



প্রথম পর্ব:
আলো অর্কিডের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়।ডিফিউস লাইট বা কোমল আলো-আধাঁরি পরিবেশে অর্কিডকে রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমানে বাতাস সঞ্চালনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় মৃদু-মন্দ বাতাসের মাঝে অর্কিডটিকে রাখতে পারলে।ফুল ফোটানোর জন্য এটি একটি অত্যাবশ্যকীয় শর্ত।’
অর্কিডে শুধু পানি দিলেই চলবে না। একে খাবারও দিতে হবে। নইলে ফুল ফুটবে না। প্লান্ট বায়োকেমিস্ট ড:ফেরদৌসী বেগম বললেন,’অর্কিড তার মিডিয়া হতে সিমবায়োটিক এ্যাসোসিয়েড ধরনের খাবার সংগ্রহ করে।তবে, স্বাস্থ্যবান অর্কিড পেতে হলে বিষেশ ধরনের সার দিতে হবে। এই বিষেশ সারের নাম NPK।এটি হাই নাইট্রোজেন রিচ ফুড। চারা অবস্থায়, গ্রোথের মাঝামাঝি সময়ে এবং ফুল আসার আগে এই সার দিতে হবে।’
কোথায় পাওয়া যায়, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন,’বাংলাদেশে এর কোন উৎপাদক নেই।আমদানি করতে হয়। তবে, যে সকল নার্সারী শুধুমাত্র অর্কিড কালটিভেট করে তাদের কাছে এটি পাওয়া যাবে।’

আরেকটি, টিপস। খুব বেশি শুষ্ক সময়ে যখন বাতাসে আদ্রতা কম থাকে, তখন একটি বাটিতে পানি নিয়ে অর্কিড গাছের নিচে বা পাশে রাখুন। এর ফলে পানি বাষ্পায়িত হয়ে অর্কিড পাতাকে সঠিক আদ্রতা দেবে।ঘন ঘন পানি দেবেন না।
রোগ-বালাই:
অর্কিডের অসুখ-বিসুখও করতে পারে।এদের কয়েকটির কমন সিমটম ও প্রতিকার বলে দিচ্ছি।
লক্ষন পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে।
কারণ অতিরিক্ত পানি বা প্রখর সূর্যালোক।
প্রতিকার আরো বেশি ছায়ার ব্যবস্থা করুন।কয়েক সপ্তাহ
পানি দেবেন না।
লক্ষন পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে এবং পড়ে যাচ্ছে।
কারণ প্রথম লক্ষনটি জটিলতার দিকে মোড় নিয়েছে।
প্রতিকার ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে রাখুন। কয়েক সপ্তাহ পানি
দেবেন না।
লক্ষন পচন-পাতা কালো হয়ে যাচ্ছে।
কারণ ছত্রাকের আক্রমন।
প্রতিকার আক্রান্ত অংশ ফেলে দিন। এবং বিশেষজ্ঞের
পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ব্যাবহার করুন।
পরবর্তী পর্ব:
ফুল ফোটার ক্যালেন্ডার, কোথায় পাবেন, কেনার সময় দেখে কিনুন