আমরা মোট ৩ ধরণের প্রশংসায় প্রশংসিত হইঃ
.
১. নিজের মুখেই নিজের প্রশংসা৷ একে "আত্মপ্রচার " বা "নিজেরঢোলনিজেপিটানো" বলা হয়৷ আর সব লোকের চেয়ে আমি কেন কেন সেরা, আর সব লোক আমার তুলনায় কেন কেন অপদার্থ তার সবিস্তার বিবরণ দিয়ে দিয়ে আত্মপ্রসাদ লাভ করাকে আত্মপ্রচার বলে৷ যেমন— "আমি এই এই পারি, সে পারে না", "সে এই সেই করে, আমি করিনা৷" ইত্যাদি৷
.
২. অন্যকে দিয়ে প্রশংসা করিয়ে নেয়া৷ লোভ দিয়ে, ভয় দিয়ে, বিনিময় দিয়ে৷ একে "উপআত্মপ্রচার" বা "পরোক্ষ আত্মপ্রচার" বললেও কিল্ঘুশি খাওয়ার ভয় নেই ঢিসুম ঢিসুম৷ কালজয়ী উপআত্মপ্রচারমূলক বাণী সমূহের মধ্যে "গেদু ভাইয়ের চরিত্র, ফুলের মত পবিত্র", "এক বড় না দুই বড়, গ্যাদা আপার মন বড়" ইত্যাদি বিশেষ ভাবে উললেখযোগ্য৷
.
৩. অন্যের মুখের প্রশংসা৷ তবে যার প্রশংসা করা হয়, তিনি কোন আত্মতৃপ্তি লাভ করেন না৷ কিভাবে করবেন? তিনিতো জানেনই না যে কখন কোথায় কিভাবে তার প্রশংসা করা হলো৷ এই তৃতীয় প্রকারের প্রশংসাই বেশি সুন্দর, শ্রবণীয়, শ্রুতিমধুর এবং ন্যাচারাল৷
আমাদের আপ্লোডিত ছবিগুলো মোট ৩ ধরণেরঃ
.
১. নিজের হাতের ক্যামেরা দিয়ে তোলা নিজের ছবি৷ একে সেলফি বলে৷ মহামূল্যবান ব্যক্তি বস্তু পদার্থ স্থান কাল পরিস্থিতি ইত্যাদির সাথে নিজের চেহারাখানিকে একসাথে ক্যামেরাবন্দী করে নিজেকে ধন্য করতে পারলে তাকে সেলফি বলে৷ সেলফি অনেক ধরনের হয়ে থাকে৷ যেমন— স্বাভাবিক, হাসিমাখা, ভেংচিকাটা ইত্যাদি৷
.
২. অন্য কাউকে দিয়ে তুলিয়ে নেয়া নিজের ছবি৷ একে সেমিসেলফি বা ইন্ডিরেক্টসেলফি বললেও চড়চিমটি খাওয়ার ভয় নেই৷ সেমিসেলফিরও রকম আছে৷ এখানে ব্যক্তি যে শুধু ক্যামেরার দিকেই তাকিয়ে থাকেন তা নয়৷ আকাশের দিকে, ক্যামেরার অবস্থান থেকে ৯০॰ কোণে দূরের দিগন্তের দিকে অথবা ডান হাতের আঙ্গুলের চিরুনি চুলে ঢুকিয়ে দিয়ে বাম পাশের মাটির দিকে...
.
৩. অন্যের তোলা ছবি৷ তবে যার ছবি তোলা হয় তিনি কোন পোজ নেন না৷ নেবেন কী করে, তিনিতো জানেনই না যে কখন কিভাবে তার ছবি নেয়া হলো৷ এই তৃতীয় প্রকারের ছবিই বেশি সুন্দর, দর্শনীয় এবং ন্যাচারাল৷