
এই জেগে থাকা ,এই কবিতা গান
এ কোন এবাদত বন্দেগী নয়
এ এক ঘোর ,সন্ধ্যারবারে মাতালের প্রলাপের পরে
যে ঘোর মগজের ঘাড়ে ভর করেছিলো
এর কোন শুরু নেই , শেষ নেই
এর শুরু যেখানে শেষের শুরুও সেখানে
এর কোন দায় নেই ঈশ্বরের উভলিঙ্গের সন্ধানের
অথবা নিজের লিঙ্গের ভারে চাপা পড়া কোন দুর্বল লিঙ্গের
গোঙ্গানী কোন অর্গানে পুরে , কুমারী মায়ের পায়ের কাছে
ক্রুশ্চিনহের মত নতজানু হয়ে কুমারত্বের গ্লানির সিম্ফোনি বাজানোর
এর কোন দায় নেই অভিজাত সক্রেটেসিও জ্ঞানের পথে
গিয়ে আরো সব তীর্থ খুজে , গৃহাঙ্গনকে রণাঙ্গন বানানোর
এই শিল্প , আমার এই পাথর ভাঙ্গা
অথবা ছনের ছাউনী ছাওয়া কবিতার , সুরের ঘর
এ প্লুটো গ্রহের কোন দৈতদের ক্যাবারের দিকে যে কেবলা বানায়
( যদিও সেজদা দেয়না ঈবলিশের আগুনের মত অহ্নকারে নার্সিসাস )
তা কোন এবাদতের জন্য নয় ,
তা আমার সিগারেটের মাঝখানে
অবাস্তবভাবে থমকে থাকা আগুন ,
নেভেও না , জ্বলে কিন্তু পোড়ে না
আর আমার ঠোটের ভাজে লেগে থাকা হাফ সিগারেটের তৃপ্তি
সেই দ্বিধায় থমকে যাওয়া আগুন
আমার এই গান ,কবিতা
আর প্রেমে প্রেমে ভরপুর প্রেমহীনতার সময়ের
এই অসম বিষম বহু সন্ন্যাসে পরিত্যক্ত
আজন্ম এক মরা পোয়াতির পেটে জাতা পোলার ক্রন্দন
১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৩০ ০