somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নমিনেশন!

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথমেই গনতন্ত্রের মানসকন্যা জনগনের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠাতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আয়োজিত দশম সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত সংসদ সদস্যগনের প্রতি আম-জনতার পক্ষ হইতে থাকিলো লাখো-কুটি অভিনন্দন। ইহা দিবালোকের মত সুস্পষ্ট যে এই সকল আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যগনের জনপ্রিয়তা এতটাই উচ্চশিখরে অবস্থিত যে প্রতিদ্বন্দি কেহই আর সাধ করিয়া পরাজয় বরণে আগাইয়া ‍আসেন নাই।

বঙ্গবন্ধুকন্যার অভূতপূর্ব দেশপরিচালনা দেখিয়া হিংসায় জর্জরিত বিরোধীরা নির্বাচন বানচালের হুমকি দিয়াছিল। কিন্তু কথায় রহিয়াছে শকুনের দোয়ায় গরু মরে না। শত্রুর মুখে ছাই দিয়া কোন ধরণের বিঘ্ন ছাড়াই ৫০ শতাংশের অধিক নির্বাচন শন্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হইল। প্রার্থী ও ভোটারদের কোনরূপ কষ্ট না দিয়াই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আর্জিত এই নজিরবিহীন সাফল্যের ১০০ শতাংশ হকদার যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাহাতে কোন সন্দেহ নাই।

বাংলা অভিধানে পরশ্রীকাতরতা বলিয়া একটি শব্দ রহিয়াছে। শুনিয়াছি বাংলা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় এইরুপ কোন শব্দ নাকি নাই। হইতেও পারে। সুতরাং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাফল্যের শ্রী দেখিয়া তাহার হিংসুকরা যে জ্বলিবে ইহাতে আশ্চর্য কি? সহস্র হইলেও উহারা এদেশীয়। কিন্তু অত্র ব্লগের ব্লগারগণও যে হিংসায় জ্বলিবেন উহা এই অধমের নিকট অচিন্তনীয় ছিল! আমি অধম বলিয়া উহারা উত্তম হইবে না কেন?

বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হইবার এই মচ্ছব দেখিয়া অনেক ব্লগার বন্ধু এমন সুযোগ হেলায় হাতছাড়া হইল বলিয়া হা-পিত্যেস করিতেছেন। আগে জানিতে পারিলে তাহারা নাকি হেন-তেন প্রকারে জননেত্রীর নিকট হইতে একখানা নমিনেশন যোগাড় করিতে চেষ্টা করিতেন। নমিনেশন পাইলেই যে কেল্লা ফতে হইত তাহাতে অবশ্য সন্দেহ পোষনের কোন অবকাশ নাই! যাহা হউক, ব্লগারবৃন্দের নমিনেশন যোগাড়ের খায়েশ দেখিয়া একখানা গল্প মনে পড়িয়া গেল। নমিনেশনপ্রত্যাশী ব্লগারবৃন্দ নিম্নে প্রদত্ত এই গল্পটি অবগত আছেন বলিয়া মনে হইতেছে না।

এক অশ্বারোহী ইতস্ততঃ ভ্রমনকালে একস্থানে বিজ্ঞপ্তি দেখিতে পাইল - এইখানে মাত্র একশত টাকা মূল্যে ডিগ্রি বিক্রয় করা হয়। অতিসুলভ বিবেচনায় নিজের লাগিয়া একখানা ডিগ্রি খরিদ করিয়া কিছুদুর অগ্রসর হইবার পর তাহার মনে হইল- এত সস্তা! তাহা হইলে অশ্বের লাগিয়া আরো একখানা লইতে সমস্যা কি? বিক্রেতার নিকট ফিরিয়া স্বীয় মনোবাঞ্ছা ব্যক্ত করিবার পর সে গম্ভীরমুখে তাহাতে অস্বীকৃতি জানাইল, কহিল- অশ্ব নহে, আমরা কেবলমাত্র গর্দভদের নিকটই ডিগ্রি বিক্রয় করিয়া থাকি।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:৩২
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাবেক ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামানের উপর আল-জাজিরা-র অনুসন্ধানী প্রতিবেদন

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ রাত ৯:২৮


ধীরে ধীরে অনেক চোর-বাটপারদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। তবে আল জাজিরা রীতিমত কুমির খুঁজে পেয়েছে। তাদের প্রতিবেদনটি দেখার আমন্ত্রন থাকছে। এরা নাকি দেশ-প্রেমিক, ৭১-এর চেতনাধারী, তাই তেনাদের চেতনার গরমে টেকা যাচ্ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আরাফাতের ড্রাগ তত্ত্ব বিশ্লেষন

লিখেছেন শিশির খান ১৪, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ রাত ৯:৪৭



আওয়ামীলীগের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন আরাফাত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নিহত রংপুরের শহীদ আবু সাঈদের বিষয়ে মন্তব্য করতে যেয়ে বলে “ আন্দোলনকারীদের অনেকে ড্রাগড ছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেশীর ভাগ হিন্দু আওয়ামী লীগে ভোট দেয় বা সমর্থন করে – এই কথাটা কতটা সত্য

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ রাত ১২:৫৯

ভোট কেন্দ্রে গিয়ে কে কাকে ভোট দিচ্ছে এটা জানার কোন উপায় নেই। কারণ প্রকাশ্যে ব্যালট পেপার ব্যালট বাক্সে ফেলা হয় না। যদিও আওয়ামী লীগ আমলে বিভিন্ন সময়ে অনেক কেন্দ্রে বাধ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড: ইউনুস দেশের বড় অংশকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেনি!

লিখেছেন সোনাগাজী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ভোর ৫:২০



ড: ইউনুসের ১ম বদনাম হলো, তিনি 'সুদখোর'; ধর্মীয় কোন লোকজন ইহা পছন্দ করে না; যারা উনার সংস্হা থেকে ঋণ নিয়েছে, তারাও উনাকে সুদের কারণে পছন্দ করে না; ধর্মীয়দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে তো পানি দিতনা মারার আগে। এখন ভাত পানি খাওয়াইয়া মারে।

লিখেছেন আহসানের ব্লগ, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ দুপুর ১২:৫৪


আগে তো পানি দিতনা শেষ নিস্বাশের আগে। এখন ভাত পানি খাওয়াইয়া মারে। আর শামীম মোল্লা ভাইয়ের কপালে অবশ্য অত্যাচার ছাড়া কিছু জোটে নাই। “ভাই আমারে আর মাইরেন না বলে অনুনয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×