White hat hacker:
White hat hacker
হ্যাকাররাই প্রমান
করে যে হ্যাকিং খারাপ কাজ না। যেমন একজন
white hat hacker
একটি সিকিউরিটি
সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি
সিস্টেমের মালিকে
ত্রুটি দ্রুত জানায়।
এবার সিকিউরিটি
সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে্ একটি
ওয়েব সাইট, একটি
সফটোয়ার ইত্যাদি।
Grey hat hacker:
Grey hat hacker হচ্ছে দু মুখো সাপ। কেন
বলছি এবার তা ব্যাখ্যা করি। এরা
যখন একটি একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি
গুলো বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করবে।
তার মন ঐ সময় কি
চায় সে তাই করবে। সে ইচ্ছে করলে ঐ
কিউরিটি সিস্টেমের
মালিকে ত্রুটি জানাতে ও পারে অথবা ইনফরমেশন
গুলো দেখতে পারে বা নষ্ট ও করতে পারে। আবার
তা
নিজের স্বার্থের জন্য
ও ব্যবহার করতে
পারে। বেশির ভাগ
হ্যকার রাই এ
ক্যাটাগরির মধ্যে
পড়ে।
Black hat hacker:
আর সবছেয়ে ভয়ংকর হ্যাকার হচ্ছে এ Black
hat hacker । এরা কোন
একটি সিকিউরিটি
সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করলে দ্রুত ঐ ত্রুটি কে
নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। ঐ সিস্টেম নষ্ট
করে। বিভিন্ন ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়। ভাবিষ্যতে
নিজে আবার যেন ঢুকতে পারে সে পথ রাখে।
সর্বোপরি ঐ
সিস্টেমের অধিনে যে সকল সাব-সিস্টেম রয়েছে সে
গুলোতেও ঢুকতে চেষ্টা করে।
হ্যকাররা অনেক বুদ্ধিমান এটা সর্বোজন স্বীকৃত
বা
সবাই জানে। অনেক ভালো ভালো হ্যাকার জীবনেও
কোন খারাপ হ্যাকিং করে নি। কিন্তু তারা ফাঁদে
পড়ে বা কারো উপর রাগ মিটানোর জন্য একটি
হ্যাকিং করল। তখন তুমি তাকে উপরের কোন
ক্যাটাগরিতে
পেলবে? সেও Grey hat hacker কারন তার
হ্যাকিং টা নির্ভর করছে তার ইচ্ছে বা চিন্তার
উপর।
নিচে আরো কয়েক প্রকারের হ্যকারদের সংগে
তোমাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিঃ
Anarchists:
Anarchists হচ্ছে
ঐ সকল হ্যাকার যারা বিভিন্ন কম্পিউটার
সিকিউরিট সিস্টেম
বা অন্য কোন সিস্টেম কে ভাঙতে পছন্দ করে।
এরা যেকোন টার্গেটের সুযোগ খুজে কাজ করে।
Crackers:
অনেক সময় ক্ষতিকারক হ্যাকার
দের ক্র্যাকার বলা
হয়। খারাপ হ্যকাররাই ক্র্যাকার। এদের শক বা
পেশাই হচ্ছে বিভিন্ন পাসওয়ার্ড ভাঙ্গা এবং
Trojan Horses তৈরি করা এবং অন্যান্য
ক্ষতিকারক সফটয়ার তৈরি করা। (তুমি কি এদের
একজন? তাহলে তো তুমি ই হচ্ছ হ্যাকিং এর কিং)
ক্ষতিকারক
সফটওয়ারকে Warez বলে। এসব
ক্ষতিকারক সফটওয়ারকে তারা
নিজেদের কাজে ব্যবহার করে অথবা
বিক্রি করে দেয় নিজের লাভের জন্য।
Script kiddies:
এরা কোন প্রকৃত হ্যকার নয়। এদের হ্যাকিং
সম্পর্কে কোন বাস্তব জ্ঞান নেই। এরা বিভিন্ন
Warez ডাউনলোড করে বা কিনে নিয়ে তার পর
ব্যবহার করে হ্যাকিং ।
হ্যাকাররা অনেক
ভাবে হ্যাকিং করে। আমি কয়েক প্রকারের হ্যাকিং
সম্পর্কে আলোচনা করছিঃ
Denial of Service
attack:
Denial of Service attack সংক্ষেপে DoS
Attack একটি প্রক্রিয়া যেখানে হ্যাকাররা কোন
একসেস না পেয়েও কোন নেটওয়ার্ক এ ঢুকে তার
ক্ষমতা নষ্ট
করে। DoS Attack এ নেট কানেকশন বা
রাউটারের ট্যারিফ বাড়িয়ে দেয়।
Trojan Horses :
Trojan Horses হচ্ছে একটি প্রোগ্রাম যা
অন্যান্য প্রোগ্রামকে
নষ্ট করে। এটিকে
সবাই ভাইরাস নামেই চিন। Trojan Horses
ব্যবহার করে অন্যান্য প্রোগ্রাম নষ্টের পাশা
পাশি পাসওয়ার্ড বা
অন্যান্য তথ্য হ্যাকারদের কাছে
সংকৃয় ভাবে পৌছিয়ে দেয়।
Back Doors:
Back Doors খুজে বের করে হ্যাকাররা কোন
সিস্টেম কে কাজে লাগায়। Back Doors গুলো
হচ্ছে প্রশাসনিক সহজ রাস্তা,
configuration ভুল,
সহজে বুঝতে পারা যায় এমন passwords, এবং
অসংরক্ষিত dial-ups
কানেকশন ইত্যাদি।
এরা কম্পিউটার এর
সাহায্যে এ ত্রুটি গুলো বের করে। এ গুলো ছাড়া ও
অন্যান্য দুর্বল জায়গা ব্যবহার করে
কোন নেটওয়ার্ক কে
কাজে লাগায়।
Rogue Access
Points :
কোন ওয়ারলেস নেটওয়ার্কে প্রবেশের জন্য
হ্যাকাররা Rogue Access Points ব্যবহার
করে।
এছাড়াও আরো অনেক ভাবে হ্যকাররা হ্যাকিং
করতে পারে যা আস্তে আস্তে জানতে
পারবে। আমি এ গুলো জানানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে
তোমাদের কম্পিউটার বা
নেটওয়ার্ক সিস্টেমে
যেন এ ধরনের ত্রুটি
না থাকে।
আমি মুলত হ্যাকার নই, তবে আমার ইচ্ছা আছে
অনেক বড় একজন হ্যাকারও হওয়ার