইতিহাস!