ছবি: এনসিপির ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া
দেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ, রাজনীতিতে নতুন দিনের সূচনা করতে সক্ষম হবে, এটা রাজনীতি বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আমার পর্যবেক্ষণ।
যে দেশের মানুষ বৃদ্ধ-নেতৃত্ব নির্ভর রাজনৈতিক চিন্তা করে—পরিবার, পেশি, বয়স, বিত্ত বিবেচনায় দলীয় পদ বণ্টন করে —২৮ ফেব্রুয়ারি, বিকেলে, মানিক মিয়া এভিনিউর আয়োজনে তার সবই অনুপস্থিত । শুধু জ্বলছে যৌবনদীপ্ত তুর্কি তরুণদের দায়িত্ব আর স্বপ্ন বাস্তবায়ন আকাঙ্ক্ষার আলো। সেই আলো ছড়িয়ে পড়বে দেশের আনাচে কানাচে।
যারা এই দল গঠনকে সরকারি সুবিধার ল্যান্স দিয়ে দেখছেন, তারা ভুলেই গেছেন—এই তরুণরা মাস সাত আগে একটা নতুন শক্তির সাথে আমাদের পরিচয় করে দিয়েছে, জীবন উৎসর্গ করার শক্তি । এই শক্তি যখন জাগে, তখন মুক্তি আসে, স্বাধীনতা আসে, মর্যাদা ফিরে। এ শক্তিতেই দেশে ফিরেছে নতুন দিন, নতুন সরকার। আর রাজনৈতিক দল গুলো আলাপ করছে ভোটের।
এই শিক্ষার্থীরা পেশির লড়াইয়ের বদলে, রাজনীতি চর্চার সুযোগ পেলে—তাদের ভুল করে শেখার মত প্রেরণা দেয়া গেলে, নিশ্চিতভাবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসবে। ফিরবে, সমতা ও মর্যাদা। সেদিনের অপেক্ষায়——বাংলাদেশ।
আর নতুন দল নিয়ে, হতাশা যাদের ঘিরে ধরেছে, তারা দম চর্চা করতে পারেন —
