বড় কষ্ট লাগে যখন শুনি- এই মন্ত্রনালয়ে-্ওই মন্ত্রনালয়ে কোটাতে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না বলে পদ খালি থাকে। বড় কষ্ট হয় যখন দেখি এম,এ পাশ ছেলে ৩য় শ্রেণীর একটা চাকরীর জন্য দিন-কে রাত আর রাত-কে দিন করছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি, এখন সময় এসেছে এই ৫৬ ভাগ কোটা প্রথা সংস্কারের। ছাত্ররা তো কোন সময়ই চায়নি কোটা প্রথা বাতিল হোক। তারা চেয়েছে এই প্রথার গ্রহণযোগ্য সংস্কার।
অনেকেই এ দাবীকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চায়। অনেকেই আছে এই আন্দোলনে ভর করে সুযোগ নিতে চায়। এদের সম্বন্ধে প্রত্যেক আন্দোলনকারীদের সজাগ থাকতে হবে। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো এমন কিছু লিখা এবং বলা যাবে না- যেখানে আমাদের সূর্য সন্তান- মুক্তিযোদ্ধাগণকে অবমাননা করা হয়। এই বাংলাদেশের বুকে যতদিন লাল-সবুজের পতাকা উড়বে ততদিন পর্য ন্ত তাঁদের সম্মান- তাঁদের
অবদান চিরঅম্লান থাকবে।
যেকোন আন্দোলনেই বাঁধা আসে। আন্দোলনকারীদের উচিৎ এই বাঁধা ডিঙিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া। যতক্ষণ পর্যন্ত দাবী আদায় না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত জোড় কদমে এগিয়ে চলা। আন্দোলনে যাঁরা নেতৃত্ব দেন তাদের সামনে আসে আরো কঠিন বিপদ। তখন আন্দোলনকারীদের উচিৎ তাঁদের পাশে সহঅবস্থান করা।
আপনারা কর্মসূচী ঘোষণা করুন। পাশে আছে সবাই।
এটা যৌক্তিক আন্দোলন। এখানে ভয়ের কিছু নেই। সবাই অহিংস থেকে রাজপথে নেমে আসুন এবং সমবেত কণ্ঠে আওয়াজ তুলুন ”কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন এখনই চাই!”
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ২:৪৩