আজকে ৪র্থ পর্ব........


বুঝতে পেরেছিলাম তা হল ঘুম ।ভোরে প্রায় চারটা বা সাড়ে চারটার দকে
ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়তে যেতে হতো । নামাজের পর পি.টি. করার
জন্য রেডি হয়ে মেরি আইল্যান্ডের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ...
ইহাই সেই মেরি আইল্যান্ড

পরিবর্তিত ট্রায়াঙ্গেল কর্নার

এরপর ব্রেকফাস্ট করেই আবার প্যারেড । এবং কড়া রোদের মধ্যে
প্যারেডে ঘামের গোসল করা ।


মাঝে মাঝে ইচ্ছা করত একাডেমীর লেকে একটা ডুব দিয়ে আসি...

তারপরই ছুট ক্লাসরুমে ।আর ক্লাস রুম মানেই ঘুম । অনেকে
অবশ্য লাইব্রেরিতেও ঘুমাত ।
ইন্সট্রাকশনাল ব্লক ও এডমিনিস্ট্রেশন ব্লক


লাইব্রেরী

আরেকটি ইন্টারেস্টিং ছবি.......
গত পাসিং আউটে প্রধান মন্ত্রীর আগমন......

আগের পর্ব গুলোতে বলেছিলাম জুনিয়র লাইফটা একটু টাফ । শেষ করছি একটা গল্প দিয়ে ।
গল্পটি শুনেছি একাডেমীর এক গার্ড মামার কাছ থেকে....
বেশ কয়েক বছর আগে জয়েনিং এর আগে এক জুনিয়র আসলো একাডেমী সম্পর্কে জানতে । গার্ড মামাদের জিজ্ঞেস করল ' মামা , এখানে কোন দল ভারি বেশী , ছাত্রদল না ছাত্রলীগ ।'
গার্ড মামা হেসে জবাব দিলেন 'একবার জয়েন করেন , সবাইরে জাতীয় পার্টি করাবে '





আগামী কিছুদিনের মধ্যেই নতুন কর্মজীবনে প্রবেশ করব ...তাই এটাই আপাতত আমার একাডেমী নিয়ে শেষ পোষ্ট...ভবিষ্যতে আবার লিখব......
সবাইকে ধন্যবাদ ।
আগের পর্বগুলো পড়ুন...
আমার একাডেমী , কিছু স্মৃতিচারণ


আমার একাডেমী , কিছু স্মৃতিচারণ


আমার একাডেমী , কিছু স্মৃতিচারণ

