somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওডেস্কে আমার ইতিহাস । শুরু থেকে বর্তমান-(By Arif Reza)

১০ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম



আমি আরিফ রেজা ।

আজকে ১৭ নভেম্বর ২০১২ । আমার ১৬ তম জন্মদিন । তাই আমি আজকে আমার ফ্রিল্যান্সিং জীবনের বৃত্তান্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি । আমার ওডেস্কের / প্রোগ্রামিং এর ইতিহাস বর্ননা করব ইনশাল্লাহ । আশা করি এটি নতুনদের জন্য ভালো একটি নিদর্শন হতে পারবে ।



শুরুটা হয়েছিল ২০১০ সালের ১৫ নভেম্বরের পর । তখন বাসায় কম্পিউটার/মোবাইল কিছুই ছিলনা । কিন্তু ইন্টারনেটের জন্য আমার ছিল দুর্বলতা । খুব পছন্দ করতাম এই জিনিসটা । তাই JSC পরীক্ষার পর পর মোবাইলের জন্য বাবার কাছে ধর্না দিতে থাকি । আগেই বলে নিই, আমি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছি । খুব আবদারের মাধ্যমে মোবাইল পাই । নোকিয়া ২৭০০ ক্লাসিক । প্রথম বলে খুব ভালোই । জাভা, ইন্টারনেট, অপেরা মিনি সব আছে । তাই খুব আনন্দের সাথে ইন্টারনেট ব্রাউজিং শুরু করি । তার সাথে গেমস খেলা । এরই এক পর্যায়ে ফেসবুক নামক একতি সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটের সাথে আমার পরিচয় হয় । একাউন্ট খুলে উপভোগ করতে শুরু করে দিই ।



তখন হঠাত করেই একদিন ওয়েবসাইট বানানোর পদ্ধতি রপ্ত করার এক সুপ্ত বাসনা আমাকে পেয়ে বসে । কিভাবে ফেসবুক, গুগল, ওয়াপট্রিক, জেডজি, গেটজার এসব ওয়েবসাইট তৈরী হয় । গুগলে সার্চ দিলাম । ওরা আমাকে ওয়েবসাইট বানানোর অনেক থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট যেমনঃ webs.com , weebly.com এসব ওয়েবসাইটের লিংক দেয় । আমি এসব দিয়ে সাইট বানাই আর ভাবি কিভাবে গুগল / ফেসবুকের মত ওয়েবসাইট বানানো যায় । তখনও ভাবতাম এসব থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট দিয়েই ওয়েবসাইট বানাতে হয় । ২০১১ সালের এপ্রিল/মে মাসের দিকে আমার ভাইয়া একটা কম্পিউটার কেনে । ওটা দিয়ে এবার ফেসবুকিং চালানো শুরু করি । তার সাথে ঘাটাঘাটি । হঠাত করে ফেসবুকে একটা ফ্যান পেজ খুলে বসি । ইসলামিক একটা পেজ । ওটার জন্য ভালো ট্যাব বানানোর জন্য ফেসবুকের একটা এপ্লিকেশন এর সাথে পরিচিত হই । সেটা হল Iwippa । সেখানেই সেটিংস এ দেখি কিছু এইচটিএমেল কোড । আমি ভাবি, কোড জিনিসটা কি? তারপর দেখি কোডের কিছু কথার সাথে মেইন এপ্লিকেশনের কিছু মিল আছে । যেমন কোডে লেখা আছে "Arif Reza" তাহলে এপ্লিকেশনে দেখাচ্ছে "Arif Reza" । তারপর সেটা এডিট করি । দেখি কোডের সাথে এপ্লিকেশন ইন্টারফেসের কিছু পরিবর্তন আসছে । তারপর গুগলে সার্চ দেই এইচটিএমএল দিয়ে । ওরা আমাকে এইচটিএমএল এর টিউটোরিয়াল ওয়েবসাইট -> w3schools.com এ ঢুকিয়ে দেয় । তারপর ওখান থেকে html শেখা শুরু করি । তারপর শিখি সিএসএস । শিখেই দেখি ওয়েবসাইট বানান যাচ্ছে । তখন আবার ভাইয়া কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ার জন্য পিসি নিয়ে ঢাকা চলে যায় । আমি ফাকা । তবুও শেখা ছাড়িনা । ক্লাস নাইনের বার্ষিক পরীক্ষা দিয়ে ভাইয়ার কাছে এইচটিএমএল এর বাংলা বই চেয়ে মেসেজ পাঠাই । দুই দিনের মাথায় আমার হাতে বই চলে আসে । বইটি আমার লাইফটাকে সম্পুর্ণ বদলে দিয়েছে । সেই বইটি হলঃ-

মাস্টারিং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

লেখকঃ মাহবুবুর রহমান , এ কে এম হাসান



সেই বই পড়ে শিখে ফেলি ->> HTML, CSS, JAVASCRIPT, PHP, SQL এবং XAMPP সম্পর্কে ধারনা পাই ।



তারপর বইটির দ্বিতীয় খন্ড পড়ে জানতে পারি ->> PHP-MySQL , Joomla, Dreamweaver, AJAX, ASP.NET, XML and Joomla



তখনও বাসায় কম্পিউটার নেই । ইতিমধ্যে বাঙ্গলাদেশে "ডোল্যান্সার" নামে একটা ফ্রিল্যান্সিং (পিটিসি) কম্পানী ব্যবসা শুরু করে । আমার বড় ভাইয়া তার সদস্য হয়ে যায় । আয় হয় অনেক । এমনও সময় ছিল যখন ডোল্যান্সার থেকে ভাইয়া দিনে ২০,০০০ টাকাও পেয়েছে । আমিও ডোল্যান্সারকে খুব ভালোবাসতাম । তখন আবার বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার সাইবার ওয়ার সম্পর্কে জানতে পারি ও আমিও হ্যাকিং শেখার জন্য এক ফেসবুকের বড় ভাইয়ার কাছে টিউটোরিয়াল লিংক চাই । উনি "টিউনেরপেজ" নামে একটা সাইটের কথা বললেন । আমি ঢুকলাম । হ্যাকিং শিখে ফেললাম । হঠাত করে ভাইয়া একদিন ডোল্যান্সার থেকে একটা ল্যাপটপ পেয়ে যায় । তার মাস তিনেক পরেই আরেকটা । আমার খুশি দেখে কে । কারন পরেরটা আমার বাসার ঠিকানায় চলে এসেছিল । সেটা থেকেই এখন লিখছি । এখন এটা আমার । যাই হোক, টিউনেরপেজ থেকে একসময় পিটিসি এর আসল ঘটনা জানতে পারি ও ডোল্যান্সারকে অপছন্দ করতে শুরু করি । কিন্তু ভাইয়াকে কিছু বলতাম না । কে জানে কখন ল্যাপটপ নিয়ে নেয় । তারপর একসময় টেকটিউন্স নামের আরেকটা সাইটের সাথে দেখা হয় । সেখান থেকে জানতে পারলাম আসল ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে । তারপর আমার এক আশ্চর্য মুহুর্ত । আরে, আমিতো ওয়েবসাইট বানানোর সব কোডিং জানি । ইতিমধ্যে আবার বিভীষিকা নামে একটা হরর ওয়েবসাইট আমি তৈরী করে ফেলেছি । স্পাম হওয়ার ভয়ে কোনো ওয়েবসাইটের লিংক দিচ্ছি না । কেউ কিছু মনে করবেন না প্লিজ ।



তখন ওডেস্কে একটা একাউন্ট খুলে একাউন্ট ৯০% করে ফেলি । তখনই এপ্লাই করে শুরু করি । ২০১২ সালের আগস্ট মাসে একাউন্ট খুলেছিলাম । কোনো কাজ পাচ্ছিলাম না । তাই, দুইচারদিন পরেই এপ্লাই করা স্টপ করে দেই । তারপর কয়েকদিন এভাবেই গেল । জুলাই মাসের দিকে একটা ব্লগে পড়লাম ওডেস্ক বাঙ্গলাদেশে ওয়ার ট্রান্সফার নাকি যেন চালু করেছে । ওইটা দেখে আবার ওডেস্কের কথা মনে পড়ল । ইতিমধ্যে ডোল্যান্সার Gone । অবশ্য ডোল্যান্সার থেকে অনেক কিছু পেয়েছি সেটা অস্বীকার করতে পারব না । তখন আবার ওডেস্কের একাউন্টটার কথা মনে পড়ল । সেটাতে অনেকদিন পর ঢুকে আরও কয়েকটা জব এ এপ্লাই করলাম । এপ্লিকেশন গুলান তখন ছিল এরকম => " আমি এই কাজ পারব । আমি ওয়েব প্রগ্রামিং জানি । এই কাজটা এই ল্যাঙ্গুএজ দিয়ে এভাবে করতে হবে । তাই কাজটা পেলে খুব ভালোমত করে দিতাম ।" ।



তার তিন-চারদিন পর একটা ইন্টারভিউ পেলাম । ২/ঘন্টা জব এর জন্য । ওয়ার্ডপ্রেস । দীর্ঘ দুইদিন বকবকানীর পর কাজটা পেলাম । অবশ্য কাজটা ডাইরেক্ট পাইনি । বায়ার অন্য একজনকে হায়ার করেছিল, কিন্তু সে বায়ারকে চিট করেছে । তাই পরের বার আমার দিকে কম রেটের জন্য বায়ারের নজর গেছে । আমি ৭ দিনের কাজ ২ দিনে করে দিলাম । বায়ার মহাখুশি । ২৩ ঘন্টা কাজ করে পকেটে ঢুকল মাত্র ৪৬ ডলার । সেইদিনেই আবার ওই বায়ার আরেকটা ওয়েবসাইটের কাজ করতে বলল । আরেকটা থিম বানায় দিতে হবে । এবার ও নিজেই আমার রেট দ্বিগুন করে দিল । মানে চার ডলার পার আওয়ার । এবারেরটা অবশ্য একটু বড় ছিল । কিন্তু মাত্র ৩৬ ঘন্টা টাইম কাউন্ট করেই আমি কাজটে করেদিলাম । বায়ার এবারও মহাখুশি । আবার ৫ ফিডব্যাক দিল । ব্যাস, একাউন্টে জমা হল ২০০ ডলারের মত । তারপর একটা ডিবিবিএল একাউন্ট করে ১৪-১৫ দিন পর আমার প্রথম ওডেস্ক ইনকাম হাতে পেলাম । আমার নিজের ইনকাম । এর আগেও অবশ্য ইনকাম হয়েছে । ক্লাস এইটে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছি । সেটাই ছিল আমার জীবনে প্রথম আয় । এবারেরটা দ্বিতীয় এবং বড় অংকের । তারপর থেকে এখন পর্যন্ত ওডেস্কে মোট ৭ টা প্রজেক্ট কমপ্লিট করেছি ও কয়েকটা এখনও রানিং আছে ।





আরও একটা বড় সংবাদ হল, ওডেস্কের এক বায়ার আমাকে তার কোম্পানী "শাইন" এর জন্য লাইফটাইম জব দিয়েছেন । শাইন এর আন্ডারে একটা সাব-কোম্পানী হল "ইজিযযি" । সেই কোম্পানীর ওয়েবসাইটের মূল প্রোগ্রামার হলাম আমি । ওয়েবসাইট তৈরী ও আজীবনের জন্য এটা মেইনটেইনেন্স আমার হাতে । বায়ার অস্ট্রেলিয়ান । ওনার সাথে মোবাইলে কথা বলে ইন্টারভিউ দিয়েছি । আমার মোবাইল নাম্বার দিয়েছিলাম ও উনি কল করেছিলেন । এই লাইফটাইম জব এর জন্য আমাকে ৭ ডলার / ঘন্টা দিচ্ছেন । আমি বলেছি, সামনে SSC পরীক্ষা । তাই আগামী তিনমাস কাজ করতে পারব না । উনি রিপ্লাইয়ে বলেছেন, "It's okay Arif. Education is most important. Keep your education well and work with ejizzy anytime you can." । এখনও এই জব রানিং আছে ।





এই হল আমার ওডেস্ক বৃত্তান্ত ।



সবশেষে আমার ওডেস্কে করা সব ওয়েবসাইটের লিস্ট দিচ্ছি । এটা স্পাম না । কারন ওয়েবসাইট আমার না । তাই ভিজিট করলে আমার কোনো লাভ নেই । যদি আমার কাজ দেখতে চান কেউ তাই শুধু এটা দিলাম ।

http://www.evalues.com
http://www.wycroc.org
http://www.1960sportsbook.com (mobile version)
http://www.howtospeakenglish.ca
http://www.recipesandproducers.com
http://www.recetasyproductores.co.uk
http://www.ejizzy.com (under moderation by me)(coming soon......)



আমার ওডেস্ক বৃত্তান্ত এখানে তুলে ধরলাম । নতুনদের জন্য উপদেশ একটাই, আমার উল্লেখ করা বই পড়েন । তারপর দেখেন রেজাল্ট । আমি দশম শ্রেণীতে পড়েও যদি এতকিছু করতে পারছি তাহলে আপনি কেন পারবেন না?





ইতিমধ্যে আমি ওডেস্ক থেকে ৪ মাসের জন্য বিরতি নিয়েছি । আমার সব রানিং ক্লায়েন্টকে বলে চার মাসের জন্য ছুটি নিয়েছি । ওনারা সবাই রাজি । কিন্তু একজনের একটা ছোট্ট কাজ ছিল । সেটা কমপ্লিট করে দিলাম । আরেকটা ৫ স্কোর । এখনও আল্লাহর অশেষ রহমতে ৫ ফিডব্যাকএই আছি । একজন ইন্ডিয়ান এর জন্য ৪,৯৮ হয়ে গেছিল । রিফান্ড করে দিয়েছি । এখন আবার ৫ । ধন্যবাদ সবাইকে ।

এই post টা কেমন লাগলো জানাবেন......Outsourcing Help for Bangladeshis
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই দিশেহারা মেঘ কোথায় চলেছে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১২:২৫

এটা আমার নিজের লেখা প্রিয় গানগুলোর একটা। অতীতে অনেক বার চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমার মূল সুরের কাছাকাছি পৌঁছতে পারি নি। এবার সুরটা ধরা পড়েছে ভালোভাবে।



৫টা ভার্সন হয়েছে। ২টা ভার্সনটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংস্কার VS নির্বাচন

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৪২



সোস্যাল মিডিয়ায় এখন ডক্টর ইউনুসের কমপক্ষে পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার পক্ষে জনগন মতামত দিচ্ছে। অন্তবর্তী সরকার এক রক্তক্ষয়ী অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা গ্রহন করেছে। তাই এই সরকারের কাছে মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কী অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য

লিখেছেন হিমন, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৯:৪৫

বাংলাদেশে সাড়ে খোলাফায়ে রাশেদিন- ইউনুসের সরকার আসার পর থেকে আজ অব্দি দেশ নিয়ে এখানে সেখানে যা অনুমান করেছি, তার কোনটিই সত্যিই হয়নি। লজ্জায় একারণে বলা ছেড়ে দিয়েছি। এই যেমন প্রথমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রসঙ্গঃ নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় বাংলাদেশ চ্যাপ্টার.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১০:৫৮

বাংলাদেশ সম্পর্কে নিউইয়র্ক টাইমস এর নিউজটা যথাসময়েই পড়েছিলাম। নিজের মতো করে রিপোর্টের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট লিখতেও শুরু করে ছিলাম। কিন্তু চোখের সমস্যার জন্য বিষয়টা শেষ করতে পারিনি।

এবার দেখা যাক বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই দেশ থেকে রাজনৈতিক অন্ধকার দূর করা যায় কিভাবে?

লিখেছেন গেঁয়ো ভূত, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১০:১৪

রাজনৈতিক অন্ধকার দূর করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চ্যালেঞ্জিং বিষয়, যা দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য। এই সমস্যা সমাধানে দেশের নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল, শিক্ষাব্যবস্থা, এবং প্রশাসনের যৌথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×