আইন সংশোধন করে সংসদ সদস্যদের স্থানীয় প্রশাসন ও উনয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের ভূমিকা থেকে সরিয়ে এনে তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হবার দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একইসাথে দলগতভাবে সংসদ বর্জন প্রতিরোধক আইন প্রণয়নের আহ্বান পুর্নব্যক্ত করা হয়েছে।
আজ ঢাকার ব্র্যাক সেন্টার ইন্ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘নবম জাতীয় সংসদের সদস্যদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক ভূমিকা পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলা হয় জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের মোট কার্যদিবসের ৭৮ শতাংশ বর্জন সংসদের প্রত্যাশিত দায়িত্ব পালনে অন্যতম অন্তরায়।
গবেষণায় সংসদের বাইরে সংসদ সদস্যদের কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য ৪২টি জেলার ১৪৯টি আসনের সংসদ সদস্যদের ওপর পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দলগত আলোচনার মাধ্যমে ৬০০ জন দলনিরপেক্ষ ও সচেতন ব্যক্তির কাছ থেকে জুলাই ও সেপ্টেম্বর ২০১২ পর্যন্ত তথ্য ও মতামত সংগৃহীত হয়।
১৪৯ জন সদস্যের মধ্যে ৫৩.৭৮ শতাংশ ইতিবাচক কর্মকান্ডে জড়িত থাকলেও এদের প্রায় ৯৭ শতাংশ নেতিবাচক যুক্ত বলে দলগত আলোচনায় জানা যায়। সংসদ সদস্যগণ তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে উত্তরদাতাদের সন্তুষ্টির বিবেচনায় ১ থেকে ১০ এর স্কেলে গড়ে মাত্র ৪.১৮ পেয়েছেন, ৬৮.০৫ শতাংশ সংসদ সদস্য ৫ বা তার নিচে স্কোর পান। ৭.৬ বা তার বেশি স্কোর পেয়েছেন মাত্র ৩.৩৬ শতাংশ সংসদ সদস্য।
http://www.ti-bangladesh.org/files/Research and Policy/MP-Study-Executive-Summary-141012-bangla.pdf