
ঘটনাটা স্কুল লাইফের শেষদিকে....কেলাশ টেনে.. আমরা সবাই বায়োলজি প্রাকটিক্যাল করবো..ল্যাবে আছি..সেখানে ব্যাঙ কাটা হবে। আমি আমার লুকাল এরিয়ায় বশিররে ১০ টাকা দিয়া তার মুদি দোকানের মাচার তল থাইকা বিশাল এক কুনোব্যাঙ কালেক্ট করছিলাম...সেইটারে ক্লোরোফরম দিয়া জারে ফালায়া রাখছি। স্যার কেলাসে ছিল.... তারে হেডস্যার ডাকায়, উনি আমি আসতেছি-কুনো গন্ডোগোল করবা না বইলা-বাড়ায়া আর আসার নাম করতেছেন না।
পুলাইপাইন তো পুংটা।

আমি আমার ব্যাঙটারে পিন করছি। এরাম সময় মোকলেস আর আলাম আইসা বললো, দোস্ত আমাগো মাফ কইরা দে আমরা আধাঘন্টা মধ্যে মইরা যাইতেছি। আমি তো আইতকা উঠলাম। ক্যান কি করসোস। তারা জবাবে যা বললো তা শুইনা আমি তো থ। এক বোতলে ফরমালিন আছিলো তারা সেইটা ভাগেযোগে খায়া ফালাইচে। এখন তাদের পেটব্যাথা করতেছে, চোখে ঝাপসা দেখতেছে, মাথা ঘুড়ানো সহ নানা উপসর্গ দেখা দিছে ( আসলে ওইডা খাওয়ার হেতেগো মাতায় আইছে ফরমালিন খায়া ফালাইলাম নাকি??!!!)। সারা কেলাসে হইচই পইড়া গেল। স্যার হেডুর রুম থাইকা দৌড়ারা আইলেন।
সমস্ত ঘটনা শুইনা স্যার মিটি মিটি হাসেন..কি নিষ্ঠুর!!!!!

আমরা সবাই অবাক হয়া স্যারের দিকে তাকায়া আছি। হেরপর স্যার রহস্য ভাঙলেন। স্যারে ভাষ্যে যা জানা গেল হেইডা হইলো এর আগে কোন এক পুংটা পোলায় তৃষ্ণার বোতলে মুইতা ল্যাবে রাইখা গেছে। অনেকদিন এমনে থাকায় সেইটা পানির মতো ডিসকালার হইছে এবং আমার দুই দুস্ত সেই জিনিস পানি মনে কইরা গলঃধকরন করছে। কেলাসে হাসির হড়রা বইয়া গেল। আর হালারা বাথরুমের দিকে দৌড়াইলো ওয়াশ হইতে।

হেরপর দুইটারে ধইরা আমি স্কুলের সামনের চটপটি খাইছিলাম। আমারথিওরী আছিলো চটপটিও তো ময়লা-জীবাণু দিয়া ভরা--তো মুত আর জীবণুযুক্ত চটপটিতে কাটাকাটি হইয়া পজেটিভ জিনিস উৎপন্ন হইবো।

আলাম আছে এখন অষ্ট্রেলিয়ায়।
মোখলেস আয়ারল্যান্ডে।
এই দুইটারে মিস করি।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:৩৫