বর্তমানে "ধর্ম ব্যবসা/ব্যবসায়ী" শব্দটি বহুল ব্যবহৃত। যারা গতানুগতিক সেক্যুলার মতবাদ অথবা অন্য যেকোন মতবাদ প্রচার করে থাকেন বা বিশ্বাস করেন তারা ইসলামের রাজনৈতিক ভাবনার দল বা সংগঠনকে ধর্ম ব্যবসার সাথে তুলনা করে থাকেন। ইসলামের অপব্যবহার কারী সমাজে অনেক আছে, আছে অপব্যবহার। যেমন পীরপূজা বাদ, কাদিয়ানী মতবাদ ইত্যাকার বিষয়।এসব বিষয় বা ঘটনা সমাজে যুগের পর যুগ চলে আসলেও কোন প্রগতিশীল ফতোয়াবাজরা (সেক্যুলারা) কোন কথা বলেন না।কারণ ধর্ম নিয়ে তাদের মাথাব্যাথা নেই। কিন্তু সমস্যা বাধে তখনি, যখন কোন দল ইসলামের ধ্বজা বংগভবনে উড়ার স্বপ্ন দেখেন, যখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের মদিনা রাষ্ট্রের উপমা টানেন, ইসলামের স্বর্ণযুগের শান্তির বার্তা শোনাতে চান ।
আসল কথা হচ্ছে, ইসলামের ইতিহাসের মনোমুগ্ধকর গল্প যুগের পর যুগ মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় শোনা ও বলাতে কোন দোষ নেই। দোষ নেই ইসলামী লেবাস যখন যেমন খুশি ব্যবহার করে ভোটের আশায় হজ্বে যাওয়া, নামাজ পড়া, দান খয়রাত করা এমনকি শাহাবাগের গানের আসর শুরু করার আগে পবিত্র কোরআনের তিলায়াত করা।
উপরোক্ত ঘটনা সুমূহ হচ্ছে মাকাল ফল। যেসব সংগঠন বা ব্যাক্তির ভিত্তি দর্শন নন ইসলামিক কিন্তু ভোট বা জনসমর্থনের আশায় ধর্র্মীয় লেবাস পরিধান করে , নিঃসন্দেহে তারা" ইসলাম ধর্ম ব্যবসায়ী"। যাদের ব্যাক্তিক দর্শন বা দলীয় দর্শন ইসলামিক তারা ইসলামী কথা, আচার ব্যাক্তি জীবনে বা দলীয় জীবনে পালন করলে কিভাবে "ধর্ম ব্যবসায়ী" হন? সঙ্গত কারনেই উপরের মাকাল ফলরাই হচ্ছে "ধর্ম ব্যবসায়ী"।