অসঙ্গতি নং ১ - র্যাপ ফুলিশ আলিশান সামিয়ানার নিচে শুইয়া শুইয়া টহল! দিতেছে আর যাত্রীরা গনশৌচাগারে বসিয়া বাসের জন্য অপেক্ষা করিতেছে !! ( গাবতলীর ফুটপাথকে গনশৌচাগার বলাই মার্জিত হইবে !!)



অসঙ্গতি নং ২ - পুলিশ মামুরা বিশাল ভূড়ি ঠেলে দিয়ে চেয়ারে বসে আছেন আর ফুলিশ মামুরা নির্বিগ্নে তাঁদের সহী কর্ম সাধন করিতেছে

অসঙ্গতি নং ৩ - রাস্তায় দিক-বিদ্বিক পিপিলিকার ন্যায় মানুষ চলাচল করিতেছে , যেকোনো সময় ২-৪ পিস পিষ্ট হইতে পারে .. কারো কোনো নিয়ন্ত্রন নাই !

অসঙ্গতি নং ৪ - যে বাস গুলো মিরপুর টু মতিঝিল ঠিক মত চলতে পারে না .. দুই কদম ফেলাইতেই চাক্কা ভচকায়ে যায় ..... সেই বাস গুলো ঢাক টু বগুড়া সানন্দে! চলাচল করিতেছে .. আইয়ে বগরা বগরা .... ( হেলপারের এহেন ডাক শুনিয়া মনে হইতেছে যেন সে মিরপুর টু ফার্মগেইট যাইবে! )

অসঙ্গতি নং ৫ - বিলাস বহুল বাসের শিডিউল ঠিক নাই ... এবং যথারীতি যাত্রীদের সাথে দূরব্যবহার ...ঠেলা ঠেলী .. ঘুতা ঘুতি .....

অসঙ্গতি নং ৬ - যথারীতি দানবাকৃতি ট্রাকগুলো খেটে খাওয়া মানুষের বিলাস বহুল বাসে পরিনত হইয়াছে .... ( য্যামনে হাত পাও ছড়ায়ে বসে বসে বিড়ি ফুকতেছে ...!! )

অসঙ্গতি নং ৭ - যে পরিমান মানুষ ঢাকা ছাড়তেছে তার ৫০ ভাগ মানুষকেও যদি বিকেন্দ্রিয়করনের মাধ্যমে তাদের নিজ জেলায় কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়া যেত , তাহলে আজ ঢাকার এই হাল হতো না ..

অসঙ্গতি নং ৮ - এই নোটে কমেন্টে তেমন একটা আসিবে না ... কারন এই নোটে কমেন্ট করার মতো কোনো উপাদান নেই


অসঙ্গতি নং ৯ - এত অসঙ্গতি অনুধাবন করার পর, বোধ করি নিজের সঙ্গতি আর জায়গামত নেই ........




