কালে কালে বেলা হয়, আর আমার হইছে সইন্ধ্যা। কেমতে কি? মা-বাপরে বুঝাই কেমনে? হেগো কাছে আমি এখনো বিছনায় সুসু করা এখনোও সেই পিচ্চি। "বিয়া!!! ওম্মা পোলা কয় কি?" মুরুব্বিগো আগে মুখ চোঁখ লাল কইর্যা আকার-ইংগিত দিয়াও কোন ফল পাইলাম না। প্রেম তো আমারে দিয়া আর হইলো না। অবশেষে, ইমোশনরে মারে-বাপ বইল্যা মাথা লাগাইলাম। আইডিয়াগুলান আমার কামে আইছে, যাগো দরকার হেরাও টেরাই করবার পারেন।
যা করবেন-
১। মা-বাবা ভালো করে চেনে এমন কোন ঘনিষ্ট বন্ধুর ছেলের সুন্নতে খাৎনা অনুষ্ঠান সামনে। কি গিফট দেওয়া যায় বা উচিত এই নিয়ে ভাবগম্ভীর মুডে তাদের সাথে নাতিদীর্ঘ আলোচনা করুন। বিয়ে করেছে এমন বন্ধুদের ছুটির দিনে তাদের পরিবারসহ দাওয়াত দিন।
২। জাস্ট একদিন দুই রাতের জন্য অফিসের কাজে বাইরে যাবার ভাব দেখান। তারা এটাকে অন্য কিছু মনে করবেই। টুরিজ্যম চলাকালীন সময়ে রাতের দিকে বাপ-মায়ের ফোন এভোয়েড করুন।
৩। রাত জেগে কম্পিউটারে বা টিভিতে স্বল্পকালীন মুভ্যি দেখুন। আওয়াজ থাকবে অত্যন্ত হালকা। ঘরের বাইরে থেকে যেন বোঝা যায় আপনি কম্পিউটারে বা টিভিতে কিছু একটা লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছেন। কিন্তু কি দেখছেন, ধরা পড়া চলবে না।
৪। শুধু শুধু কারণেই হোক বা সত্যি সত্যি মোবাইলে মাত্রার চেয়েও ফিস ফিস করে কথা বলুন। আজকে এক নারী নাম, কালকে আরেক নামে একটু গলা উচিয়ে বলে আবারও চুপিচুপি চুলবুলি।
৫। মুরুব্বি টাইপ পাবলিক বাসায় এলে ঢাক ঢোল দিয়ে প্রচার করুন, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কত ভালো চাকরী করেন। এবং একস্ট্রা সালাম শ্রদ্ধা জারি রাখুন।
৬। ট্রাফিক জ্যামের মতন বড় ভাই বা বোন থাকলে তাদের ব্যবস্হা আগে করে নিন।
৭। আপাতত পাকা চুল কালো করার কোন দরকার নেই।
৮। বিয়ে বা সামাজিকভাবে পাবলিক গ্যাদারিং হয় এমন জায়গায় হিরোটাইপ এটিচিউড রাখুন।
৯। ভূড়ি বানানোর দিকে নজর দিন। আজকালের শ্বশুররা তাদের মেয়ের জামাইদের ভূড়ি খুব পছন্দ করে। পরে, না হইলে ডায়েট কইর্যা নিয়েন, বস।

