নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
"সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে"
নোবেল পুরষ্কারের ১১৮ বছরের ইতিহাসে মাত্র ৩য় মহিলা হিসাবে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে নোবেল পুরষ্কার অর্জন করলেন কানাডার University of Waterloo এর পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড।
সৌভাগ্যক্রমে ওয়াটারলু আমার সাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ে; মানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া-লেখা করার সময় আমার অফিস রুম ও গবেষণাগারের পাশে যে একজন ভবিষ্যৎ নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী পদার্থ বিজ্ঞানীর অফিস ও গবেষণাগার ছিলও কোন দিনও জানতে পারি নি। আমার বিশ্বাস ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার কোন দিন ভাবেনি ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড নামে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের একজন সহযোগী অধ্যাপক নোবেল পুরষ্কার অর্জন করবে। ভাবলে এত দিনে তাকে পূর্ণ অধ্যাপকক হিসাবে প্রোমোশন দিতো।
ছোটবেলায় পড়েছিলাম চিনের দুঃখ হোয়াংহো নদী; আর মিশরের দুঃখ নীল নদ তেমনি ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক ছাত্র-ছাত্রীদের দুঃখ ছিলও নোবেল পুরষ্কারের লিস্টে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম না দেখা; বিশেষ করে কানাডার শীর্ষস্থানীয় ৭ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হিসাবে। ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন আমার প্রথম অফিস ছিলও পদার্থ বিজ্ঞান ভবনের ২২০ নম্বর রুম।পদার্থ বিজ্ঞানী ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের অফিস রুম নম্বর হলও ২৫২। প্রতিনিয়ত দেখা হতো বিল্ডিং এর করিডোরে। আমার অফিস রুমের সমানে দিয়ে নিজের অফিস রুমে যেতো; আর তার অফিস রুমের সামনে দিয়ে আমার অফিস রুমে যেতাম।
ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কয়েকজন বৈজ্ঞানিককে ভবিষ্যৎ নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী হিসাবে মনে করা হয় বৈজ্ঞানিক ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড তাদের লিস্টে ছিলেন না। বেশিভাগ বিজ্ঞানী নোবেল পুরষ্কার বিজয়ের অনেক পূর্বে থেকেই বিখ্যাত অধ্যাপক হয়ে থাকেন নিজ-নিজ ফিল্ডে। এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী বলা চলে ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড। ১৯৮৫ সালে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করার পর থেকই অধ্যাপনা করছেন এর পরেও পূর্ণ অধ্যাপক হিসাবে প্রোমোশন পান নি। ভৌত বিজ্ঞান বিষয়ে লিঙ্গ ও বর্ণ বৈষম্যের অভিযোগ অনেক পুরনো। পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রথম নোবেল পুষ্কার বিজয়ী মহিলা বিজ্ঞানী মেরি কুরি নিজ দেশ পোল্যান্ডে পিএইচডি ডিগ্রীর জন্য পড়া-লেখা করতে পারেন নি। ভৌত বিজ্ঞান বিষয়ে লিঙ্গ বৈষম্য কেমন তার প্রমাণ সর্বশেষ কোন মহিলা পদার্থ বৈজ্ঞানিকের নোবেল পুরষ্কার বিজয়ের ৫৫ বছর পরে ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের নোবেল পুষ্কার অর্জন।
ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের জন্ম তার বর্তমান কর্মস্থল ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরের গুয়েলফ শহরে। পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স ডিগ্রী অর্জন করেছেন নিজের জন্মস্হল থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরের অবস্থিত কানাডার বিখ্যাত ম্যাক-মাস্টার বিশ্ববিদ্যালয় হতে।এর পরে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন আমেরিকার নিউইয়র্ক রাজ্যের রচেষ্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পিএইচডি গবেষণার সুপারভাইজার ছিলেন বৈজ্ঞানিক জেরার্ড মৌরু।
ছবি: ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড ও পিএইচডি গবেষণার সুপারভাইজার বৈজ্ঞানিক জেরার্ড মৌরু।
ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড যে আবিষ্কারের জন্য পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে ২০১৮ সালের নোবেল পুরষ্কার অর্জন করলো সেই আবিষ্কার করেছেন পিএইচডি গবেষণার সময়। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলও বৈজ্ঞানিক ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের জীবনের প্রথম বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধটির জন্যই ২০১৮ সালের নোবেল পুরষ্কার অর্জন।
পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে ২০১৮ সালে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন ৩ জন বৈজ্ঞানিক। ১ জন কানাডার, ১ জন আমেরিকার ও অন্যজন ফ্রান্সে নাগরিক। ফ্রান্সের যে বৈজ্ঞানিক নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন তিনি হলেন বৈজ্ঞানিক ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের পিএইচডি গবেষণার সুপারভাইজার বৈজ্ঞানিক জেরার্ড মৌরু। পদার্থ বিজ্ঞানের নোবেল পুরষ্কারের অর্ধেক অর্থ পাবেন আমেরিকান অধ্যাপক ও অবশিষ্ট অর্ধেক অর্থ সমান ভাবে পাবেন ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড ও তার পিএইচডি গবেষণার সুপারভাইজার।
এবারে জানা যাক কি সেই আবিষ্কার যার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত পুরষ্কার অর্জন:
বৈজ্ঞানিক ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড ও তার পিএইচডি সুপারভাইজার লেজার বিষয়ে গবেষণা করে একটি শক্তিশালী লেজার আবিষ্কার করেছেন যা আজ সারা পৃথিবী ব্যাপী মানবকল্যনে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা প্রিন্টিং এর জন্য যে লেজার প্রিন্টার ব্যবহার করি তা ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের গবেষণার ফলাফল। চিকিৎসার জন্য যে বিভিন্ন প্রকার লেজার ব্যবহার করা হয় যেমন রক্ত-পাত হীন ভাবে চোখের ছানির (চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ক্যাটারাক্ট) অপারেশন; লেজারের মাধ্যমে চর্ম ক্যান্সার নিরাময় ইত্যাদি। বৈজ্ঞানিক ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের যুগান্ত করি আবিষ্কারের মহত্ন । নিম্নে বৈজ্ঞানিক ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের জীবনের প্রথম বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ যার জন্য ২০১৮ সালে নোবেল পুরষ্কার অর্জন সেই প্রবন্ধটির সেই প্রবন্ধটির দৈর্ঘ্য মাত্র ৩ পৃষ্টা। প্রবন্ধটির ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলো : COMPRESSION OF AMPLIFIED CHIRPED OPTICAL PULSES
লেজার লাইট প্রযুক্তি আবিষ্কার হয়েছিল ১৯৬০ সালের দিকে। কিন্ত ১৯৮৫ সালের পূর্বে লেজার লাইট মানব কল্যাণে ব্যব হার করা যাচ্ছিল না ব্যাপক ভাবে কারণ উদ্ভাবিত লেজার লাইটের শক্তি ও তীব্রতা ছিলও খুবই কম। ১৯৮৫ সালে লেজার লাইট নিয়ে যে প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন ডোনা ও তার সুপারভাইজার সেই প্রযুক্তির নাম Chirped Pulse Amplification বা সংক্ষেপে CPA। নিম্নে একটা চিত্র যুক্ত করা হলও যা দেখে বুঝা যাবে ডোনা ও তার সুপারভাইজার এর আবিষ্কৃত প্রযুক্তি সম্বন্ধে।
ছবি কৃতজ্ঞতা: ভক্স সংবাদ মাধ্যম
CPA প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পর থেকে লেজার লাইটের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় (নিচে সংযুক্ত গ্রাফ দেখুন)।
ছবি কৃতজ্ঞতা: ভক্স সংবাদ মাধ্যম
অভিনন্দন বৈজ্ঞানিক Donna Strickland ও ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়।
অভিনন্দন বৈজ্ঞানিক জেরার্ড মৌরু । বর্তমানে ফ্রান্সে গবেষনারত। বয়স ৭৪ বছর।
অভিনন্দন বৈজ্ঞানিক অর্থার অসকিন । আমেরিকার বিখ্যাত বেল ল্যবরেটরিতে কর্মরত ও বর্তমানে অবসর প্রাপ্ত। বয়স ২ বছর কম ১০০ বছর।
******************* পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার ও লিঙ্গ বৈষম্য *********************
পদার্থবিজ্ঞানে বেশ কয়েকজন মহিলা বৈজ্ঞানিকের নোবেল পুরষ্কার পাওয়া উচিত ছিলও বলে বৈজ্ঞানিকদের মধ্যে ঐকমত আছে বা ছিলও; কিন্তু তারা পান নি। শুনে অনেকেই অবাক হবেন যে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রথম মহিলা হিসাবে নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত মেরি কুরি এর নাম ছিলও না পুরষ্কারের লিস্টে প্রথম দিকে। লিস্টে ছিলও তার স্বামী পিয়েরই কুরি ও হেনরি বেকোরেল নামক একজন বৈজ্ঞানিকের নাম। পিয়েরি কুরি নোবেল কমিটির কাছে চিঠি লিখে জানান যে আবিষ্কারের জন্য আমাকে নোবেল পুরষ্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে সেই কাজটি আমি যৌথ ভাবে করেছি আমার স্ত্রী মেরি কুরি এর সাথে। এই আবিষ্কারের কৃতিত্বের দাবিদার একই ভাবে মেরি কুরিও। সুতরাং নোবেল কমিটি যদি মেরি কুরিকে এই পুরষ্কারের জন্য মনোনীত না করে তবে আমি এই পুরষ্কার নেবো না। অতঃপর নোবেল কমিটি মেরি কুরিকে অন্তর্ভুক্ত করেন ১৯০৩ সালের পদার্থ বিজ্ঞানের পুরষ্কার প্রাপ্তদের দলে। যদিও পরবর্তীতে মেরি কুরি রসায়ন বিদ্যায়ও নোবেল পুরষ্কার পান নোবেল পুরষ্কারের ইতিহাসে একমাত্র বৈজ্ঞানিক যিনি একবার পদার্থ বিদ্যায় ও একবার রসায়ন বিদ্যায় নোবেল পুরষ্কার পান। শুধু তাই না, মেরি কুরির মেয়ে ও মেয়ের জামাইও রসায়ন বিদ্যায় নোবেল পুরষ্কার পান। অর্থাৎ এক পরিবারে ৪ জন নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক।
পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার বঞ্চিত মহিলা বৈজ্ঞানিকদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বৈজ্ঞানিকের নাম হলও ভেরা রুবিন যিনি ২০১৬ সালে মৃত্যু বরন করেন। বর্তমানে নোবেল পুরষ্কার শুধুমাত্র জীবিত বৈজ্ঞানিকদের মধ্য হতেই দেওয়া হয়। মৃত বৈজ্ঞানিকের আবিষ্কার যত বড়ই হউক না কেন তা নোবেল পুরষ্কারের জন্য বিবেচিত হবে না। বৈজ্ঞানিক ভেরা রুবিন "ডার্ক ম্যাটার" নামক অদৃশ্য এক বস্তু আবিষ্কার করেছেন। বৈজ্ঞানিকরা মনে করেন মহাবিশ্বের ৪ ভাগের ১ ভাগ পদার্থ হলও ডার্ক ম্যাটার।
পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার বঞ্চিত মহিলা বৈজ্ঞানিকদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বৈজ্ঞানিকের নাম হলও জোসিলিন বেল বার্নেল। যিনি "পালসার (a fast-spinning neutron star that emits a bright beam of energy.)" নামক একটি বস্তু আবিষ্কার করেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণার ছাত্রী হিসাবে। যে আবিষ্কারের জন্য ১৯৭৪ সালে নোবেল পুরষ্কার দেওয়া হয় জোসিলিন বেল বার্নেল এর পিএইচডি গবেষণার সুপারভাইজার ও অন্য একজন বৈজ্ঞানিককে সাথে বঞ্চিত করা হয় জোসিলিন বেল বার্নেলকে।
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:০৫
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপনার সাথে একমত। ভৌত বিজ্ঞান গবেষনায় এখনও অনেক বৈষম্য রয়েছে। যেমন: পুরুষ-মহিলা, সাদা-কালো ইত্যাদি। মহিলা মানুষ পদার্থবিজ্ঞান বুঝে না এই কথা এখনও প্রচলিত। এই বিষয়টা হয়ত কাজ করে। তা না হলে ১১৮ বছরের ইতিহাসে মাত্র ৩ জন মহিলা নোবেল পুরষ্কারের ভূষিত হবে কেন?
২| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৩:১৯
নতুন বলেছেন: আমাদের দেশে কবে গবেষনার পেছনে সরকার বিনিয়োগ করবে এবং আমাদের ছেলে/মেয়েরা একদিন নোবেল পাবে তাদের কাজের জন্য।
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:১০
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
বেসিক সইন্স গবেষনায় অর্থায়ন খুবই গুরুত্বপূর্ন। যেহেতু বেসিক সাইন্স গবেষনা দ্রুত ফলাফল দেয় না তাই বানিজ্যিক অর্থায়ন খুবই কম হয়। এই জন্য দেখা যায় উন্নত দেশ ছাড়া অন্যান্য দেশ গুলো গবেষনায় অর্থায়ন করে খুবই কম। সরকার যাও বা অর্থায়ন করে তা গবেষনা কাজে ব্যবহার করা হয় আরও কম। অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় যে গবেষনা টাকা দিয়ে আমাদের দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কাজে ব্যবহার করেছে।
৩| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৪:৪১
চাঁদগাজী বলেছেন:
লেখার ষ্টাইল ঠিক নেই, লেখাকে আকর্ষণীয় করার চেষ্টা করেন।
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:১৯
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপনার মন্তব্য শুনে মনে হচ্ছে লেখাটা লিখতে হবে একদা বাংলা সিনেমার নাম অনুসরণ করে: পালাবি কোথায়? যাবি কই? পারলে ঠেকা?
আপনি যদি স্টাইলটা একটু শিখিয়ে দেন তবে আগামী লেখাগুলো হতে চেষ্টা করা যেতে পারে।
তবে চটকদার লেখা নিয়ে প্রমথ চৌধুরী তার "সাহিত্যে খেলা" প্রবন্ধ হতে একটা উক্তি আমার খুবই পছন্দ: "বৈশ্য লেখকের পক্ষেই শুদ্র পাঠকের মনোরঞ্জন করা সংগত।"
৪| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:১৪
সনেট কবি বলেছেন: তাঁর জন্য শুভেচ্ছা।
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:১৯
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ।
৫| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: এবার কি সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হবে না?
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:২০
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
দেওয়া হবে না এই রকম কোন সংবাদ এখনও চোখে পড়েনি।
৬| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:২০
আরজু পনি বলেছেন: পত্রিকা পড়ে আমি ভাবছিলাম পদার্থ বিজ্ঞানে মেয়েরাকি তবে পিছিয়ে আছে? নাকি পিছিয়ে রাখা হয়েছে। আপনার পোস্ট থেকে তেমন আভাসই পেলাম। আশাকরি পরবর্তীতে এই পিছিয়ে রাখার বিস্তারিত একটা পোস্ট পাবো।
তবে পদার্থে কোন নারীকে নোবেল পেতে দেখে বেশি ভালো লাগছে।
আশাকরি আরো ৪০ বছরের মধ্যে আবার কোন নারী নোবেল পাবে। সে বাঙলাদেশীও হতে পারে
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:০৪
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপু আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। পদার্থবিজ্ঞানে বেশ কয়েকজন মহিলা বৈজ্ঞানিকের নোবেল পুরষ্কার পাওয়া উচিত ছিলও বলে বৈজ্ঞানিকদের মধ্যে ঐকমত আছে বা ছিলও; কিন্তু তারা পান নি। আপনি শুনে অবাক হবেন যে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রথম মহিলা হিসাবে নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত মেরি কুরি এর নাম ছিলও না পুরষ্কারের লিস্টে। লিস্টে ছিলও তার স্বামী পিয়েরি কুরি ও হেনরি বেকোরেল নামক একজন বৈজ্ঞানিকের নাম। পিয়েরি কুরি নোবেল কমিটির কাছে চিঠি লিখে বলেছেন যে আবিষ্কারের জন্য আমাকে নোবেল পুরষ্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে সেই কাজটি আমি যৌথ ভাবে করেছি আমার স্ত্রী মেরি কুরি এর সাতে। এই আবিষ্কারের কৃতিত্ব একই ভাবে মেরি কুরিও। সুতরাং যদি নোবেল কমিটি যদি মেরি কুরিকে এই পুরষ্কারের জন্য মনোনীত না করে তবে আমি এই পুরষ্কার নেবো না। অতঃপর নোবেল কমিটি মেরি কুরিকে অন্তর্ভুক্ত করেন ১৯০৩ সালের পদার্থ বিজ্ঞানের পুরষ্কার প্রাপ্তদের দলে। যদিও পরবর্তীতে মেরি কুরি রসায়ন বিদ্যায়ও নোবেল পুরষ্কার পান নোবেল পুরষ্কারের ইতিহাসে একমাত্র বৈজ্ঞানিক যিনি একবার পদার্থ বিদ্যায় ও একবার রসায়ন বিদ্যায় নোবেল পুরষ্কার পান।
শুধু তাই না, মেরি কুরির মেয়ে ও মেয়ের জামাইও রসায়ন বিদ্যায় নোবেল পুরষ্কার পান। অর্থাৎ এক পরিবারে ৪ জন নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক।
৭| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৪১
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কষ্ট হয়, দু:খ হয়, যাতনারা কুড়ে কুড়ে খায়!
আমাদের শিক্ষকগণ সাদা নীলে ব্যস্ত!
জিজ্ঞেস করলে হয়তো এবারের নোবেল জয়ীদের নামও তাৎক্ষনিক বলতে পারবে না!!!
হায় কোথায় দুনিয়া! কোথায় আমাদের নীতিনির্ধারকরা!
পোষ্টে ++++++++++
৮| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:০৯
আরজু পনি বলেছেন: মেরি কুরির পবিরারের কাহিনি জানি। তবে তাকে যে প্রথমে বাদ দেয়া হয়েছিল এটা জানানোর জন্যে ধন্যবাদ।
৯| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:১৪
সেলিম আনোয়ার বলেছেন: এটা পড়ে বাংলাদেশের মেয়ে গবেষকগণ উৎসাহিত হোক। মেয়েরাও পারেন।
১০| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:২১
শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: অভিনন্দন রইল।।
১১| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৬
ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আপনার লেখাটি ভালো লাগলো
মারয়াম মির্জাখানি তো ১৭তে মারা গেলেন। তাকে নিয়ে কিছু লিখেছিলেন কখনো? না লিখলে লিখতে পারেন, ব্লগবাসী জানলো!
১২| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৩
আখেনাটেন বলেছেন: উনি পূর্ণ অধ্যাপকে উন্নিত হতে না পারার কারণ কি?
আপনার ইউনি এবারের লিস্টে অাসায় অভিনন্দন।
১৩| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৫:০৫
ওসেল মাহমুদ বলেছেন: মানব কল্যাণে যে কাজে লাগে এমন গবেষণা লব্ধ আবিস্কার কে বেছে নিয়ে নোবেল দেয়া হলে (রাজনীতি নয়,যেমন সু চি র নোবেল ) ভালো লাগে ! প্রফেসর ডোনা কে শুভেচ্ছা ! আপনার জন্যে ও শুভকামনা !
১৪| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:০৭
আফসানা মারিয়া বলেছেন: যে এগিয়ে যাবার তাকে কেউ আটকাতে পারে না। মেরি কুরি আর ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড এর জ্বলন্ত উদাহরণ। ধন্যবাদ ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডকে লেজার এর আবিষ্কারকে ত্বরান্বিত করার জন্য।
১৫| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৪১
সাহিদুর রহমান তুর্য বলেছেন: আপনার মন্তব্য শুনে মনে হচ্ছে লেখাটা লিখতে হবে একদা বাংলা সিনেমার নাম অনুসরণ করে: পালাবি কোথায়? যাবি কই? পারলে ঠেকা?
ভাই একটু হাসি????
১৬| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯
আতোয়ার রহমান বাংলা বলেছেন: ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড এর জন্য শুভকামনা আর এই অজানা তথ্য গুলো শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
১৭| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২২
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: পুরস্কারই সব নয়। উনারা মহান ব্যক্তি।
মানব জাতির অনেক কল্যাণ করেছেন।
১৮| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫১
অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:
আমার মনে হয় গবেষনার ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে যেতে চায় না কারন সঠিক মুল্যায়ন হয় না তাই । সঠিক মুল্যায়ন হলে মেয়েরাও এগিয়ে আসত । আর এখানে বৈশম্য বেশি হয় ।
১৯| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২৬
পলাশবাবা বলেছেন: "বৈশ্য লেখকের পক্ষেই শুদ্র পাঠকের মনোরঞ্জন করা সংগত।" হা হা হা
যাই হোক মেরি কুরির মেয়ের নাম জুলিয়ট কুরি।
ভাল লেগেছে আপনার লেখাটা ।
একটা লেখায় পড়েছিলাম নোবেল প্রাইজ পিএইচডি রিসার্চ স্টুডেন্ট দের দেয়া হয় না। এক্ষেত্রে টিম লিডার ও সুপারভাইজাররা পুরুষ্কার পান। সেজন্য জোসেলিন নোবেল পাননি। তবে এবছরের সেপ্টেম্বরে উনি ৩ মিলিয়ন ডলার প্রাইজমানির ব্রেকথ্রু প্রাইজ পেয়েছেন।
২০| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৫২
বিবেকবান জড় বলেছেন: ভালো লাগলো।অজানা অনেক কিছুই জানলাম।পোস্ট প্রিয়তে
©somewhere in net ltd.
১| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ রাত ২:৫৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এত দিনে তাকে পূর্ণ অধ্যাপক হিসাবে প্রোমোশন দিতো।
আমাদের সমস্যা এখানেই,
সময় থাকতে সময়ের মূল্য আমরা দিতে পারিনা ।