রোম যখন পুড়ছিলো নীরো নাকি তখন বাঁশি বাজাচ্ছিলো। এই নীরোরে আমি চিনিনা। কে এই নীরো...কোন দু:খে বা সুখে সে বাঁশি বাজাচ্ছিলো সেটা আমার জানা নেই। তবে ধরে নেয়া চলে, নীরো আসলে একজন উদাসীন, চরম উদাসীন শ্রেনীর একজন মানুষ ছিলেন। যার সাথে ইদানীং নিজের দেশের রাজনৈতিকদের উদাসীনতার মিল খুজে পাচ্ছি। এই মিল এমনই বিরক্তিকর মনে হচ্ছে, কক্সবাজার নিয়ে সেভেনওয়ান্ডার্সে ভোট দেয়ার ক্যাম্পেইনটাই এখন হাস্যকর ঠেকছে! ঠেকবে নাই-বা কেন?!! সমুদ্র সীমারই নাকি ঠিক ঠিকানা নেই আমাদের!! পুরা কস্কিরে মমিন অবস্থা না-তো কি??

"প্রতিবেশী ভারতের দাপট, আর তাতে সরকারের নতমস্তক অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে রোজ হাশরের ময়দানে ছেড়ে দেয়া হয়েছে সরকারকে। সূর্যটা নেমে এসেছে মাথার মাত্র কয়েক ইঞ্চি ওপরে।"( আর সূর্যটারে একটা বাঁশের ডগায় বাইন্ধ্যা বৈয়া আছে ভারত।

উদাসীনতার একটা সীমা আছে। আমগো পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের উদাসীনতার কোনো তুলনা নাই। জাতিসংঘে, ভারতে, নিউইয়র্কে, লন্ডনে বইসা বইসা আটি বান্ধা ছাড়া আর কোনো কাম কি আছে তাদের? থাকলে কি এই অবস্থা হয় সমুদ্র সীমার? ভারত তো ভগবান...মিয়ানমারের মতো দেশও বাংলাদেশের বিচিতে খোচা তদয়ার স্পর্ধা পায়! আসলে এখন আর বুঝতে বাকি নাই, ইটস এ ক্রুয়েল গেম, বিং প্লেইড বাই ইন্ডিয়া! একটার পর একটা ট্রিকস নিয়া মাঠে নামতেছে তারা।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে মেরুদন্ডহীন প্রানীর সংখ্যা এতো বাড়ছে, যে এইটারে একটা চিড়িয়াখানা ঘোষণা কৈরা টিকিট ছাড়লেও কিছু রেভিন্যূ আসে সরকারের। সরকারের নীতি নির্ধারক, রাজনৈতিক মহল আর সুশীল সমাজ দিন-রাত ধরে জ্ঞানের রশিটানাটানি, টকশো নামক বিশেষ চেয়ারে বসে নিতম্বের ফোঁড়ায় তা দেয়া এবং অশ্বডিম্ব প্রসব ছাড়া আর কোন বালটা ছিড়তারে।।।