বইমেলার গেটে প্রচুর ভীড়।
বাংলাদেশে কী বই-পড়ুয়াদের সংখ্যা এতো বেড়ে গেছে? ভীড় ঠেলেই সাধারণ মানুষ মেলায় ঢুকছে। কিন্তু, আমি তো সাধারণ মানুষ না, আমি তো হিমু। আমি কেন ভীড় ঠেলে গেট দিয়ে ঢুকবো?
আমার কাঁধে ঝুলন্ত চটের ব্যাগ। ব্যাগ-ভর্তি বই। আর বইয়ের চিপায় একটা আরএফএলের ফোলডিং মই।
আমি গেট ছেড়ে একটু দূরে উত্তরে সোহরাওয়ার্দীর সীমানার রেলিং এর কাছে আসলাম। ফোল্ডিং মই খুলে অনায়াসে রেলিং টপকে সোহরাওয়ার্দীর ভিতরে ঢুকে পড়লাম।
ঢুকেই দেখি ছিনতাইকারী-মতোন দুজন আমার দিকে কঠিন দৃষ্টিতে এগিয়ে আসলো। উঠতি বয়সী তরুণ।
"এই, আপনি এভাবে বইমেলায় ঢুকলেন ক্যান?" একজন কড়া গলায় জিজ্ঞেস করলো।
"ওস্তাদ, পুলিশের কাছে নিয়ে যাই চলেন।" খাটোমতোন অপরজন প্রস্তাব করলো। "সাহস কত গেট দিয়া না ঢুইইকা রেলিং টপকায় ঢোকে!"
"চুপ কর ব্যাটা বলদ! পুলিশ আমগো কমিশন দিবো?"
আমি জিজ্ঞেস করলাম, "ভাইজানদের পরিচয়?"
আমার কথা প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই ওস্তাদ-ছেলেটা এসে আমার হলুদ পাঞ্জাবির পকেট খুঁজলো। পাঞ্জাবির পকেট নেই। হিমুদের পকেট থাকে না। পকেট না পেয়ে ব্যাগে হাত ঢুকিয়ে ফোল্ডিং মইটা বের করলো।
তারপর অন্যজনকে বললো, "এই, ওরে ছাইড়া দে। ব্যাটা একটা পাগল। মাল-পানি কিছু নাই। তয় মাল কামানোর নতুন একখান আইডিয়া পাইছি!"
আমি চলে আসছিলাম। পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি ছেলে দুটো আমার ফোল্ডিং মই দিয়ে পুরোদস্তুর ব্যবসায় নেমেছে! রেলিংএর দুই পাশে দুইজন দাঁড়িয়ে সাধারন মানুষদের উদ্দেশ্যে হাক দিচ্ছে, "শর্টকাটে বইমেলায় ঢুকুন! মাত্র দশ টাকা, দশ টাকা দশ টাকা!"
আমি বইমেলার সামনে পুলিশদের তাবুর কাছাকাছি আসলাম। প্রতিবারই এখানে পুলিশদের তাবু বসে। লেখকদের না, ক্রেতাদের ব্যাগ চেকিং এর জন্যে। এবার এদের কাজ দেয়া হয়েছে লেখকদের সন্দেহজনক কোনো অনুভূতিতে আঘাত করা সংক্রান্ত বই চেক করা। প্রতি বইমেলায় আড়াই তিনহাজার নতুন বই প্রকাশিত হয়। এত বই কিভাবে চেক করবে? আসল টাকা চেক করার মত অনুভূতি চেক করার যন্ত্র থাকলে মন্দ হতো না! যন্ত্রটার নাম হতো 'সেন্স রিডেবল মেশিন'।
আমার দিকে দুজন পুলিশ এগিয়ে এলো। "এই আপনি দাঁড়ান!"
আমি দাঁড়ালাম। কামরুল আর খাইরুল। বুকের নেমপ্লেটে নাম লেখা। আপন ভাই নাকি? চেহারায়ও দুজনের অনেক মিল! সম্ভবত কনস্টেবল।
কামরুল জিজ্ঞেস করলো, "এই, ব্যাগে কী?"
আমি ওদের ভড়কে দেয়ার জন্যে বললাম, "বোম!"
"কী? বোম?" দুজন একসাথে আতকে উঠলো। টেনে আমাকে পুলিশের তাবুতে নিয়ে গেল।
মোটা-মতোন এক পুলিশ অফিসার তাবুতে বসে একটা বই উল্টাচ্ছিলেন। আরো কয়েকজন পুলিশকেও বই হাতে দেখলাম। হয়তো বইমেলায় প্রকাশিত নতুন কোনো বই। অনুভূতি খুঁজছেন হয়তো। কে জানে, পুলিশের উচ্চ পর্যায় থেকে হয়তো ঘোষনা দেয়া হয়েছে যে কেউ যদি অনুভূতিতে আঘাত করা বই পায় তার প্রমোশন হবে।
আমাকে মোটা-মতোন পুলিশটার কাছে এনে কামরুল-খায়রুলদের একজন ভীত কন্ঠে বললো, "স্যার, এর ব্যাগে নাকি বোম আছে!"
মোটা পুলিশটার নাম এসআই রইসুদ্দিন। সে বই টেবিলে রেখে উঠে আসলো আমার কাছে। "বোম? কী বোম, গ্রেনেড?"
"স্যার চেক করি নি। বোম-স্কোয়াডে খবর দেন তাড়াতাড়ি! টাইম-বোমও হতে পারে!"
রইসুদ্দিন আমার ব্যাগ টেনে নিলো। ব্যাগ খুলে বোম-টাইপের কিছু একটা খুজতে লাগলো। ইতিমধ্যে আর একজন পুলিশ দেখতে ইয়ং সে ওয়ারলেসে বোম-স্কোয়াডের সাথে কথা বলতে লাগলো। পুলিশদের মধ্যে হঠাত একটা জাকজমক ভাব চলে এসেছে! পুরাই ঈদ-সিজন যেন।
আমাকে দুজন পুলিশ ধরে রেখেছে।
রইসুদ্দিন অনেক খোজাখুজি করে কয়েকটা বই বের করলো ব্যাগ থেকে। বোম-জাতীয় কিছু বেরলো না।
তাকে অনেকটা হতাশ দেখালো। সে চিতকার করে উঠলো, "কামরুল!"
কামরুল এগিয়ে গেল।
"এখানে বোম কোথায়? এ তো দেখছি বই!"
কামরুল আমতা আমতা করে বললো, "স্যার, বোমার কথা তো ঐ ব্যাটা হলুদ-পাঞ্জাবিওয়ালাই বলেছে! দেখেন, মুখ-ভর্তি দাড়ি! আমি নিশ্চিত স্যার, জঙ্গীদের সাথে এর কোনো কানেকশন আছে!"
রইসুদ্দিন বললেন, "ওকে আমার সামনে নিয়ে আসো।"
আমাকে তাবুর আড়ালে রইসুদ্দিনের মুখোমুখি বসিয়ে দেয়া হলো। উনি আমার আপাদমস্তক কয়েকবার অবলোকন করলেন। এই লোকের একটা অসাধারন দিক আবিষ্কার করলাম। পুলিশরা সাধারনত অনিয়ন্ত্রিত-বদমেজাজী হয়। এই পুলিশ রইসুদ্দিন নিয়ন্ত্রিত-বদমেজাজী।
আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কী নাম?"
আমি মুচকি হেসে বললাম, "স্যার, হিমু।"
"ছদ্মনাম?"
"না স্যার রিয়েল নাম। ভালো নাম হিমালয়। আমার বাবা রেখেছেন।"
"কোন দলের সাথে জড়িত? হিজবুত তাওহিদ না আনসারুল্লাহ?"
"স্যার, আমি কোনো কোন্দলে নাই!"
"তাহলে বোমের কথা বলছিলি ক্যান?" রইসুদ্দিন সাহেব নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়ছেন দেখি!
"স্যার, আমি তো বোম বলি নাই, বই বলছিলাম। আপনার পুলিশ-সদস্যরা শুনতে ভুল করেছেন। আপনি নিজেই দেখেন, টেবিলের উপর সব বই।"
রইসুদ্দিন সাহেব চেচিয়ে উঠলেন, "ফাজলামি করস আমার সাথে? একদম রিমান্ডে নিয়া সিদ্ধ ডিম...
রইসুদ্দিন কথা শেষ না করতেই টেবিলের উপর একটা বইয়ে চোখ রাখলেন। সবার উপরের বইটার নাম "হিমু রিমান্ডে"। উনি বইটা তুলে হাতে নিলেন। পাশে থেকে এক পুলিশ বললেন, "স্যার এ তো পুরান মাল! আগেও রিমান্ডে নেয়া হয়েছিল একে! রিমান্ডের কাহিনী নিয়ে পুরো একটা বই লিখে ফেলছে! জঙ্গিদের নতুন তরিকা!"
"হারামজাদা!" বলেই ঠাস করে আমার গালে একটা চড় বসিয়ে দিলেন রইসুদ্দিন! বিপদ আসছে! আমাকে শান্ত থাকতে হবে। বিচলিত হওয়া যাবে না। বাবার একটা উক্তির কথা মনে পড়ে গেল। "কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেকে স্বাভাবিক রাখিবে। ইহা সব মহাপুরুষই করিয়াছিল। তোমাকেও ইহা আয়ত্ত করিতে হইবে।"
এস আই রইসুদ্দিন আরো দুজন পুলিশকে নির্দেশ দিলেন সবগুলো বই পড়ে এর পাঠোদ্ধার করতে।
আমি শান্তভাবে এস আই রইসুদ্দিনকে বললাম, "স্যার একটা তথ্য জানাতে পারি?"
কড়া দৃষ্টিতে তাকালেন এস আই। "তোর কাছে কী তথ্য আছে বল?"
"স্যার, এখনই আপনার কয়েকজন পুলিশ সদস্য দুজন যুবক-বয়সী ছেলে আর একজন মধ্যবয়স্ক মহিলাকে এখানে ধরে আনবে। এরা স্যার খুবই ড্যাঞ্জারাস!"
"তুই কিভাবে জানলি? তুই কি তথ্য-বাবা হয়েছিস হারামজাদা? ফাজলামি করস আমার সাথে? একদম রিমান্ডে নিবো!"
"আমার ইনট্যুশন পাওয়ার ভালো স্যার।"
আমার কথা শেষ না হতেই কয়েকজন পুলিশ সদস্য দুজন তরুন আর একজন বোরখা পরিহিত মহিলাকে ঠেলতে ঠেলতে তাবুতে নিয়ে আসলেন।
একজন এসে এস আইকে বললো, "স্যার, মহিলা-জঙ্গি ধরা পড়েছে! দুইটা যুবক-জঙ্গীও আছে সাথে!"
এস আই রইসুদ্দিন অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকালেন। পুরাই কনফিউসড হয়ে গেছেন!
উনি কড়া সুরে হুকুম দিলেন, "নিয়ে আসো ওদের এখানে।"
বোরখা-পরা মহিলা আর দুজন যুবক-জঙ্গিকে নিয়ে আসা হলো। আমি যুবক দুইজনকে চিনতে পারলাম। এরা সেই ছিনতাইকারী দুজন। যারা আমার ফোল্ডিং মই ছিনিয়ে নিয়েছিলো। ওরা আমাকে পুলিশদের সাথে বসে থাকতে দেখে ভয় পেয়ে গেল।
হঠাত মহিলাটি মুখের নিকাব সরিয়ে চেচিয়ে উঠলো, "হিমু না! তুই কী করিস এখানে?"
কন্ঠ শুনে আর মুখ দেখে আমি চিনে ফেললাম। মাজেদা খালা। শেষ পর্যন্ত মাজেদা খালাও জঙ্গি খাতায় নাম লিখিয়ে ফেললো!
"খালা, তুমি বইমেলায় কী জন্যে এসেছো?"। আমি জিজ্ঞেস করলাম।
"বাদলকে খুজতে এসেছি। সেই সকালবেলা বই কিনতে বইমেলায় এসেছে। এখন বিকেল পাচটা বাজে। ফেরার কোনো নাম নেই। এদিকে তোর খালুর টেনশনে বিপি বেড়ে গেছে!"
"কিন্তু বোরখা পড়েছো কেন?"
"বোরখা না পড়লে বাদল তো আমাকে চিনে ফেলবে! ওকেও আর ধরতে পারবো না!"
"এই আপনারা থামুন!" একজন পুলিশ চিতকার করে বললো। তারপর, এস আই রইসুদ্দিনের কাছে গিয়ে ফিসফিসিয়ে বলতে লাগলো, "দেখেছেন স্যার, পুরো জঙ্গি পরিবার! শিগগির থানায় চালান করে দেন! নিশ্চই বড় ধরনের হামলার কোনো প্ল্যান আছে এদের!"
আর একজন পুলিশ যে কিনা আমার ব্যাগের একটা বই উল্টাচ্ছিলো, সে বলে উঠলো, "স্যার, এই হিমু-ব্যাটাকে র্যাবও ধরে নিয়ে গেছিলো! বিরাট ড্যাঞ্জারাস পার্টি স্যার!" ওর হাতের বইটার নাম "হলুদ হিমু কালো র্যাব"।
মাজেদা খালা ঝাড়ি দিয়ে উঠলেন। "এই, আপনারা পেয়েছেনটা কী? না জেনে আমাদের জঙ্গি বানাচ্ছেন? সবগুলোর ট্রান্সফার করে দিবো কিন্তু! আমাকে চেনেন আমি কে? এই আমার ফোন নিয়েছে কে? ফোনটা দাও। তোমাদের সবার বারোটা বাজিয়ে দিবো!"
রইসুদ্দিন অনেকক্ষন চুপ থাকার পর এবার চেচিয়ে উঠলেন, "এই, এদের কোত্থেকে ধরেছো?"
যারা ধরেছিলো তাদের একজন সামনে এসে বললো, "স্যার, এদের বইমেলার মেইনগেটের উত্তরদিকের রেলিং এর কাছ থেকে ধরেছি। এই মহিলা ঐ দুজন ছেলের সহযোগিতায় মই বেয়ে রেলিং টপকে বইমেলায় ঢুকতেছিল!"
মাজেদা খালা এসবে কান না দিয়ে আমার উদ্দেশ্যে বলতে লাগলো, "হিমু, তুই চুপ করে আছিস কেন? কিছু একটা কর! কে জানে বাদলকেও ওরা জঙ্গি সন্দেহে ধরেছে কিনা!"
আমি এস আই রইসুদ্দিনের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললাম, "স্যার, আর একজন জঙ্গি বইমেলায় আছে। নাম বাদল। সেও খালি পায়ে সকাল থেকে বইমেলায় সুযোগ খুজছে! প্লিজ আপনাদের পুলিশ সদস্যদের খুজতে পাঠান। না হলে আমরা এখানে থাকতেই কোনো প্রকাশনীতে হামলা হিয়ে যেতে পারে!"
রইসুদ্দিন সাথে সাথে চার সদস্যের একটা টিম বানালেন বাদলকে খুজে বের করতে। আমি বললাম, "স্যার, এরা ত ওকে দেখে নি। খুজে পাবে না। আমি সাথে যাই।"
এস আই রইসুদ্দিন আমার কথায় রাজি হলেন।
আমি চারজন পুলিশসহ বাদলকে খুজতে বের হলাম।
আমিই বাদলকে বইমেলায় আসতে বলেছিলাম। ওর ডাস্ট এলার্জির সমস্যা আছে। আমি ওকে বলেছিলাম, "জ্বর আসলে, ঠান্ডা লাগলে আরো বেশি করে ঠান্ডা লাগাবি। দেখবি জ্বর-ঠান্ডা চিরদিনের জন্যে ছেড়ে চলে গেছে। রিভার্স একশন। ঠিক তেমনি ডাস্ট এলার্জি থেকে বাচতে বেশি করে ধুলোবালি শরীরে লাগা। ডাস্ট এলার্জিও ছুটে যাবে।"
ও বলেছিল, "কিন্তু হিমু ভাই, তুমিই একদিন বলেছিলে, মানবদেহে মোট এলার্জির পরিমান নির্দিষ্ট। এর সৃষ্টি বা বিনাশ নেই। কেবল একরূপ থেকে অন্যরূপে রূপান্তরিত হয়।"
"বলেছিলাম। সেটা এলোপ্যাথি হোমিওপ্যাথি চিকিতসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এটা আমার চিকিতসা। নিলে নিবি না নিলে নাই।"
"তুমি যখন বলেছ অবশ্যই নিবো। বলো কী করতে হবে।"
"শুক্রবার সকালে বইমেলায় চলে যাবি। রাত আটটা পর্যন্ত বইমেলায় খালি পায়ে ঘোরাঘুরি করবি। বইমেলায় যে পরিমান ধুলো আছে তার একটা অংশ শরীরে ঢুকলে তোর এলার্জি খতম।"
হাটতে হাটতে অন্যপ্রকাশের স্টলের সামনে চলে এলাম। হুমায়ুন আহমেদ আমার স্রষ্টা। তার আপাদমস্তক একটা বিরাট সাদা-কালো ছবি স্টলের উপরে টানানো। রূপা সাথে থাকলেই বলতো, "হিমু আসো একটা সেলফি তুলি স্যারের সাথে।"
কিন্তু রুপাকে আমি বইমেলায় আনিনা। অতি রূপবতী একটা মেয়েকে নিয়ে বইমেলায় হাটাহাটি করা অস্বস্তিকর।
'হিমোফিলিয়া হল সেক্স-লিংকড একটা রোগ। এর বাহক মেয়েরা। কিন্তু ভিক্টিম ছেলেরা। এই রোগে আক্রান্ত ছেলেটির শরীর থেকে রক্ত ঝরা শুরু হলে বন্ধ হতে চায় না। রূপার রোগটার নাম 'হিমুফিলিয়া'। হিমোফিলিয়ার উল্টো। এর বাহক আমি। ভিক্টিম রূপা। বাবার নির্দেশ, "রূপবতী নারীর মায়া থেকে নিজেকে বাচিয়ে রাখিবে। ইহা মহাপুরুষ হওয়ার ক্ষত্রে বিরাট অন্তরায়।"
হিমুর জন্যে তাই রূপার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। কিন্তু আমার কিছু করার নেই। আমাকে মহাপুরুষ হতে হবে।
আমি অন্যপ্রকাশের স্টলের উপর টানানো হুমায়ুন আহমেদ স্যারের ছবিটা দেখছিলাম। মানুষটা আর নেই। উনার সাথে আমার একটা অদ্ভুত মিল খুজে পেলাম। হিমুর যেমন বয়স বাড়ে না, তেমনি স্যারেরও আর বয়স বাড়বে না!
বড়ই অদ্ভুত!
(প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের হিমুকে প্রতিবারের বইমেলার মতো এবারও মিস করছি। হুমায়ূন আহমেদের মতোনয়, জাস্ট মনের আনন্দে স্যারের ‘হিমু’ চরিত্রটি নিয়ে লিখে ফেললাম!)
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:৪১