রাইয়ান তুমি কেমন আছ? তোমার ছবি কেন পাঠাওনা।
ভাল থাকবে
নানুর সাথে টেলিফোনে কথা বলবা। তুমি এখন ডে কেয়ারে নিয়মিত যাচ্ছ কি? আব্বুর সাথে সারাদিন খেলা কর কি? মাম্মাকে ছাড়া কেমন লাগছে তোমার। দাদুর কাছে শুনলাম মাম্মা নাকি বই কিনতে গেছে। ডিপারমেন্টে মাম্মা নাইইই...। মাম্মা এখনও বই নিয়া আসে নাই। তার জন্য কি তোমার মন খারাপ। তুমি মন খারাপ করোনা। ইনশাল্লা মাম্মা আগামীকাল এসে পরবে। তোমার জন্য অনেক বই ও খেলনা নিয়ে আসবে। নিয়মিত দুদু খাবে। খাবার খাবে। আব্বুর সাথে খেলা করবে। নানা তোমার জন্য দোয়া করছি। তুমি ভাল থেকো।
তোমার নান্নু।
==========================================
রাইয়ান এর জন্য আম্মা ২০.০৫.২০১০ তারিখে একটা কবিতা লিখেছে।
নানা ভাই
হাটতে পারেন বলতে পারেন চালাতে পারেন কম্পিউটার
তাইত তিনি সমাজ সেবক করেন সবার উপকার।।
পড়া শিখে ডাক্তার হওয়া নয়ত এত সোজা কাজ
কম্পিউটারের বেতাম টিপে শোনান রোগের ইতিহাস।।
আমার নানুর জন্ম দিনে বয়স হল তিন পেরিয়ে চার
এই বয়সে হয়ে গেছেন মস্ত বড় নামকরা এক ডাক্তার।।
বিজ্ঞাপনের নাই প্রয়োজন রোগীর সংখ্যা হাতে গোনা মাত্র দুইজন
ডাকলে ছোটে আসেন চলে অনলাইনে কিম্বা ফোনে।।
রোগী দেখেন উলট পালট লিখে দেন পেক্সিপশন
ভিজিট ফির নাই প্রয়োজন্।।
কিতাব পড়ে ডাক্তার হওয়া এ যুগেতে নাই দরকার
মায়ের চোখের পানি দেখলে খুলে বসেন কম্পিউটার।।
প্রশ্ন করেন শত শত খোজেন রোগের লক্ষন
পেটের ব্যথায় নড়া চড়া করতে নিষেধ লিখে দেন পেক্সিপশন।।
তোমার নানু
২০.০৫.২০১০ খ্রি.
==========================================
ক্রিকেটার
আমার নানু ক্রিকেটার
নামবে মাঠে মারবে ছক্কা, রুখবে তাকে সাধ্য কার।
দর্শক ভরা গ্যালারি, মারছে জোরে হাততালি
চার দেয়ালে আটকা পড়ে আসছে বল ছক্কা হয়ে।
এমন খেলার মজাই আলাদা
বন্ধ রাখবে দরজা জানালা।
ভাইয়ার সংগে একজন, বল আর আম্পায়ার
পুরা মাঠে ভাইয়া একাই অলাউন্ডার।
হেকে আসে বল, তেড়ে মারে ডিগবাজি
ক্যাচ ধরার আগেই বল চলে যায় পাশের বাড়ী।
চশমা চোখে মাথায় ক্যাপ
গ্লাভস লাগানো, হাতে ব্যাট।
এই অলরাউন্ডারের নাম খবরের পাতায় উঠে আসবে একদিন
থাক অপেক্ষায়।।
তোমার নানু
০৬.০৭.২০১০ খ্রি.
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩৪