না আগেও ব্যাপারটা ছিলো,এমন না যে আগে এগুলা দেখি নাই।তবে ইদানিং শহরের গুরুত্বপুর্ন মোড় গুলাতে বাসে বা পাবলিক ট্রান্সপোর্টে এখন ব্যাপক মাত্রায় মার্কেটিং হয়। আগ্রাবাদ দেওয়ান হাট দিয়ে যাওয়াই যায় না।যেমন এসব জায়গায় এ ধরনের হতভাগা রোগীর বাজার বসে গেছে। প্রতিষ্টানটির নাম লুনা হারবাল ডায়গোনোস্টিক।তারা দাবি করে ,কোন এক মঘী তান্ত্রিক সর্বজ্ঞ গুরু এসে তাদের ডেরায় আপাতত বাসা বেধেছে।সবাই যেনো এই শতাব্দির সবচেয়ে মুল্যবান সুযোগ মিস না করেন।কারন এরপর গুরু হিমালয়ে চলে যাবেন।
গুরুর দুইটা প্রডাক্টের এড বেশী।লিফলেটে লেখা আছে- "জীবন আছে যৌবন নাই, এমন মানুষ দরকার নাই"।কি মারাত্বক আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী প্রচারনা। সেখানেই বলা আছে, এই মঘী গুরুর হর্স পাওয়ার মেসেজ ওয়েল কি অসাধ্য সাধন করতে পারে।লিফলেটে বেশী ভেঙ্গে না বলে শুধু এটুকু ইশারা দিয়েছে,এটির ব্যবহারে নিচের তলায় ভূমিকম্প হয়ে যাবে। যেকোন লোক এতে ভীত হতে পারে।কারন কয়দিন আগের নেপালের ধাক্কাই এখনো সামলানো যায় নাই। এর পর তারা একজাতের হাইটেক পাওয়ার এনার্জি ড্রিংক এর এড করে।সেটা আরো ভয়াবহ শক্তির অধিকারী।
এসব দেখে আমার মনে পড়ে,ছোট থাকতে এমনসব মঘী তান্ত্রিক ক্ষনজন্মা গুরু এলাকায় আসলে আমার বড় ভাইরা তারে ধরে কি জানি বলতো।বা কিছু একটা করতো।কারন দেখা যেতো পরেরদিন থেকে এসব ভন্ড মঘী গুরু অফিসরুম আসবাবপত্র সমেত রেখে চিরতরে হারিয়ে যেতো।