সেদিন অনেক দুঃখ করে লিখেছিলাম যে আমাদের অনার্স শিক্ষা জীবনটা আর কতদিন চলবে? মজার ব্যাপার হল যে যেদিন এটা লিখেছিলাম সেদিনই আমাদের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফর্ম ফিলাপের তারিখ ঘোষনা করল। ভালাই লাগল। আগামী ২১শে জুলাই থেকে ১লা আগস্ট এর ভেতর এই কার্যক্রম শেষ হবে। শুনতে ভালই লাগছে যে এই অনার্স জীবন আর খুব বেশী দিন বাকী নেই। তবে একটা সমস্যা হল যে আগামী ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষাটা আমরা পাচ্ছি কিনা কে জানে? কারণ আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা আর এই বিসিএস পরীক্ষা প্রায় একই সময় হবে। সুতরাং এটা একটা বিরাট সমস্যা আমাদের জন্য। কি আর করা? এখন আঙ্গুল মুখে দিয়ে বসে থাকা আর এর জন্য আমাদের পড়াশুনা করা ছাড়া আর উপায় নাই। তাই কোমরে দড়ি বেধে লেগে পড়লাম, ভাইরা আমার জন্য একটু দোয়া কইরেন। কি আর করুম, মুক্খু সুক্খু মানু, আপনাগো দোয়ায় যদি একটু কাজ হয় তাতেও কি ভালা তো হইবো!
যাই হোক, সামনে যে কবে এর একটা বিহিত হবে আল্লাহই জানে। জীবনের এতগুলা সময় কাটাইয়া ফালাইলাম খালি পড়াশুনার পিছনে। ছোডকালে বাপ মায় শিখাইছিল যে লেখাপড়া করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে। কিন্তু এহন দেখতাছি যে লেখাপড়া করে যে গাড়ি চাপা পড়ে সে। ফাও এত এত ডিগ্রি দিয়া কি হইব? যারা পড়াশুনার নামও লয় না তারা তো টাকা পয়সা দিয়া ঠিকই তাগো চাকরী বাকরী আগেভাগেই গুছাইয়া লইতাছে। আমগো কপালটাই খালি পোড়া। খালি আমি না আমার লাহান কত যে আম পাবলিক আছে এই বাংলাদেশে, তার ইয়ত্তা নাই। আহেন ভাই সাবেরা একটা কিছু করি। আমি জানি না কি করা যায়। কিন্তু কিছু একটা খুব করতে ইচ্ছা করতাছে। আমার গাডায় খালি কেমন জানি করে। আমাগো দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাটা যদি একটু পরিবর্তন আনতে পারতাম! তাইলে হয়তো অনেক কিছু হাইতে পারতো। তাই না ভাইসাবেরা?