ছবিটা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কথিত মঙ্গলশোভাযাত্রার। এখানে মুখে দাড়ি, মাথায় টুপি দিয়ে এক হিংস্র দানব প্রতিকৃতি তৈরী করা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এটার মাধ্যমে রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলাই উদ্দেশ্য।
তবে তারা যাই দাবি করুক, দাড়ি-টুপি হচ্ছে ইসলাম ও মুসলমানের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন, তাই তার অবজ্ঞা ইসলামকে অবজ্ঞা করারই সামিল।
যারা এ ধরনের মূর্তি বানায় তাদের উদ্দেশ্য বলতে হয়, অনেক জামাত-শিবিরের লোক আছে, যারা শার্ট-প্যান্ট-দাড়িবিহীন। তাহলে ঐ আকৃতিতে মূর্তি বানানো হলো না কেন??
অনরুপ, অনেকে সন্ত্রাসীদের প্রতিকৃতি হিসেবে দাড়ি-টুপি বুঝায়। তাদের উদ্দেশ্যেও বলতে হয়, বড় বড় খুনি-সন্ত্রাসীদেরই তো দাড়ি নেই, তাহলে তারা কেন শার্ট-প্যান্ট-দাড়িবিহীনকে সন্ত্রাসীদের পোষাক বলে না?
আসলে রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী-সন্ত্রাসী কিছু না, রমনায় পহেলা বৈশাখ আয়োজক ছায়নট+চারুকলা আসলে ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দুবাদী। এরা ইসলামের প্রতি বিদ্বেষটাই রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের নামে চালায়। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত ইসলাম বিদ্বেষীদের এ অনুষ্ঠান বর্জন করা এবং তার সকল আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং পাড়াপ্রতিবেশীকে এ অনুষ্ঠান সম্পর্কে সচেতন করা এবং বলা, “যদি মুসলমান থাকতে চাও, ঈমানদার থাকতে চাও, জাহান্নামের আগুন থেকে বাচতে চাও তবে অবশ্যই এ পহেলা বৈশাখকে না বলো”