নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাসনাতের বয়ানে সেনাবাহিনীর প্রস্তাব নিয়ে উত্তপ্ত রাজনীতি, সেনা সদরের অস্বীকার

২৪ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১:০১

হাসনাতের বয়ানে সেনাবাহিনীর প্রস্তাব নিয়ে উত্তপ্ত রাজনীতি, সেনা সদরের অস্বীকার

ছবি: অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ সম্প্রতি দাবি করেছেন যে, সেনাবাহিনী আওয়ামী লীগের একটি 'সংশোধিত' অংশকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসন করার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে সেনা সদর দপ্তর এই দাবিকে 'হাস্যকর ও অপরিপক্ব গল্প' হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকটি হাসনাত আব্দুল্লাহ ও তার সহকর্মীদের আগ্রহে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেখানে কোনো প্রস্তাব বা চাপ প্রয়োগ করা হয়নি। এই ঘটনার ফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির মধ্যেও মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে দলের অন্য নেতারা হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্যের সাথে একমত নন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে তার সাক্ষাতের বিস্তারিত গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, যা নিঃসন্দেহে একটি অসতর্ক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পদক্ষেপ। সেনাবাহিনী একটি সংবেদনশীল ও পেশাদার প্রতিষ্ঠান, এবং এর কর্মকাণ্ড ও আলোচনা সাধারণত গোপনীয়তার মধ্যে রাখা প্রয়োজন। এমন তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। তাদের কাজের মধ্যে গোপনীয়তা ও কূটনৈতিক সতর্কতা অপরিহার্য। হাসনাত আব্দুল্লাহর এই মন্তব্যের মাধ্যমে শুধুমাত্র সেনাবাহিনীকেই জনগণের সমালোচনার মুখে ঠেলে দেওয়া হয়নি, বরং দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার উপরও প্রশ্ন উঠেছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে আমাদের সবারই সচেতন থাকা উচিত, বিশেষ করে দেশের নিরাপত্তা ও সংবেদনশীল বিষয়গুলো নিয়ে। দেশের স্বার্থে এমন তথ্য গোপন রাখা উচিত, যা দেশের স্থিতিশীলতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। হাসনাত আব্দুল্লাহর এই পদক্ষেপ থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো গণমাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত নয়।

এই ঘটনা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, দেশের নিরাপত্তা এবং সংবেদনশীল বিষয়গুলো সর্বদা গোপন রাখতে হবে। সেগুলো গণমাধ্যমে প্রকাশ করার আগে তার গুরুত্ব এবং সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে আমাদের সচেতন থাকা উচিত। দেশের স্বার্থে, আমাদের সকলকে দায়িত্বশীল ও সতর্ক হতে হবে। সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যদি এমন প্রস্তাব দিয়েও থাকেন, তা এইভাবে প্রকাশ না করে ভিন্ন উপায়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলে দেশের বর্তমান টালমাটাল অবস্থার প্রেক্ষিতে সেটাই প্রজ্ঞাপূর্ণ হতো বলে প্রতীয়মান হয়।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১:৫৪

মায়াস্পর্শ বলেছেন: হাসিনার বোন জামায় আর ভারতের দালাদের সুন্দর একটা পরিকল্পনা দেশবাসীর কাছে উন্মুক্ত করার জন্য প্রথমেই হাসনাত আব্দুল্লাকে ধন্যবাদ। তথ্য প্রকাশ করাকে হুমকি হিসেবে দেখার কারণ কি কি ?
এই তথ্য প্রকাশ করার জন্য দেশ আওয়ামী পুনর্বাসনের প্রথম ধাপ থেকে রক্ষা পেয়েছে বলে আমি মনে করি। দ্বিতীয়বার ওয়াকারের মতো যেসব হুমকিরা বসে আছে তারা একটু হলেও ভাববে।

২৪ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৯:৪১

নতুন নকিব বলেছেন:



মূল্যবান মতামত প্রকাশের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তথ্য প্রকাশকে হুমকি হিসেবে দেখার কারণ হতে পারে:

ক্ষমতা ও স্বার্থ রক্ষা – কিছু গোষ্ঠী বা ব্যক্তি তাদের স্বার্থ রক্ষায় তথ্য গোপন রাখতে চায়।

রাজনৈতিক প্রভাব – তথ্য ফাঁস হলে কোনো দলের জনপ্রিয়তা কমতে পারে।

নিরাপত্তা ও আইনগত কারণ – কিছু তথ্য জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সংবেদনশীল হতে পারে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিশোধ – প্রতিপক্ষরা একে অপরের বিরুদ্ধে তথ্য ফাঁসকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

এই তথ্য প্রকাশ করার জন্য দেশ আওয়ামী পুনর্বাসনের প্রথম ধাপ থেকে রক্ষা পেয়েছে বলে আমি মনে করি। দ্বিতীয়বার ওয়াকারের মতো যেসব হুমকিরা বসে আছে তারা একটু হলেও ভাববে।

-আপনার এই বক্তব্যে সহমত।

২| ২৪ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ২:১৩

আহলান বলেছেন: আমি সেনা সদরকে বিণীত ভাবে অনুরোধ করবো তাদের আশ্রয়ে থাকা আওয়ামিলীগ এর নেতা নেতৃবৃন্দকে আইনের হাতে সোপর্দ করুন। তাতে জনগন আপনাদেরকে আরো ভালো বাসা দেবে। হাসানাতকে ভুল প্রমাণের এটাই মোক্ষম সুযোগ .... নেবে নাকি সুযোগটা ..বিলক্ষণ ...সেনা সদর কখনোই এটা করবে বলে মনে হয় না।

২৪ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৯:৪৬

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার আহবান যুক্তিযুক্ত। সহমত পোষন করছি। তবে এটি যেহেতু একটি রাজনৈতিক ও সংবেদনশীল বিষয় সেহেতু সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে কিনা তা তাদের নীতি ও পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তবে বাস্তবে তারা এই অনুরোধ গ্রহণ করবে কিনা, তা অনিশ্চিত। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তাদের এটা করা উচিত বলে মনে করি।

মূল্যবান মতামতের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৩| ২৪ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ২:২৪

শেরজা তপন বলেছেন: ''সেনাবাহিনী একটি সংবেদনশীল ও পেশাদার প্রতিষ্ঠান, এবং এর কর্মকাণ্ড ও আলোচনা সাধারণত গোপনীয়তার মধ্যে রাখা প্রয়োজন। হাসনাত আব্দুল্লাহর এই পদক্ষেপ থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো গণমাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত নয়।''
আমি আপনার সাথে একমত নই। এটা সংবেদনশীল ঠিক আছে কিন্তু দেশের জনগণ এসব জানার অধিকার রাখে। সাংবাদিক কামাল, জাহেদ' দের মত আপনি যেসব স্পর্শকাতর গোপনীয় বিষয়ের কথা বলছেন ওগুলো অন্য জিনিস।

২৪ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৯:৪৯

নতুন নকিব বলেছেন:



আমি আপনার সাথে একমত নই। এটা সংবেদনশীল ঠিক আছে কিন্তু দেশের জনগণ এসব জানার অধিকার রাখে। সাংবাদিক কামাল, জাহেদ' দের মত আপনি যেসব স্পর্শকাতর গোপনীয় বিষয়ের কথা বলছেন ওগুলো অন্য জিনিস।

-আপনার বক্তব্য যুক্তিযুক্ত। জনগণের জানার অধিকার আছে, বিশেষ করে যদি এটি জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়। তবে কিছু বিষয় সত্যিই সংবেদনশীল, যা সরাসরি প্রকাশ করা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে। ব্যালান্স বজায় রাখাই গুরুত্বপূর্ণ। সেসব বিবেচনায়ই আমি মতামত দিয়েছি। আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

৪| ২৪ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৩০

রিফাত হোসেন বলেছেন: সেনাবাহিনীর প্রধান আর সেনাবাহিনী ওতোপ্রোতভাবে জড়িত তথাপি ব্যক্তি সেনাপ্রধান যে হাসিনা ঘনিষ্ঠ মানুষ তা বেমালুম ভুলে গিয়েছে। কয়দিন পর হাসিনার গণহত্যার নির্দেশও ভুলে যাবে!

আমাদের জাতি বড়ই বিচিত্র।

২৪ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৯:৫১

নতুন নকিব বলেছেন:



এটি একটি রাজনৈতিক ও সংবেদনশীল বিষয়। ইতিহাস সাক্ষী, ক্ষমতার ভারসাম্য ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক অনেক সময় সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। তবে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

মূল্যবান মতামত প্রকাশের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৫| ২৪ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই ঘটনা থেকে মোটাদাগে দু'টা বিষয় জনগনের সামনে এসেছে........

১। এনসিপি'র নেতৃবৃন্দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। স্পর্শকাতর যে কোনও ইস্যুতে তাদের মধ্যে সিনক্রোনাইজড ন্যারেটিভ থাকা উচিত। তাদের মধ্যে যদি বিভাজন হয়, তাহলে দেশ-বিদেশের শত্রুরা সুযোগ নিবে, যা একটা রাজনৈতিক দল হিসাবে তাদের জন্য ভালো কিছু হবে না।

২। সেনাবাহিনীর উচিত তাদেরকে জনগন যে জন্য বেতন-ভাতা দেয়, সেদিকে ফোকাস করা। দেশে রাজনীতি বা নীতি-নির্ধারণে নাক গলানো তাদের কাজ না। তাদের রুলস অফ প্রিসিডেন্স মেনে চলা তাদের পেশাগত দায়িত্ব এবং কর্তব্য। সেনাপ্রধান বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে যে বিতর্ক জন্ম দিচ্ছে, সেটা তার এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।

২৪ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৯:৫৪

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, (১) এনসিপি’র অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতা তাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, এবং (২) সেনাবাহিনীর মূল দায়িত্ব জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা, রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ নয়। পেশাদারিত্ব বজায় রাখাই তাদের জন্য শ্রেয়। আপনার সাথে সহমত প্রকাশ করছি।

মূল্যবান মতামত প্রকাশের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৬| ২৪ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৪২

নতুন বলেছেন: হাসনাত আব্দুল্লাহ সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে তার সাক্ষাতের বিস্তারিত গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, যা নিঃসন্দেহে একটি অসতর্ক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পদক্ষেপ। সেনাবাহিনী একটি সংবেদনশীল ও পেশাদার প্রতিষ্ঠান, এবং এর কর্মকাণ্ড ও আলোচনা সাধারণত গোপনীয়তার মধ্যে রাখা প্রয়োজন। এমন তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সেনাবাহিনি প্রধান আয়ামীলীগকে পুনবাসনের করতে কোন উদ্দোগের সাথী হতে পারেন না। এটা নিয়ে যেহেতু কথা হয়েছে তাই অবশ্যই এটা নিয়ে উনি মতামত দিয়েছেন।

প্রকাশ হওয়াতে এখন এই পরিকল্পনা থেমে যাবে। এটা ভালো।

আয়ামীলীগ এখনো অনুসুচনা করছে না। তারা এখনো এতোগুলি হত্যার পক্ষে সাফাই গাইছে। তাই অবশ্যই তাদের এই নির্বাচনে অংশ নিতে দেওযায াবেনা। পরের নির্বাচনের আগে যদি তারা তাদের ভুল সুধরে ক্ষমা চায় সেটা জনগন দেখবে।

তবে দলে গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। শেখে পরিবারই আয়ামীলীগ এটা না পাল্টাতে পারলে কিছুই পরিবর্তন হবেনা।

২৪ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৯:৫৯

নতুন নকিব বলেছেন: সেনাবাহিনি প্রধান আয়ামীলীগকে পুনবাসনের করতে কোন উদ্দোগের সাথী হতে পারেন না। এটা নিয়ে যেহেতু কথা হয়েছে তাই অবশ্যই এটা নিয়ে উনি মতামত দিয়েছেন।

প্রকাশ হওয়াতে এখন এই পরিকল্পনা থেমে যাবে। এটা ভালো।

আয়ামীলীগ এখনো অনুসুচনা করছে না। তারা এখনো এতোগুলি হত্যার পক্ষে সাফাই গাইছে। তাই অবশ্যই তাদের এই নির্বাচনে অংশ নিতে দেওযায াবেনা। পরের নির্বাচনের আগে যদি তারা তাদের ভুল সুধরে ক্ষমা চায় সেটা জনগন দেখবে।

তবে দলে গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। শেখে পরিবারই আয়ামীলীগ এটা না পাল্টাতে পারলে কিছুই পরিবর্তন হবেনা।


-আপনার বক্তব্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা থেমে যাওয়া ইতিবাচক হলেও, দলটি এখনো আত্মসমালোচনা করেনি। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে দলীয় কাঠামোতে পরিবর্তন প্রয়োজন। ভবিষ্যতে জনগণই তাদের অবস্থান নির্ধারণ করবে।

মূল্যবান মতামত প্রকাশের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৭| ২৪ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৫:৫৪

অক্পটে বলেছেন: এটা প্রকাশ করায় দেশ অনিরাপদ হবেনা। বরং ভালো হয়েছে। সেনাবাহিনী তলে তলে অনেক অপছন্দনীয় কাজ করে ফেলেছে কেউ বাধা দেয়নি। ৬৩২ জন খুনীকে নিরাপদে বিদেশে পাঠিয়েছে এই সেনাবাহিনী। এটা উচিত হয়নি। এখন আওয়ামীলীগকে আনতে চাইছে। খুব ভালো হয়েছে, ধন্যবাদ হাসনাতকে।

২৪ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১০:০২

নতুন নকিব বলেছেন:



এটা প্রকাশ করায় দেশ অনিরাপদ হবেনা। বরং ভালো হয়েছে। সেনাবাহিনী তলে তলে অনেক অপছন্দনীয় কাজ করে ফেলেছে কেউ বাধা দেয়নি। ৬৩২ জন খুনীকে নিরাপদে বিদেশে পাঠিয়েছে এই সেনাবাহিনী। এটা উচিত হয়নি। এখন আওয়ামীলীগকে আনতে চাইছে। খুব ভালো হয়েছে, ধন্যবাদ হাসনাতকে।

-আপনার মতে, এই তথ্য প্রকাশ দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়নি, বরং ভালো হয়েছে। সেনাবাহিনীর কিছু অতীত কর্মকাণ্ড বিতর্কিত, এবং আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা থেমে যাওয়া ইতিবাচক বলে মনে করছেন।

মূল্যবান মতামতের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৮| ২৪ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১০:০২

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: হাসনাত চরম ঝুকি নিয়ে দেশের বিড়াট উপকার করেছে। হাসনাতদের যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তা অন্য রাজনৈ্তিক দলদেরো দেয়া হয়েছে বলে কিছু রাজনৈ্তিক দল স্বীকার করেছে। অর্থাৎ বিএনপিকেও এই প্রস্তাব দেয়া হয়েছে এবং তারা সায় জানিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে !!! বিএনপির সাথে লীগের আতাত দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে।

@ ভুয়া মফিজ , এনসিপি'র নেতৃবৃন্দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব নয় বরং কিছু বিশৃংখলার নজির দেখা যাচ্ছে। । নাহিদ ও আখতারকে এই বিষয়ে কঠোর ভুমিকায় যেতে হবে। দলের প্রধান হিসাবে নাহিদ ও আখতার যেখানে হাসনাতের সমর্থনে সংবাদ সম্মেলন করে, বিক্ষোভ মিছিল করে সেখানে নীচের সারির নাসিরুদ্দিন পাটুয়ারী ও হান্নান মাসুদের সাহস হয় কি করে হাসনাত ও সারজিসের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়ার? নাসির উদ্দিন পাটুয়ারী ও হান্নানের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লানারি একশন নেয়া উচিত।

২৪ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১০:০৮

নতুন নকিব বলেছেন:



হাসনাত চরম ঝুকি নিয়ে দেশের বিড়াট উপকার করেছে। হাসনাতদের যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তা অন্য রাজনৈ্তিক দলদেরো দেয়া হয়েছে বলে কিছু রাজনৈ্তিক দল স্বীকার করেছে। অর্থাৎ বিএনপিকেও এই প্রস্তাব দেয়া হয়েছে এবং তারা সায় জানিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে !!! বিএনপির সাথে লীগের আতাত দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে।

-আপনার মতে, হাসনাত বড় ঝুঁকি নিয়ে দেশের উপকার করেছেন, এবং আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে গোপন সমঝোতা স্পষ্ট হচ্ছে। কিছু রাজনৈতিক দলও প্রস্তাব পাওয়ার কথা স্বীকার করেছে, যা এই ধারণাকে আরও শক্তিশালী করছে।

আপনি বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। মূল্যবান মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৯| ২৬ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: হাসনাত জামাতের হয়ে কাজ করছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.