কবিতা-৫
না, না, কবিতা বাইরে যাওয়ার দরকার নাই
অথবা পাশের দোকানে সওদা কেনার দরকার নাই।
তুমি বাইরে গেলে তীব্র আশংকাতে থাকি আমি।
না, না, কবিতা ধান শুকানোর উঠানে যাওয়ার দরকার নাই
অথবা নদীতে যাওয়ার দরকার নাই তোমার
তুমি বাইরে গেলেই তীব্র আশংকাতে দিন কাটায় রাত কাটায়।
বিষাক্ত গুবরে পোকার মত বিশ্রি জিনিস থেকে অথবা
হাটবাজারের লোকদের লোলুপ দৃষ্টি থেকে
তোমাকে আর দুঃখ খুঁজতে হবে না।
কবিতা, তুমি এখানেই থাকো- চারদেয়ালের ভেতর
তোমাকে দেখবে না উন্মুক্ত মাঠের কৃষাণ-কৃষাণীগুলো
অথবা বাজার ফেরত মানুষেরা।
না, না, কবিতা বাইরে যাওয়ার দরকার নাই
পাশাপাশি থাকো এখানেই চারদেয়ালের ভেতর
নিস্তব্দ ঘাসের মত সবুজ বিছানায় !
এই দেখ, তুমি আছো বলেই আমাদের পাশে বয়ে যায়
ছোট্ট স্নিগ্ধ নদী, সবুজাভ ফসলি ক্ষেত অতপর
আমরা দেখি ধান শুকানো উঠান কিংবা চকচকে দূপুর।
কবিতা, তুমি আজ হতে দুঃখ খুঁজবে না কোথাও-
তোমার রূপোলী বন্ধনে আমাকে বাঁচতে দিও আরও কিছুকাল...
এবং তোমাকে নিয়ে আশংকামুক্ত থাকি।
না, না, কবিতা- তুমি কখনও বাইরে যাবে না।