নারীর কাছে...
এতো সাধু ভাবতে নেই কাউকে। এটা বেশিদিন ধরে রাখা যায় না। শেষ পর্যন্ত থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ে।
রূপদর্শনে তার মোটেও মোহ ছিল না। আমার এটা দেখে সে প্রলুব্ধ হয়েছিল। অথচ ক্ষীণায়ু ফানুস ফুটো হয়ে মুহূর্তে চুপসে গেলে, কিছুকাল পর, সে তার বিরস বদন দেখালো আর রেখে গেলো বিরাগবিষের জ্বালা।
নিজের সাধুতা মাপতে একজন পুরুষকে নারীর কাছে যেতে হয়। নারী আপনার ব্যক্তিত্বে ঝাঁজ খোঁজেন। কৃতকার্য পুরুষের সংখ্যা কি খুব বেশি?
বিনা লোভে দীক্ষা দেন না সাধু। মৌয়ের লোভে মহাপুরুষের লেবাস পরি; বাৎসল্যের ভান করে পৃষ্টদেশে ব্লাউজের উপর নরম হাত রেখে ব্রা'তে সযত্ন চাপ রাখি।
খুব সাবধানী কৌশলে এগোতে হয়...চতুর ফাঁদে কখন কিভাবে ফেঁসে যায় বগী, ধীরে ধীরে, জানতে পারে না। সেই চরম সম্ভোগের জন্য দিনের পর দিন মুখোশ পরে থাকি।
পুরুষ মানুষকে এতো সাধু ভাবতে নেই; আর, আপনি ছাড়া আপনার সাধুতার খবর আর কেউ এতো ভালো জানেন না; এমনকি নারীও না।
*রিপোস্ট মারছি কিছু না পাইয়া

