গনতাস্ত্রিক ব্যবস্থাতে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন সম্ভ্যব নয় কেন, কারণ বলতে পারবেন? দেশে গনতন্ত্র রাখলে ইসলাম সব-সময়ই উর্ধে থেকে যাবে কারণ সংখ্যাগরিস্টতা তাদেরই বেশি, নাকি ভুল বললাম? দেশের ৫১% জনগন যদি কুরআনের আইন চায় তাহলে কি আপনার মত গনতন্ত্রমনা স্বত্ত্বা তা মেনে নেবেন? আপনার কি মনে হয় দেশে (কমিনিষ্ট+উদারপন্থি+প্রগতিশীল+যারা ইসলামী আইন চায় না) সবাই মিলে ২০% লোক এখনও আছে!? থাকলেইবা কি, তারা কি সংখ্যা গরিষ্ট?
আসল ব্যাপার হলো আমাদের দেশের জনগন যা চায় তা দেশের নেতারা চায় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের ঠকিয়ে ভোটটা ঝোলায় পুরে নেয়া হয়। দেশের মাথার গুটি কয়েক চুল নাস্তিক আর বাকিরা তাদের সস্তা অনুসারী ছাড়া কিছুই নয়। তবে এটা ভোলা উচিত নয় মাথা পুরো দেহ নিয়স্ত্রন করলেই এটা ভোলা উচিত নয় যে, গনতন্ত্র মাথা আর দেহর পার্থক্য বোঝে না। সংখ্যাগরিষ্ট মতই মূল ব্যাপার।
ইনশা'আল্লাহ কমিউনিজম, সমাজতন্ত্র যেমন এদেশে টেকেনি তেমনি গনতন্ত্র'এর মত তন্ত্র-মন্ত্র দিয়েও কোন লাভ হবে না। হয়ত একদিন এই মন্ত্রেই দেশে ইসলামের আইন জারি হয়ে যাবে।
তাই এখনই যা করতে হবে তা হলো হয় দেশের সকল মুসলমানদের তাদের ইসলামের মৌলিক চাওয়া হতে অজ্ঞ রাখা (যার ব্যবস্থা ইংরেজ শাসন হতেই চলে আসছে এবং বর্তমান সরকার তার গতি প্রবল করেছে মাত্র) আর না হয় সব মুসলমানদের দেশ থেকে বের করে শুধু ইসলাম বিদ্বেশীদের দিয়ে দেশে সংখ্যা গরিষ্ট জনগন গড়ে তোলা।
বাংলাদেশের গনতন্ত্র যদি প্রকৃতই গনতান্ত্রিক হত তবে এ দেশে এই সব কমিউনিষ্ট মার্কা লোকজন এত বড় গলায় কথা বলার আগেই দেশের সংখ্যাগরিষ্ট জনগনের বিশ্বাস ও চেতনার জয় করে দেশে ইসলামী আইন বাস্তবায়িত হতো। যা কেউ রুখতে পারত না।