অনেক শব্দ। তবে শব্দটা বিরক্তিকর নয় বরং স্বস্থিদায়ক। সাগরের গর্জনের শব্দ যে। খোলা একটা বড় জানালা। বিকেলের আলোটা একটু মিইয়ে গেছে তবে যা আছে তাতে আকাশটা অদ্ভুত একটা রঙ ধারণ করেছে। আগে যখন একটু আধটু ছবি আকতাম, তখন অনেক চেষ্টা করেও ঐ রঙটা আনতে পারিনি। তাই এই রঙ দেখলে আমার শুধুই দেখতে ইচ্ছে করে। আচমকাই কিছু চুল আমার মুখটাকে আটকে ফেললো। তোমার খোলা চুলে বাতাসের হুটুপুটি --- আর একটা রঙের জন্ম দিলো আমার মনে। পিছন থেকে তুমি জড়িয়ে ধরে আছো, আমি যতই বলছি একটু সামনে আসো তোমায় একটু দেখি, ততই তুমি আমাকে আরো শক্ত করে পিছনে ধরে রেখেছো। বলছো, "তোমার ঐ রঙটাকে আমি ভলোবাসিনা --- ওটা দেখলে আমার মনে হ্য়, তুমি আমাকে না ঐ রঙটাকে ভালোবাসো বেশি।" আমি মনে মনে হাসি। তুমি জানোনা তুমি আমার কোন রঙ। ঐ রঙটার জীবন থাকলে তোমাকে হিংসা করতো। বলতো, "তোমাকে কেউ এতো ভালোবাসে কি করে?"
পুনশ্চ: এই গল্প বা স্বপ্ন (যাই বলিনা কেন) আমার লিখা না। গভীর ভালোবাসায় কোনো একটা ছেলে তার ভালোবাসার মানুষটাকে, যাকে সে 'ছোট্ট পরী' বলে ডাকে, সেই মেয়েটাকে, একটা চিঠিতে লিখেছিলো। সেই চিঠি পড়ে মেয়েটার চোখে পানি চলে এসেছিলো। আজ আমি সবার জন্য স্বপ্নটা লিখে দিলাম।