আমেরিকার বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ আন্দোলন হচ্ছে, কোথাও কোথাও সেই প্রতিবাদ আন্দোলন তার স্বকিয়তা হারিয়ে ফেলেছে। লুট হচ্ছে নানান ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান এবং অগ্নিসংযোগ হচ্ছে-ভাংচুর হচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, গাড়ি। সাংবাদিক নাজেহাল হচ্ছেন কোথাও কোথাও পুলিশ এবং আন্দোলনকারী উভয়ের কাছেই।
অনেকেই মনে করছেন করোনা পরিস্থিতির অব্যাবস্থাপনার ক্ষোভ কিংবা ব্যর্থ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও জমে থাকা ক্ষোভের বহি:প্রকাশ আছে এই প্রতিবাদ আন্দোলনে। আসলেই কি তাই? এখন পর্যন্ত কোনো আন্দোলনকারি করোনা বা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিয়ে কোনো কথা বা দাবি তুলেন নাই, তাদের মুল কথা পুলিশের এমন অমানবিক কাজ আগেও ছিলো, এখনো আছে, ভবিষ্যতে যেনো না থাকে এবং "ব্লাক লাইভস ম্যাটার" সেই সাথে তাদের দাবি ছিলো জড়িত সকল পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার। যে পুলিশ অফিসারটি পা চাপা দিয়ে রেখেছিলো প্রথমে শুধু তার বিরুদ্ধেই ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছিলো, এখন জন দাবির পর ঐ ঘটনার চারজনকেই অভিযুক্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
চলমান এই আন্দোলন, লুটপাটের দৃশ্য আমাদের নজরে আসছে। এমনি এক লুটপাটের ঘটনা ঘটে ওমাহার একটি বারে (Omaha is a city in the U.S. state of Nebraska, on the Missouri River close to the Iowa border.)
আন্দোলন প্রতিবাদের ২য় দিনে ২২ বছরের এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক Gatsby and Hive bars লুট করার জন্য ঢুকলে বারের শেতাঙ্গ মালিক জ্যাক গার্ডনার তার হ্যান্ড গান দিয়ে গুলি করেন ফলাফল ২২ বছরের সেই কৃষ্ণাঙ্গ যুবক নিহত হয়।
আদালত ঘটনার পরিস্থিতি এবং ভিডিও পর্যালোচনা করে মতামত দিয়েছেন, বারের শেতাঙ্গ মালিক জ্যাক গার্ডনার তার আত্ম রক্ষার্থে (self defense) গুলি চালিয়েছেন এবং তাকে হত্যার দায় হতে মুক্তি দিয়েছেন স্টেট এটর্নি।
এ পর্যন্ত অন্তত ১২ জন নিহিত হয়েছেন সারা আমেরিকা জুড়ে চলমান এই প্রতিবাদ আন্দোলনে।