পূর্ণচন্দ্র ঠিক সেটে যায় তোমার ভ্রুযুগলের মাঝে,
অর্ধচন্দ্রটাও মিলে যায় তোমার বক্র হাসিতে।
অহংকারী চন্দ্র যদি জানত কারুর এমন সুন্দর মুখের জ্যামিতিক বিন্যাস
রেখা, কোণ কিংবা ব্যাস,
আজীবন হিংসার দাবানলে জ্বলে
নক্ষত্র হয়ে যেত আকাশের এক কোণে।
অথবা লজ্জায় আকাশ হতে
টুপ করে খসে পড়ত নিঃশব্দে।
তখন রাত মানেই নিকষ কালো আধার
কি হত তখন চন্দ্রপ্রেমী প্রেমিক-প্রেমিকার?
আহা! মর্ত্যবাসির কি সুখ,
চাঁদ জানেনা তোমার রূপের কথা, অমন সুশ্রী মুখ।
আমি ঠিক জানি ঐ রূপ
কতশত বহরে যে সাজে
কত তাল তরঙ্গ যে খেলে
ষড়ঋতু যেন তার শরীরে মেলে
প্রজাপতিরা ফুল ভেবে ভুলে বসে।
আর আমি বিরহে পুড়ে পুড়ে আজি
আকাশের বুকে নক্ষত্র হয়ে ধিকি ধিকি জ্বলি।
হায়! এতেও যে আনন্দের ছড়াছড়ি
আমি চাঁদ নই, তবুও তার রূপের বলি!