মজনু শাহ্ নব্বই দশকের কবি। ইতোপূর্বে প্রকাশিত তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: আনকা মেঘের জীবনী (১৯৯৯), লীলাচূর্ণ (২০০৫) এবং মধু ও মশলার বনে (২০০৭)। এর মধ্যে `আনকা মেঘের জীবনী' পাঁচমিশালী কবিতার সংকলন; লীলাচূর্ণ- ৫৬টি চতুর্দশপদী সিরিজ কবিতার গ্রন্থ; আর `মধু ও মশলার বনে' একটি দীর্ঘ কবিতার পুস্তিকা। তিনটি গ্রন্থের মধ্যে লীলাচূর্ণই সবচেয়ে বেশি আলোচিত কাব্যগ্রন্থ। এ গ্রন্থটি প্রকাশের পর বিশেষত তরুণ কবি ও পাঠকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। তবে `জেব্রামাস্টার' গ্রন্থে মজনু শাহ্ যে ব্যতিক্রম এক জগতের নির্মাণ করেছেন, তা হয়তোবা আগের সবগুলো থেকে একেবারেই আলাদা। এমনকি আমাদের পাঠঅভিজ্ঞতায়ও হয়তোবা অনেকটাই নতুনত্ব অনুভব হবে এ গ্রন্থপাঠে। এতগুলো কথা বললাম এ কারণে যে, এ গ্রন্থের সব কবিতার সঙ্গেই আমার একটা পাঠক-সম্পর্ক অনেক দিন ধরেই গড়ে উঠেছে। প্রতিটি কবিতা অন্তত ৮-১০ বার করে ইতেমধ্যে পড়া হয়েছে আমার। আমি মনে করি, এ গ্রন্থটি অনুসন্ধিৎসু-কাব্যপাঠকের অবশ্য-পাঠ দাবি করে। হে পাঠক, `জেব্রামাস্টার'-এর ভুবনে আপনাকে স্বাগতম।
কবি মজনু শাহ্'র `জেব্রামাস্টার' প্রসঙ্গে তাৎক্ষণিক
মজনু শাহ্ নব্বই দশকের কবি। ইতোপূর্বে প্রকাশিত তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: আনকা মেঘের জীবনী (১৯৯৯), লীলাচূর্ণ (২০০৫) এবং মধু ও মশলার বনে (২০০৭)। এর মধ্যে `আনকা মেঘের জীবনী' পাঁচমিশালী কবিতার সংকলন; লীলাচূর্ণ- ৫৬টি চতুর্দশপদী সিরিজ কবিতার গ্রন্থ; আর `মধু ও মশলার বনে' একটি দীর্ঘ কবিতার পুস্তিকা। তিনটি গ্রন্থের মধ্যে লীলাচূর্ণই সবচেয়ে বেশি আলোচিত কাব্যগ্রন্থ। এ গ্রন্থটি প্রকাশের পর বিশেষত তরুণ কবি ও পাঠকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। তবে `জেব্রামাস্টার' গ্রন্থে মজনু শাহ্ যে ব্যতিক্রম এক জগতের নির্মাণ করেছেন, তা হয়তোবা আগের সবগুলো থেকে একেবারেই আলাদা। এমনকি আমাদের পাঠঅভিজ্ঞতায়ও হয়তোবা অনেকটাই নতুনত্ব অনুভব হবে এ গ্রন্থপাঠে। এতগুলো কথা বললাম এ কারণে যে, এ গ্রন্থের সব কবিতার সঙ্গেই আমার একটা পাঠক-সম্পর্ক অনেক দিন ধরেই গড়ে উঠেছে। প্রতিটি কবিতা অন্তত ৮-১০ বার করে ইতেমধ্যে পড়া হয়েছে আমার। আমি মনে করি, এ গ্রন্থটি অনুসন্ধিৎসু-কাব্যপাঠকের অবশ্য-পাঠ দাবি করে। হে পাঠক, `জেব্রামাস্টার'-এর ভুবনে আপনাকে স্বাগতম।


এই দিশেহারা মেঘ কোথায় চলেছে?
এটা আমার নিজের লেখা প্রিয় গানগুলোর একটা। অতীতে অনেক বার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমার মূল সুরের কাছাকাছি পৌঁছতে পারি নি। এবার সুরটা ধরা পড়েছে ভালোভাবে।
৫টা ভার্সন হয়েছে। ২টা ভার্সনটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সংস্কার VS নির্বাচন
সোস্যাল মিডিয়ায় এখন ডক্টর ইউনুসের কমপক্ষে পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার পক্ষে জনগন মতামত দিচ্ছে। অন্তবর্তী সরকার এক রক্তক্ষয়ী অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা গ্রহন করেছে। তাই এই সরকারের কাছে মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন
কী অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য
বাংলাদেশে সাড়ে খোলাফায়ে রাশেদিন- ইউনুসের সরকার আসার পর থেকে আজ অব্দি দেশ নিয়ে এখানে সেখানে যা অনুমান করেছি, তার কোনটিই সত্যিই হয়নি। লজ্জায় একারণে বলা ছেড়ে দিয়েছি। এই যেমন প্রথমে... ...বাকিটুকু পড়ুন
প্রসঙ্গঃ নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় বাংলাদেশ চ্যাপ্টার.....
বাংলাদেশ সম্পর্কে নিউইয়র্ক টাইমস এর নিউজটা যথাসময়েই পড়েছিলাম। নিজের মতো করে রিপোর্টের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট লিখতেও শুরু করে ছিলাম। কিন্তু চোখের সমস্যার জন্য বিষয়টা শেষ করতে পারিনি।
এবার দেখা যাক বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন
এই দেশ থেকে রাজনৈতিক অন্ধকার দূর করা যায় কিভাবে?
রাজনৈতিক অন্ধকার দূর করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চ্যালেঞ্জিং বিষয়, যা দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য। এই সমস্যা সমাধানে দেশের নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল, শিক্ষাব্যবস্থা, এবং প্রশাসনের যৌথ... ...বাকিটুকু পড়ুন