শুধু ঘর বাঁধা, চাষাবাদ করা বা কলকারখানা গড়াই একটি জনগোষ্ঠীর বেচেঁ থাকার জন্য সবকিছু নয়। শুধু পানাহারে জীবন বাঁচে বটে, তাতে ঈমান বাঁচে না। এমন বাঁচার মধ্য দিয়ে সিরাতুল মোস্তাকিমও জোটে না। তখন যা জুটে তা হলো পথভ্রষ্টতা। সে পথভ্রষ্টতায় শুধু পার্থিব জীবনটাই বিপদাপন্ন হয়না, বিপদাপন্ন হয় অনন্ত অসীম কালের আখেরাতের জীবনও।
ইহকাল ও পরকাল বাঁচাতে এ জন্যই একজন চিন্তাশীল মানুষকে বেড়ে উঠতে হয় জীবন-বিধান, মূল্যবোধ, জীবন ও জগৎ এর একটি সঠিক ধারণা নিয়ে।
মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি শুধু এতটুকু হতে পারে যে, সে কোন এক পরিবারে জন্ম নিবে তারপর তার পিতা-মাতা তাকে যত্ন করে লালন করে স্কুলে ভর্তি করবে। সে পড়াশুনা করে ভাল একটা চাকরী করবে। তারপর তার বিয়ে। গড়ে তুলবে আরেকটি পরিবার। সন্তান-সন্তনীর জনক হলে তাদের কোলে পিঠে মানুষ করে, পড়াশুনা শিখিয়ে ভাল পরিবার দেখে বিয়ে দেবে যেমনটা তার পিতা-মাতা করেছিলেন। এভাবেই আবর্তন হবে সমাজের, সামাজিক সম্পর্কের।
এ বিষয় গুলো মানুষের বংশবৃদ্ধির বা জীবনযাপনের নিয়ম হতে পারে যার মাধ্যমে সে বেচে থাকে। কিন্তু কিন্তু এটিই কি জীবনের মূল উদ্দেশ্য হতে পারে?