এই তো কয়েক দিন আগে আম্মার অসুস্থতার খবর শুনে ছুটে গিয়াছিলাম গ্রামের বাড়ীতে। আমি যেয়ে দেখি আল্লাহ্র রহমতে উনি তখন গত দিন গুলোর তুলনায় একটু সুস্থ বোধ করছেন । বোন সুস্থ নয় জেনে আমার খালারও হাজির হয়েছিল আমি যাবার কয়েকদিন আগেই। আমার খালা'রা আমাদের ভাই বোন'দের কে পেলেই রান্না ঘর থেকে বের হতে চান না। কত শত খাবার.. গত তিন মাসে আমার ওজন চার কেজি বৃদ্ধি পেলেও আমার ছোট খালা আমাকে দেখে বল্লেন 'ইশ না খেয়ে ছেলেটা একদম শুকিয়ে গেছে'।

আমরা বাড়ীতে থাকলে আর খালা'রা থাকলে প্রতিদিনই কোন না কোন পিঠা তৈরি হয়ই। আমার প্রিয় পিঠা ভাপা কুলি পিঠা, সুতরাং এটা তো হবেই।

আপনাদের সবার পিঠা খাবার দাওয়াত রইল আমাদের বাসায়।
একদম ফ্রেশ গুড়। কেনা গুড় নয় কিন্তু

আমার ছোট খালা এক গাছুড়ে কে ধরে এনে পাড়িয়েছে, ফ্রেশ নারকেল।
চালের গুড়া, এটা ঢেকিতে গুড়া করা।
ঠিলে থেকে গুড় নেওয়া হচ্ছে।
নারকেল কুরানো....
পাত্রে গুড় দেওয়া হয়েছে।
গরম করা হচ্ছে।
গরম গুড়ের মধ্যো নারকেল দেওয়া হচ্ছে।
নারকেল গুড় মিক্সিং।
এই রকম হয়ে যাবে। এটা অনেক স্বাদ। এমনিই খেয়ে ফেলি আমরা।
চালের গুড়া গরম পানি দিয়ে মাখানো হচ্ছে।
ছেনা হচ্ছে।
পিঠার কাঠামো তৈরি।
এভাবে তৈরি করা হয়।
এর মধ্যো মিক্সিং দিতে হবে।
পুর/মিক্সিং দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
রেডি।
এটাতে করে ভাপ দেওয়া হবে।
এটা ২য় দফায় পিঠা। ১মবারের পিঠা উঠবার পর ছবি নেব ছবি নেব করতে করতে যেয়ে দেখি পিঠা প্রায় শেষ, ধুৎ তোর ছবি আগে খেয়ে নিই।

আমি ভেবেছিলাম একটা পিঠা আরেকটার সাথে লেগে যাবে ভাপ দেবার পর, কিন্তু দেখলাম লাগেনি।
ধন্যবাদ সবাইকে। সব মায়েরা যেন ভালো থাকে সেই প্রার্থনা রইল।