somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্লাবনের জল!!!! সৈয়দ সানাম সাকিব

১৮ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ১০:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মনে কর,তোমার খুব প্রিয় কোন মানুষ অনেক দিনের জন্য কোথাও চলে যাচ্ছে। আর দেখা হয় কিনা কোনো ঠিক নেই।
মনে করলাম ।জবাব দিল জল।
তোমার দিকে তাকিয়ে প্রিয় মানষ টা বলল, ভাল থেকো... যদি বেঁচে থাকি তবে আবার দেখা হবে...তোমার চোখে তখন পানি চলে আসল। চোখ খোলবানা না চেচিয়ে উঠল প্লাবন। চোখ বন্ধ করে ভাব। ঠিক আছে, তারাতারি বলো।
তুমি বললে, আমাদের কি আর কোনো দিন দেখা হবে না? মানুষ টা কিছু না বলে হাটা শুরু করল। তোমার চোখেরপানি গাল বেয়ে পরছে। তুমি দাড়িয়ে দাড়িয়ে তার চলে যাওয়া দেখছ।
চোখ বন্ধ রেখেই জল বলল, কি শুরু করলা? কিছুই বুঝতেছি না। ভাবছি কিন্তু, মানুষ টা কে? তুমি?
আরে ধূর। আমি হবো কেনো ? তাহলে আগুলা কার কথা বলছ? কারও কথা বলছি না। তোমাকে এক দিন না দেখলে আমার কেমন কষ্ট হয় তা বুঝানোর চেষ্টা করলাম। আমার ঠিক এমন ই লাগে। আমার মনে হয় তুমি আমার কাছ থেকে দূরে চলে যাচ্ছ। আর আমি দারিয়ে দাড়িয়ে দেখছি।
বুচ্ছি বুচ্ছি...প্লাবন কে থামিয়ে দিয়ে জল বলে উঠল, ধুর, এভাবে কেউ পেচিয়ে কথা বলে? হাদা কোথাকার। সরাসরি বললেই ত হয় লজ্জা লজ্জা মুখ নিয়ে উত্তর দিল ।
....... বললে তো তুমি বিশ্বাস কর না। তাই তোমাকে বুঝানোর চেষ্টা করছিলাম।
...... চাপা মারলে কে বিশ্বাস করবে?
....... আমি কিছু বললেই তো চাপা মারি ।গাল ফুলিয়ে বলল প্লাবন।
......... মারই ত।
......... ধূর আর কিছুই বলবনা।
কিছুখন প্লাবন ও জল দুই জন ই চুপ করে রইল। প্লাবন চাচ্ছে জল আগে কথা বলুক। লেকের পাশে বসেবসে কথা বলছে তারা। তাদের ২ বছর এর প্রেম। সারা দিন ই ঝগড়া করে তারা। জল দেখতে খুবি সুন্দরী। প্লাবন ও কোনো দিক দিয়ে কম না। ওদের এক সাথে দেখলে অবাক হয়ে কতক্ষন তাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। সবাই তাই করে। আর এই জন্য প্লাবন একটু রাগ ও করে মানুষ এর প্রতি।
কি হল? প্লাবন বলল। কোথায় কি হল ? তুমি কথা বল না কেন? তুমিও তো বলছ না। আমি তোমার সাথে রাগ করলাম যেন তুমি sorry বল, তুমি ত পাত্তাই দিচ্ছ না। প্লাবনের কথা শুনে জল হেসে ফেলল। তোমাকে রাগ করতে কে বলল? আর আমি যে sorry বলব এটাই তোমাকে কে বলল ? আবার হাসল। হাসার কি হলো ?কিছু না। জল এখন ও হাসছে। জলের হাসি দেখে প্লাবন রেগে উঠে দাড়াল। আমি গেলাম, তুমি থাক তোমার হাসি নিয়ে। আমাকে পিছন থেকে ডাকবা না। বলেই হাটা শুরু করল। জল বুঝতে পারল আসলেই রাগ করেছে প্লাবন। পিছন থেকে ডাকল। আই শোনো। এই প্লাবন। আমাকে নিয়ে যাও।
কিছু ভালোলাগা
প্লাবন চলে গেল। জল আর না ডাকাডাকি করে বাসায় যাবার জন্য রিক্সা নিল। জলের মাথায় কোনো চিন্তাই নেই। প্লাবন এর এই রাগ প্রতি দিন ১০০ বার করে। এগুলো ওর ভালই লাগে। বাসার কাছে এসে রিক্সাচালককে জল বলল, ভাই দেখেন তো পিছনে একটা হলুদ গেঞ্জি পরা ছেলে আসছে কিনা? রিক্সাচালক মাথা ঘুরিয়ে দেখে বলল ।জ্বী আসতেসে, ছেলে টা কে আপা? একটা পাগল। আপনি ছেলে টা কে বলেন যে, আমি বাসার কাছে চলে এসেছি। এখন যেনো চলে যায়, আর ডাকার সময় পাগল ভাই বলে ডাকবেন। পারবেন না? হো পারমু, তয় ৫ টাকা বেশি দেওয়া লাগব। রিক্সাচালক বলতে বলতে দাত বের করে একটা হাসি দিল। ঠিক আছে দিব। রিক্সাচালক পিছনের রিক্সায় প্লাবন কে উদ্দেশ্য করে বলল, ওই পাগল ভাই, পাগল ভাই, হইলদা পাগল ভাই ...আপা আপনেরে আর আইতে না করছে। রিক্সাচালকের মুখে পাগল ভাই শুনে প্লাবনের মুখটা কল্পনা করে জল হেসেই ফেলল। কিন্তু পিছন দিকে তাকাল না। আশে পাশের কিছু মানুষ জলের একা একা হাসি দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। জল বিষয় টা বুঝতে পেরে লজ্জা পেল। কিন্তু হাসি আরও বেরে গেল। এমন টাই হয়। হাসি আটকাতে গেলে জলের আরো বেশি হাসি আসে। একটু ভয়ও পাচ্ছে। আজকে একটু বেশিই করে ফেলছে প্লাবনের সাথে।।
আপা হইছে না?
হ্যা হয়েছে। আপনি তো ভাল অভিনয় করতে পারবেন ভাই, রিক্সা চালানো বাদ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেন না কেনো?
আপা যে কি কইতাছেন? গরিবের আবার অবিনয়? ভালা পারলেই কি আর খারাপ পারলেই কি?
জল এর কথা টা রিক্সাচালক যে খুব গুরুত্বের সাথে নিয়েছে তা কথা শুনেই বুঝতে পারল।
প্লাবন রিক্সা ঘুরিয়ে চলে গেল। ভাইজান চইলা গেছে। ভাইজান আপনারে খুব ভালোবাসে তাই না আপা? রাখেন আর যেতে হবে না। ১০০ টাকা ভাংতি দেন। ভাড়া দিয়ে যাবার সময় জল বলল, আপনার হইলদা পাগল ভাইকে আমিও অনেক ভালোবাসি। কথা টা আবার ওই পাগল টাকে বলে দিয়েন না। আমার সাথে কি আর দেখা হইব যে আমি কইয়া দিমু? জল বলল একজন মানুষ কে পাগল বললেন, আর মানুষ টা আপনাকে চ্ছেরে দিবে মনে করেছেন? সাবধানে যাবেন, ও কিন্তু বেশি সুবিধার না। এগুলা কি কন আপা? লোকটার চোখে মুখে ভয় ফুটে উঠল। লোকটাকে ভয় দেখিয়ে জল গেটের ভিতরে ঢূকে পরল।
খাবার খেয়ে বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভাবছে জল। প্লাবনের এই বিষয় গুলো জলের অনেক ভাল লাগে। যত কিছুই হোক, জলের পিছন পিছন বাসা পর্যন্ত আসবেই। একটু পরপর রাগ করে, আবার ১ দিন ও কথা না বলে থাকতে পারে না। এগুলো ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেল ।
কিছু অনুভূতি
ঘুম থেকে উঠেই কল করল। একবার রিং হতেই ধরে ফেলল প্লাবন। কি করো প্লাবন? আমি কি করি তা দিয়ে তোমার কি দরকার? ওমা, কি বলছ এগুলা? আমার দরকার থাকবেনা তো কার থাকবে? আমি কি করলাম? রিক্সাওয়ালাকে দিয়ে পাগল ডাকাও আবার বল কি করলাম? হেসে ফেলল জল। আচ্ছা আছা sorry । কিসের sorry ? তোমার সাথে আমার কোনো কথা নাই। ঠিক তো ? হ্যা ঠিক। আচ্ছা তাহলে আমি রেখেই দেই। প্লাবন কিছু বলল না। ফোন রাখলাম কিন্তু? এখনও চুপ প্লাবন। রাখলাম প্লাবন। বলেই জল লাইন কেটে দিল। জল এমন ই করে সব সময়। প্লাবন রাগ করলে উল্টো জল ই ওর উপর রাগ করে ফেলে। কারন জল ভাল করেই জানে যে, প্লাবন ১ ঘন্টার মাঝেই রাগ ভাঙ্গানর জন্য কল করবে। কিছুক্ষন পরেই প্লাবনের কল আসল।
হ্যালো, জল...কি কর? কিছুই করি না। তুমি কল করলে কেনো? তুমি না আমার সাথে কথা বলবেনা বলেছ। কখন বললাম? একটু আগেই তো বলেছ। মনে নাই? কই নাতো, কখন ?আমি এই কথা কখনই বলিনি। বলছ, বলে আবার মিথ্যা কথা? তুমি তো আমাকে বিয়ে করার পরে আরো ১০ টা বিয়ে করবা প্লাবন।
এখন আবার ১০ টা বিয়ে কোথা থেকে আসল জল?
আসবেনা? যারা মিথ্যা বলতে পারে ওরা সব করতে পারে। তুমি তো ১০ টা না ২০ টা বিয়ে করবা। হুমম। হুমম আবার কি? খুব খুশি লাগছে মনে হয়? একটু তো লাগছেই, প্লাবন হাসল। এত গুলো বউ, ভাবতেও তো ভাল লাগে। তাই নাকি? জল একটু রেগে গেল। নিজের যায়গাটা সে কারো সাথেই ভাগাভাগি করতে রাজি নয়। ঠিক আছে থাকো তোমার খুশি নিয়ে। আমাকে আজকে রাতে কল দিবা না। লাইন কেটে দিল জল...

কিছু গভীরতা
রাত ১০.৩০ এ প্লাবনের মোবাইল এ sms আসলো।
***“আমি খেয়ে ঘুমিয়ে যাব।কেউ যেন আমাকে কল না করে। করলেও লাভ নাই, ধরব না।”***
প্লাবন sms টা পরে হাসল কারন, জল খাওয়ার পর ঘুমিয়ে যাবে এই কথা টা কেন বলেছে তা বুঝতে পারল । এর মানে হল প্লাবন ও যেন ঠিক সময় খেয়ে নেয়। প্লাবন sms করল,
***“তুমি খেয়ে ঘুমাও আমি ১২ টার পরে কল করব। আর আমার খাবার নিয়ে ভাবতে হবেনা। আমি খেয়ে নিব।” ***
***“কারো খাবার এর কথা কে জিজ্ঞাস করল? কল ধরি কিনা ঠিক নাই”***
প্লাবন ভাল করেই জানে যে, জল প্লাবনের কলের অপেক্ষাতেই থাকবে।কল না করলে মাথার চুল একটাও থাকবে না। রাতে ১২.৩০ এ কল করল প্লাবন।৩/৪ বার কল ধরল না জল।৫বার এর মাথায় ধরল। হ্যালো ,কি কল করলা কেনো? আমার এত মজার ঘুমের ১২ টা বাজিয়েছ। তাহলে কি রেখে দিব? আরে না। রাখতে বলেছি নাকি? খেয়েছ? জিজ্ঞাস করল জল। না, খিদে নেই। মানে কি? রেগে গেল জল। আমার sms এর জন্য রাগ করে খাওনি তাই না? আরে না। তোমার কথাতে রাগ করলে কি আর কল করতাম ? সত্যি বলছ? হুমম সত্যি । জলের মুখে হাসি ফুটল। রাগ করলে না কেন? রিক্সাচালক বলল তুমি নাকি আমাকে অনেক ভালোবাস তাই। চমকে উঠল জল, মানে? তুমি কি ওই লোক টিকে কিছু করেছ নাকি? আরে না। আমার কি মাথা খারাপ নাকি? লোক টাই আমাকে খুজে বের করল।লোক টা মনে হয় খুব ভয় পেয়েছে। কিছুই বুঝলাম না। জল হাসি ধরে রাখতে পারল না। একটু জোরেই হেসে ফেলল। আমি বলেছিলাম তুমি বেশি সুবিধার না , তুমি উনাকে রাস্তায় আটকাতে পার। তাই হয়ত ...হাসছে জল। প্লাবন ও বুঝতে পারল জলের দুষ্টমি টা।
.........তুমি এত ভাল কেন প্লাবন?
.........কেন খারাপ হতে বলছ?
……...মানে?
.........মানে আবার কি, এতো রাতে তুমি একজন যুবতি মেয়ে আর আমি একজন
..........থামো থামো আর বলা দরকার নেই। এত রোমানটিক কথা আমার সহ্য হয়না। সুযোগ পেলেই সুরু হয়ে যায়। বিড়বিড় করল জল।
.......... আমি আবার কি বললাম? নিজেই তো আমাকে খারাপ হতে বললা। মেয়েরা আসলেই বিপদজনক।

এভাবে তাদের মাঝে কথা চলতে থাকে। কখনো চাঁদের আলো কে কাগজের ঠোঙ্গা তে করে উপহার দিচ্ছে জল কে, কখনো জল কেই চাঁদ বলছে।সারা দিনের ঝগড়া গুলোই তাদের রাত টা কে, বিশেষ করে তোলে। কে sorry বলবে তা নিয়েও লড়াই। বড় চাকুরী পেতে বেশি বেশি পড়ালেখা করার উপদেশ, ছোট একটি ঘর বাধার স্বপ্ন। অফিস থেকে বাসায় আসতে দেরি করলে জল কি করবে? রাগ করবে কিনা? করলে প্লাবন কিভাবে ভাঙ্গানোর চেষ্টা করবে, বিয়েতে যদি বাবা মা রাজী না থাকে তাহলে কি করবে? দিনে কত বার এর বেশি ঝগড়া করবে এটা নিয়েও ঝগড়া। এভাবে কখন যে রাত শেষ হয়ে যায় বলতেই পারে না। মাঝে মাঝে মোবাইল এর টাকা শেষ হয়ে গেলে বড় ভাই এর রুমে চুপিচুপি গিয়ে মোবাইল এনে আবার ফোন করে শেষ বিদায় নেয়া। এভাবেই প্রতি দিন প্রতি রাত কেটে জায় তাদের।

আর এভাবেই অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর ও অনেকে তাদের সম্পর্ক টা সমাজ, জাতি ,পরিবার, অথবা নিজেদের ভুলের কারনেই পরিপূর্ন রূপ দিতে পারেনা। আবার অনেকে পারে। আমার এই পোষ্ট টি্তে খুব ভাল কিছু হয়ত তো তুলে ধরতে পারিনি, অনেকের কাছে ভালো না লাগতে পারে। কিন্তু আমি আমার ভাই, বোন ,বন্ধু সবাই কে বলছি প্লাবন আর জল এর মত অনেক অনেক মানুষ এভাবেই স্বপ্ন দেখছে, হয়ত চাঁদের আলো উপহার দিচ্ছে ঠোঙ্গায় করে আবার সারা দিন ঝগড়া করেই ভালোবাসছে একে অপরকে। হয়ত তারা আমাদের ছোট ভাই, বোন, বন্ধু অথবা আমাদের খুব কাছের মানুষ। তাদের ভালোবাসার কথা শুনে আমরা হয়ত পাত্তাই দেইনা। কিন্তু তারা হয়ত আপনার কাছে অনেক কিছু আশা করে বসে আছে। অনেকে হয়ত সম্মান দেই। যারা পাত্তাই দেই না তাদের বলছি, অনেক কঠোর হবার আগে একটু কি ভেবে দেখবেন ...... আপনি কি কারো স্বপ্ন ভাংছেন? কারো সুখ কেড়ে নিচ্ছেন নাতো? যদি খুব অসম্ভব না হয়ে থাকে, তারা যদি অনেক বড় কোনো ভুল না করে থাকে, তাহলে তাদের পাশে এসে দাড়াতে পারেন কি...... ?

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশ, চীন ও ভারত: বিনিয়োগ, কূটনীতি ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ ভোর ৫:১০


প্রতিকী ছবি

বাংলাদেশের বর্তমান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সমীকরণ নতুন মাত্রা পেয়েছে। চীন সফরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরছেন, যা দেশের অর্থনীতির জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য দোলনায়

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ৮:৩৮



ভোরের রোদ্র এসে ঘাসের শিশিরে মেঘের দেশে চলে যেতে বলে
শিশির মেঘের দেশে গিয়ে বৃষ্টি হয়ে ঘাসের মাঝে ফিরে আসে-
বৃষ্টি হাসে শিশিরের কথায়। তাহলে আমরা দু’জন কেন প্রিয়?
এক জুটিতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইউনূসকে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:১৪

ড. ইউনূসকে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান....

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে। শনিবার (২৯ মার্চ) এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্রঋণ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইউনুস: এক নতুন স্টেটসম্যানের উত্থান

লিখেছেন মুনতাসির রাসেল, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:৫৭


ড. মুহাম্মদ ইউনুস ধীরে ধীরে রাজনীতির এক নতুন স্তরে পদার্পণ করছেন—একজন স্টেটসম্যান হিসেবে। তার রাজনৈতিক যাত্রা হয়তো এখনও পূর্ণতা পায়নি, তবে গতিপথ অত্যন্ত সুস্পষ্ট। তার প্রতিটি পদক্ষেপ মেপে মেপে নেয়া,... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর কেমন হলো ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৮:৪৮


প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস এখনো চীন সফরে রয়েছেন। চীন সফর কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে এক শ্রেনীর মানুষের মধ্যে ব্যাপক হাইপ দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন সাসেক্সফুল সফর আর কোনো দলের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×