somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তারুণ্যের বিজয় ভাবনা : প্রেক্ষাপট ব্রিটিশ বাংলাদেশী

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বছর তিনেক আগের কথা শিল্প সাহিত্যে বিলেতে বড় হওয়া বাঙালি তরুণদের সম্পৃক্ততা আসলে কতটুকু সেটি তলিয়ে দেখার চেষ্টা করছিলাম, অধীকাংশই আমাকে হতাশ করেছিল। তারা যেমন রবীন্দ্রনাথ কিংবা নজরুলের প্রতি উদাসিন , ঠিক একই তালে শেক্সপিয়ার ও জন ডানের প্রতিও উদাসীন। প্রতিদিন অন লাইনে খবরের কাগজ পড়বার যেমন তাদের কোন তাগিদ নেই, তেমনি তথ্য প্রবাহের এই অফুরন্ত ভান্ডারের অনুসন্ধানেরও কোন প্রয়োজন তারা বোধ করেনা । তবে এই দৃশ্য শুধু পূর্ব লন্ডেনর বাঙালি পাড়ার অবস্থা। পুরো ব্রিটেনের বাঙালি তরুনদের এমন অবস্থা সেটি বললে আসলে ভুল বলা হবে। জলে উঠা তরুণের সংখ্যাও কম নয়। প্রত্যেকটি বাঙালি পাড়ার স্কুল গুলোতে ইয়ুথ পার্লামেন্টের মেম্বারের পদগুলো বাঙালি শিশু কিশোরদের দখলে। জিসিএসই কিংবা এ লেভেলে বাঙালি শিক্ষার্থীরাও লাভ করছে ঈর্ষণীয় ফলাফল।

এবার বিজয়ের চেতনার সন্ধানে বের হয়েছিলাম নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে, প্রায় গোট পঞ্চাশ জন বিভিন্ন বয়সের তরুন ব্রিটিশ বাঙালীর সাথে কথা বলেছি, জানতে চেয়েছিলাম আসলে বিজয় দিবসের চেতনাটি তাদের কাছে কেমন ভাবে নাড়া দেয় সেটি জানবার জন্য। হতাশ হয়েছি দারুণ ভাবে, আবার স্বপ্ন দেখে পুলকিত হয়েছি বার বার। '৭১ নিয়ে তরুন প্রজন্মের ভাবনাগুলো অনেকের কাছেই স্পষ্ট নয়। তাঁরা শুধূ এতটুকুই জানে '৭১ সনে বাংলাদেশে শুধু একটা যুদ্ধ হয়েছিলে তাতে পাকিস্তানীরা পরাজিত হয়েছিলো মাত্র !

কেউ বা ১৬ ডিসেম্বর আসলে কি সেই দিবসটিই জানেনা, ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস সম্পের্কেই তাদের উৎসাহ বেশী। বিলেতে জন্মনেয়া তরুনটির কাছে লাল সবুজের পতাকার চেয়ে সাদা ক্যানভাসে নীল ও লাল
রঙের পতাকা বেশী আকর্ষণীয়। তবে মুক্তিযুদ্ধের পূর্ববর্তী প্রজন্ম যারা যুদ্ধের পর কিংবা যুদ্ধকালীন সময়ে প্রবাসে এসেছেন, অথবা যুদ্ধকালীন সময়ে প্রবাসে থেকে মুক্তিযু্দ্ধের সময়ে সমস্ত অর্থ আর সহায় সম্বল দিয়ে সহায়তা করেছেন তাদের সন্তানরাই এই নতুন প্রজন্ম; যাদের কাছে ধীরে ধীরে বিজয় দিবসের চেয়ে ক্রিসমাস কিংবা বক্সিং ডে অধীকতর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, হতাশার কথা এখানেই।

আশার কথা হলো এঁরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের যুদ্ধকালীন সময়ে মুক্তিযোদ্ধদের বিরত্বের কথা , গনহত্যার কথা , রাজাকারদের কূ-র্কতীর কথা , লাখো নারীর সম্ভ্রম হানীর কথা শোনার পর মুল বিষয়গুলো সম্পর্কে উৎসাহ দেখিয়েছে, জানিয়েছে তাদের সীমাবদ্ধতার কথা , উচ্চারণ করেছে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির কথা। কেউ কেউ পরিবার থেকে কিছু শিক্ষা পেলেও মুক্তিযুদ্ধের উপর পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত, ইংরেজী বই , প্রামান্য চিত্রের অভাবের কথা বলেছেন। পাশ্চত্যের সিলেবাসে অভ্যস্ত শিক্ষার্থীরা নিজের দেশের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস আর শ্রেষ্ঠ বীরদের বিরত্বগাঁথা গল্পের সহজলভ্যতার সীমাবদ্ধতার কথা বলেছেন, তাদের কেউ এনে বসিয়ে কোনদিন মুক্তির গল্প শোনায়না, হাতে তুলেদেয়না একখানা বই কিংবা প্রামান্য চিত্র ! ঠিক এমনি ভাবে বেড়ে উঠা এই প্রজন্ম যদি ১৬ ডিসেম্বর ভুলে বসে, বা দিবসটি সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে যায় এই দায় ভার কে নেবে ?

নতুন প্রজন্মকে তাদের শেকড়ের সাথে সংযোগ স্থাপনের একটা চেষ্টা করেছি একটি প্রামান্য চিত্রের মাধ্যমে। বিলতে বড় হওয়া তরুনরা ১৯৭১ নিয়ে বলেছেন তাদের চেতনার কথা , হতাশা আর স্বপ্নের কথা।


প্রামান্য চিত্রটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
British Bangladeshi's Thoughts on 16 Dec
প্রামন্য চিত্রটি তৈরীতে কারিগরী সহায়তা দিয়েছে চ্যানেল আই ইউকে।
আর সার্বিক তত্বাবধানে ছিলো 'নেটওয়ার্ক বাংলা '
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৪
৮টি মন্তব্য ২টি উত্তর

১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৫

স্টিংরে বলেছেন: লন্ডনে যতো জামাতী আছে, দোজখে ও এতোগুলা নাই!

২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৩

রাজর্ষী বলেছেন: ভালো হইছে

৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০২

~টক্স~ বলেছেন: প্রতিবেদনটা অসম্ভব ভাল লাগল ভাইয়া। সিডনীতেও একই অবস্থা তবে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি নতুন প্রজন্মের এসব বাঙ্গালীদের কাছে একাত্তরের সেইসব অমূল্য তথ্য তুলে ধরতে যেগুলো আজো আমাদের মনে শিহরণ জাগায়। নেটওয়ার্ক বাংলার উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে সাধুবাদ পাবার দাবিদার।

৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৫

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: যাদের বাবা মায়েরই জন্ম ইংল্যান্ডে তাদের পক্ষে আসলে বাংলাদেশের বিজয় দিবস বা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে ছেলেবেলায় ওতটা জানা কতটা সম্ভব আসলে? এটাই বরং স্বাভাবিক তারা ক্রিসমাস সম্পর্কেই বেশী জানবে। তাদের পুর্বপুরুষদের দেশ এবং হলিডে কাটানোর দেশ ছাড়া বাংলাদেশ তাদের কাছে কি অর্থ বহন করে। তারা বড় হয়ে যদি নিজের পুর্ব পুরুষের বাসস্খান সম্পর্কে জানতে চায় তাহলে হয়ত জানতে পারবে বা অনুভব করবে।



তাই নতুন প্রজন্মের বৃটিশ বাংলাদেশীদের এ বিষয়ে না জানাটাকে আসলে স্বাভাবিক ভাবেই দেখে নিতে হবে।



আমি আসলে দ্বিধাগ্রস্থ একটা ভিন্ন দেশে কোন পরিবারে তৃতীয় প্রজন্ম আসলে তাদের প্রথম প্রজন্মের নিজদেশের সাথে কোন সম্মন্ধ থাকে কিনা। মনে হয় না থাকে। বিষয়টি মানতেই হবে।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন: তৃতীয় প্রজন্ম ক্রিসমাস সম্পর্কে জানবে এতে অস্বাভাবিকতার কিছু নেই, বরং হাহাকার সেখানে যদি নিজের রুটস সম্পর্কে এই তরুনদের অজ্ঞতা থাকে।



আরো পরিস্কার করে বলি, তৃতীয় প্রজন্ম জন্ম সুত্রে বৃটিশ হলেও তাকে প্রত্যেকটি জায়গায় তার এথনিসিটি লিখতে হয়। ব্রিটিশ হওয়া সত্বেও তাকে লিখতে হয় সে এশিয়ান কিংবা বাংলাদেশী অরিজিন।



এবার আসি রন্টির যেখানে দ্বিধা সেই উত্তরে :



আমি আপনার সঙ্গে এখানে একমত যে প্রথম প্রজন্মের সাথে সম্পর্ক থাকে না , তবে আমাদের যুদ্ধটাতো সেখানেই, এই প্রজন্মকে আমাদের করে নিতে, তাদের চেতনাকে উজ্জিবিত করতেই তো এই প্রচেষ্টা । মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তাদের মনে নেই , এটা তাদের অপরাধ নয়, বরং তাদের এই বিষয়ে আগ্রহ আছে এটাই বরং অবাক করার বিষয়, তারা জানতে চায় , শিখতে চায়, সীমাবদ্ধতা হলো , পর্যাপ্ত তথ্য

উপাত্ত প্রাপ্তির সহজ লভ্যতা । আর কাউন্সিলিং,



এই প্রজন্মের একজন শিক্ষিত বাঙালি তরুণ যদি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানার আগ্রহ থাকে তাহলে ব্রিটিশ বাংলাদেশী লন্ডনে থেকে তার নিজের হেরিটেজ জানবে না ,৭১ এর ইতিহাস জানবেনা এই যুক্তি মানতে পারিনা।



কোথাও অপূর্ণতা থাকলে , সীমাবদ্ধতা থাকলে সেই অভাব আমাদের সবার মিলে পূরণ করতে হবে। তবুও এই প্রজন্মের মধ্যে চেতণার বীজটা অন্তত বপন করে দিতে হবে।



আপনাকে ধন্যবাদ গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।

৫. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:২৪

ফাহমিদুল হক বলেছেন: I support Ronty Chow.

Wish to see the documentary.

(sorry for the language problem, sometimes it happens here)

৬. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:২৬

রাশেদ বলেছেন: রন্টির সাথে একমত।

৭. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হ্যা। সেটা তো করতেই হবে। আপনারা যারা এ কাজটি করার সামর্থ রাখেন তাদের এটি করাই উচিত যাতে তৃতীয় প্রজন্ম দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে না যায়। আমার দ্বিধা বা বলা যায় ভীতিকর আশংকা হচ্ছে, আসলে তৃতীয় প্রজন্মের প্রতি আমাদের দেশাত্ববোধক দাবী খাটে কিনা। এখনও পর্যন্ত ব্যাপক হারে আমরা কিন্তু আমাদের দেশের বিদেশী তৃতীয় বা চতুর্থ প্রজন্ম দেখিনি। তাই আসলে আমি ব্যক্তিগত ভাবে ওই দুঃসংবাদটির জন্য প্রস্তুত হয়েই আছি। প্রবাসে তৃতীয় প্রজন্ম আসলে ওই দেশটিরই নিজস্ব প্রজন্ম, সেটিতে আমাদের দেশের দাবী খুব কম।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: দাবী আদায় করে নিতে হয়। ওবামার জন্য কেনিয়ার জনগন ক্যামনে লাফায় সেই কাহিনী তো দেখলেন। এই প্রজন্মগুলো একদিন ব্রিটেনে নেতৃত্ব দেবে , হয়ে উঠবে বাঙালি ওবামা ইন ইউকে। তখন তো আপনি আমি ঠিকই ঢাকায় মিছিল নিয়া বাইর হমু। সেই সেতু বন্ধন রচনা করার সংগ্রামে পিছনে থাকবেন কেন ?

৮. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১২

মাহবুব সুমন বলেছেন: আমার একটা পর্যেবেক্ষন হলো, এর জন্য অনেক বাবা-মা দায়ী। তারা তাদের ছেলেমেয়েদেট নিজের সংস্কৃতি-ইতিহাসতো দূরের কথা বাংলা ভাষাই শেখান না। যুদ্ধটা পরিবার থেকে শুরু না হলে হাজার চেস্টাও অনেক সময়ই বৃথা যাবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অদৃশ্য দোলনায়

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ৮:৩৮



ভোরের রোদ্র এসে ঘাসের শিশিরে মেঘের দেশে চলে যেতে বলে
শিশির মেঘের দেশে গিয়ে বৃষ্টি হয়ে ঘাসের মাঝে ফিরে আসে-
বৃষ্টি হাসে শিশিরের কথায়। তাহলে আমরা দু’জন কেন প্রিয়?
এক জুটিতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লায় দেছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:০৯



আল্লায় দেছে। কথাটার মানে হচ্ছে- আল্লাহ দিয়েছেন।
হ্যা আল্লাহ আমাদের সব দেন। এই দুনিয়ার মালিক আল্লাহ। আল্লাহ আমাদের দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন শুধু মাত্র তার ইবাদত করার জন্য। কিন্তু মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইউনূসকে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:১৪

ড. ইউনূসকে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান....

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে। শনিবার (২৯ মার্চ) এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্রঋণ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইউনুস: এক নতুন স্টেটসম্যানের উত্থান

লিখেছেন মুনতাসির রাসেল, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:৫৭


ড. মুহাম্মদ ইউনুস ধীরে ধীরে রাজনীতির এক নতুন স্তরে পদার্পণ করছেন—একজন স্টেটসম্যান হিসেবে। তার রাজনৈতিক যাত্রা হয়তো এখনও পূর্ণতা পায়নি, তবে গতিপথ অত্যন্ত সুস্পষ্ট। তার প্রতিটি পদক্ষেপ মেপে মেপে নেয়া,... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর কেমন হলো ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৮:৪৮


প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস এখনো চীন সফরে রয়েছেন। চীন সফর কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে এক শ্রেনীর মানুষের মধ্যে ব্যাপক হাইপ দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন সাসেক্সফুল সফর আর কোনো দলের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×