১. আমার চাইনীজ বস বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে খুবই সচেতন। শেখ হাসিনা, এস আলম, আওয়ামী লীগ দেশের অর্থনীতিকে শেষ করে দিচ্ছে বলে সবসময় আফসোস করতেন। প্রতিটা কাজে বাংলাদেশীদের 'আন্ডার মানি' দিতে হয় বলে তার খুব রাগ হত। শেখ হাসিনা পতনের পর তিনিও খুব খুশী হলেন...
২. শেখ হাসিনার পতনের কয়েকদিন পর আবার উনার মন খারাপ হল। কারণ, ড. ইউনুস আমেরিকাপন্থী। চায়না সরকার এটা পছন্দ করে না। আর যদি সেন্টমার্টিনে ঘাঁটি করার সুযোগ দেয়, তাহলে চায়না সরকার সাহায্য ও বাণিজ্য বন্ধ করে দিবে। হয়তো চাইনিজরাও আর বাংলাদেশে থাকবে না...
৩. শেখ হাসিনার পতনের পর ছাত্র/ছাত্রীরা যখন ট্রাফিক কন্ট্রোল করছিল, বস তখন খুব খুশী হলেন। রাস্তায় যত্রতত্র লেইন ক্রস করছিল না কেউ। সবাই সিগনাল মানছিল। ছাত্রদের উৎসাহ দেয়ার জন্য মাস্ক দিলেন। বললেন, ছাত্ররা পারবে সিস্টেম বদলাতে...
৪. কয়দিন পর আবার বসের সুর বদল। পুলিশ কেন এখনো নামছে না রাস্তায়? বিভিন্ন জায়গায় ছাত্ররা তাদের শিক্ষকদের পদত্যাগ করাচ্ছে। ছাত্ররা শিক্ষকদের মানছে না। বিভিন্ন সরকারী অফিসে কর্মচারীরা জোর করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ করাচ্ছে। এভাবে তো সবাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। কিছু হলেই আন্দোলন করবে, রাস্তা ব্লক করবে -এটা তো ভাল লক্ষণ নয়...
৫. ব্যাংক যখন স্বাভাবিক হল ১ম সপ্তাহে নিয়ম করল এক বারে ১ লাখের বেশী তোলা যাবে না, পরের সপ্তাহে ২ লাখ, পরের সপ্তাহে ৩ লাখ। বস এবার রাগ করে বলল, এভাবে কি ব্যবসা করা যায়? তার চেয়ে ১৫ বছর আওয়ামী লীগ ছিল, দেশ একটা সিস্টেমে চলছিল। এখন ব্যবসার পরিবেশ ফেরত পেতে তো অনেক সময় লেগে যাবে...
৬. বসের একটা কাগজের জন্য সরকারী অফিসে অনেকদিন ধরে আসা যাওয়া করতে হচ্ছে উকিলকে। সরকারী কাজ, তাই ঘুষ (’স্পিড মানি’) তো লাগবেই! উকিল বসকে বললেন, টাকা লাগবে অতিরিক্ত, তাহলে কাজ হবে। বস জিজ্ঞেস করল, এখন তো আওয়ামী লীগ নাই, তাহলে ঘুষ কে খাবে? উকিল জবাব দিল, বিএনপি পন্থী অফিসার..
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০২৪ সকাল ১১:৫৩