খুব ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের সাথে কথা বলতে খুব ইচ্ছা হত। যখন একটু বড় হলাম তখন ভাবলাম কথা বলে লাভ নাই একবারে প্রেমই করব। তখন মেয়ে খুঁজতে লাগলাম। কিছু দিন পর চিন্তা করলাম প্রেমই যখন করব তাহলে সুন্দরী মেয়ের সাথেই প্রেম করি। আবার শুরু করলাম সুন্দরী মেয়ে খুঁজা। কিছু দিন পর বুঝলাম সুন্দরী মেয়ে পেতে হলে আমাকে সুনু-পাউডার মাখতে হবে। শুরু করলাম শুনু পাউডার মাখা। সুনু-পাউডার মাখতে মাখতে গালের চামরা চিল্লা পেলাইছি। তখন ভাবলাম, এবার শুধু সুন্দরী মেয়ে হলে চলবেনা, খানদানী-সুন্দরী মেয়ে হতে হবে। তারপর থেকে খুঁজলাম আর খুঁজলাম। কিন্তু সুন্দরী মেয়েতো দুরের কথা কোন মেয়েরই নিশানাই পাইলাম না। এমনকি একটা শিশুও পাই না।
এখন পাগল হয়ে সিন্ধান্ত নিলাম আমার খানদানী-সুন্দরী মাইয়ার দরকার নাই। একটা কালি,কুৎসিত, দের টন ওজনের মহিলাও হলেও চলবে, আর পারতাছিনা।
যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম তখন ভাবতাম কবে পড়া লেখা শেষ হবে করে একটা চাকরি করব। যখন পড়ালেখা শেষের দিকে তখন ভাবলাম যে কোন একটা চাকরি পাইলেই করব। শুরু করলাম চাকরি খুঁজা। যখন একটু রেজাল্ট ভালো করলাম, চাকরিই যখন করব তখন ভাবলাম আজে-বাজে চাকরি না করে একটু মাঝামাঝি ধরনের চাকরির চিন্তা করি। শুরু করলাম মাঝামাঝি ধরনের চাকরির খুঁজা। কিছু দিন পর বুজলাম চাকরিই যখন করব, চাকরির জন্য একটু প্রস্তুতি নেই। প্রস্তুতি নেওয়ার পর ঠিক করলাম, চাকরিই যখন করব খানদানী চাকরিই করব।
তারপর শুরু করলাম খানদানি চাকরি শুরু করা। খুঁখতে খুঁজতে এমন অবস্থা হল খানদানীতো দুরের কথা, চামচামি করার চাকরিও পাই না।
এখন সিন্ধন্ত নিলাম, আমার এখন বহুজাতিক প্রতিষ্টানের চাকরির দরকার নাই সিটি করপারেশনের চাকরি দিলেও করুমু।