স্বল্পবসনা বা যৌন উত্তেজক পোশাক পরিহিতা নারীদের ধরে জেলে পুরছে আফ্রিকার রাজতান্ত্রিক দেশ সোয়াজিল্যান্ডের পুলিশ। কারণ হলো, এই ধরনের পোশাকগুলো নাকি ধর্ষকদের,ধর্ষণে উদ্বুদ্ধ করে। ধর্ষণ সংক্রান্ত নতুন এক আইনে এমন বিধানই রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য সোয়াজিল্যান্ডে সম্প্রতি ধর্ষন ও ইভটিজ়িং এর ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গিয়েছিল।
নতুন এই আইন অনুযায়ী, ধর্ষণে প্ররোচণা দেয় বা যৌন উত্তেজনা ছড়ায় এমন পোশাক পরে কোনো মেয়ে জনসম্মুখে আসলেই তাকে আটক করা হবে এবং জেলের ঘানি টানতে হবে কমপক্ষে ছয় মাস। মিনিস্কার্ট, মিডরিফ টপস বা খাটো জিনস- এরকম পোশাক পরা মেয়েদের আটক করা হবে।
সোয়াজিল্যান্ড পুলিশের ভাষ্যমতে, "যৌন উত্তেজক পোশাক পরিহিতারাই যৌন হেনস্থার শিকার হন। পুরুষ এমনকি মহিলারাও স্বল্পবসনা মেয়েদের দিকে একটু অন্যরকম দৃষ্টিতে তাকান। আর এসব পোশাক পরে বাইরে বেরুনো বন্ধ হলেই যৌন হয়রানির ঘটনাও অনেক কমে যাবে।"
আমার মতে,সঠিক সিদ্ধান্ত।কারণ ঘটনা আসলেই এমন।পর্দানশীল মহিলারা কোনোদিন যৌন হয়রানির শিকার হয় না।হয় এইসব বেপর্দা বেলেহাজ মেয়েরাই।তাই এমন আইন বাংলাদেশেও করা দরকার।আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি এমন আইন বাংলাদেশে হলে ইভটিজিং এর ঘটনা কমে শূন্যের কোঠায় চলে আসবে।হয়তো প্রগতিবাদীরা আমার সাথে একমত হবেন না।কিন্তু যে প্রগতি নারীর সম্মানের মূল্য দিতে জানেনা,যে প্রগতির শিকার হয়ে ধর্ষিত হয় নিরীহ তরুণী,সেই প্রগতির কি দরকার??
কিন্তু এমন আইনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংস্হাগুলো আপত্তি জানিয়েছে।এই শালার মানবাধিকার সংস্হাগুলার উপর আসলেই মেজাজ খারাপ হয়। কেউ খুন হয়ে গেলে কিছু করবে না।কিন্তু খুনীর প্রতি মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে কিনা,তা নিয়ে যত মাথাব্যথা।কিন্তু ওই ভুগি চুগি সংস্হাগুলার চুদুর বুদুর আলাপে কান দিচ্ছে না সোয়াজি পার্লামেন্ট।স্বাগত জানাই ওদের এই সিদ্ধান্ত।আশা করি অন্যান্য দেশও ওদের অণুসরণ করবে।